দেশের অর্থনীতির বর্তমান হরতালীয় ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নেবার লক্ষ্যে সরকার যেসব ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারে-
প্রথমত- যেহেতু যেকোন পাবলিক ব্যবসায় করের নিয়ম রয়েছে,তাই করের আওতার বাইরে থাকা ব্যবসাগুলোর (যেমন- ধর্মব্যবসা) উপর করারোপ করা। এতে একমাসেই সরকারের কোষাগারে যে পরিমান অর্থজমা হবে তাতে করে দুই-চার বছর বৈদেশিক সাহায্য ছাড়াই সুখে শান্তিতে দেশ চালনা করতে পারবে।
দ্বিতীয়ত, যেহেতু হরতালের সময় হেফাজতের ভাইয়েরা কষ্ট করে পুরুষ এবং নারীর সম্পর্ক্য নির্ধারণ করছে দেশের বিভিন্ন স্থানে,তাই তাদের কষ্ট কমিয়ে দেয়ার লক্ষ্যে সরকার নিজস্ব অর্থায়নে দেশের সকল পয়েন্টে পয়েন্টে সম্পর্ক্য নির্ধারণকারি নিয়োগ করতে পারে। মরদ চ্যাক করার চার্জ ৫টাকা এবং আওরাত চ্যাক করার চার্জ ১০টাকা রাখা যেতে পারে। এতে দেশের মানুষের সম্পর্ক্য হেফাজত হবে এবং সরকারের কোষাগারে বাড়বে অর্থের চালান।
তৃতীয়ত, যেহেতু লাগাতার হরতালের কারনে গার্মেন্টস কারখানা গুলো বিদেশি অর্ডার হারাচ্ছে তাই পোশাকশিল্পের চাকা সচল রাখার জন্য সবাই একত্রে বোরকা তৈরিতে লেগে যেতে পারে। এতে করে নারীরা তাদেরকে বেগানা পুরুষের নজর থেকে হেফাজত রাখতে সক্ষম হবে। উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রি এবং বিরোধিদলীয় নেত্রি নিজেরা বোরকা পড়ে সর্বপ্রথম নিজেদের হেফাজতের ট্রেনিং দেবেন।
চতুর্থত, যেহেতু ব্লগ দিয়ে ইন্টারনেট চালনার শুভ সুচনা হয়ে গেছে বাংলার মাটিতে।তাই সরকার তাৎক্ষনিকভাবে সাবমেরিন ভাড়াকরা বন্ধ করে দিতে পারে। এতে করে দেশের বহুটাকা বিদেশে পাচার হওয়া থেকে রক্ষা পাবে।
পঞ্চমত, যেহেতু হেফাজতি ভাইয়েরা দেশের মাটিতে থাকা সকল বলগ নিশ্চিহ্ন করে দিতে চান। তাই তাদের আশাপুরনের লক্ষ্যে প্রতি মহল্লায় মহল্লায় একটি(এলাকাভেদে একাধিক হতে পারে) করে স্বাস্থ্যসম্যত বলগ নির্মান করতে পারে সরকার। এতে শান্তিতে হাতের নাগালের কাছের হেফাজতি ভাইয়েরা বলগ ভাংবে। এই প্রজেক্টে সরকারের কিছু অর্থলগ্নি হবে ঠিকই কিন্তু তার বদৌলতে হেফাজত থেকে হেফাজত থাকবে নিশ্চিত।
বিঃদ্রঃ আমারে মাইরেন না। আমি ভাই আল্লাওয়ালা মানুষ। শুধু ধর্ম ব্যবসাটা পছন্দ করি না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

