somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

Mohammad Israfil
ইতিহাস পড়তে ভালোবাসি। তবে কাজ করি টেকনোলজি নিয়ে। যাইহোক পড়তে যখন ভালোবাসি তখন লেখালেখি করি যা জানি তাই নিয়ে। পরিচয় দেওয়ার মত অমুক তমুক ব্যক্তি নয় আমি।যদি ভূল করি, জেনা বা না জেনে। ক্ষমা প্রার্থী আমি আপনার কাছে।

কোরবানীর চামড়া নিয়ে নগ্ন ব্যবসা

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১২:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


রাস্তায় যদি একটি সুন্দরী মেয়েকে হঠাৎ দেখেন জামা কাপড় খুলতে শুরু করেছে তখন আপনি কি করবেন? জানি, উত্তর দিতেও আপনি এখন বিব্রতবোধ করছেন। কিন্তু মজার বিষয় কি জানেন? এই মেয়েটা ছোট জামা পরিধান করে থাকলেও অনেকেই হা করে তাকিয়ে থাকবে কিন্তু যখন উলঙ্গ হয়ে হাটবে তখন ঠিক সেই মেয়েকেই সকলে পাগল বলবে। ছিঃ ছিঃ বলে সকলেই প্রস্থান করিবে।


আপনি যেমন মানুষ ঠিক তেমন করেই কিন্তু একজনকে আশা করেন কিন্তু যদি তারচেয়ে খুব কম মানের কিংবা খুব বেশী মানের কাউকে নিজের করে পেয়েযান তখনও কিন্তু আফসোস এবং প্রশ্ন দুটোই মনের মধ্যে কাজ করবে। আর এই কাজ করার শক্তিটা একমাত্র মানুষেরই। ইহাকেই হয়ত বিবেক শক্তি বলে। ইহাই মানুষকে হতাশ, আশা, স্বপ্ন, আবার নগ্ন ও হিংস্র করে তোলে।

বাটা কিংবা এপেক্স এর শো-রুম থেকে একজোড়া জুতা কিনতে গেলে ২ হাজার টাকার কমে কোন জুতাই খুঁজে পাইনা। অনেক ঘাঁটাঘাঁটি করে যা পছন্দ হয় তা নিজ পকেটের পছন্দ হয়না। টানাটানির সংসারে এভাবেই রেক্সিন পায়ে দিয়ে চামড়ার অভাব মিটিয়ে থাকি বেশীরভাগ মানুষই। একে আমি বলি দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানো। এভাবেই চলছে জীবন। এরই নাম জীবন যুদ্ধ। প্রশ্নটা তাহলে...

প্রশ্নটা হলো এই অল্প চামড়ার দাম যদি এতটা হয় তাহলে একটি গরুর পুরো চামড়ার দাম কত? উত্তর হয়ত আমাদের কাছে নেই কিন্তু সেই বিবেককে কাজে লাগান তো এবার। কত হতেপারে এই দাম? এই অংকটা আবার আমার মাথায় কেন আসবে! আমিতো মাত্র একজন চামড়ার জুতো কিনলেওয়ালা তাইনা? না, আমি একজন মুসলিমের হকওয়ালাও।

অনেকেই বলেন, কাওমি হুজুর, এতিমরা, গরীবরা আমাদের টাকায় চলে আবার আমাদের সাথে তর্ক। প্রশ্ন তাহাদের, সরকার,পুলিশ, সরকারী কর্মকর্তা, কর্মচারীওতো জনগনের টাকায় চলে কিন্তু তারা কি জনগনের কথা শুনে নাকি জনগন তাহাদের কথা শুনে? এত গভীরে যাচ্ছিনা আজ। শুধু বলবো যেই চামড়ার জুতোর দাম এতবেশী সেই চামড়ার দাম এত কম কেন?

বুঝতেছেন না! শুনুন, প্রতিবছর কোরবানী এলেই চামড়ার দাম কমে। আর কম মূল্যের জন্য ক্ষতিগ্রস্থ হয় এদেশের লাখ লাখ এতিম ও গরীব মানুষেরা। যারা বা যেসব প্রতিষ্ঠান এই চামড়া বিক্রির মাধ্যমে এই মোটা অংকের অর্থের যোগান দিতেন, সেইসব প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্থ কিন্তু লাভবান একটা মহল। যারা কমদামে এই চামড়া কিনে ঠিকই দিনের পর দিন চামড়ার জুতোর দাম বাড়াচ্ছেন। আর গড়ছেন এ বছর এক গাড়ীর যায়গায় আগামী বছর তিনটি গাড়ী কিংবা আরোও একটি বাড়ী। অথচ সেই গরীবরা যুদ্ধ করে টিকে থাকতে।

আপনি যদি সেই সুন্দরী নারীর মত তাহার কর্মকে ঘৃণা করে থাকেন তবে যেসব মানুষেরা এমন কর্মে সাহায্য করে, এমন কর্ম করে তাহাদেরকেও ঘৃণা করুন। প্রতিবাদ করুন নিজ নিজ যায়গা হতেই। আমার মতে এমন প্রতিবাদ হতে পারে।

>> ঘৃণিত মানুষদের সাথে কোরবানি দেওয়া পরিহার করুন।
>> চামড়ার মূল্য কম হলে সমপরিমাণ মূল্য মাদ্রাসায় দান করে সেই চামড়া কেটে মাটিচাপা দিয়ে দিন।
>> এদের সাথে সকল প্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করুন।
>> এদেরকে মানসিকভাবে বয়কট করুন।

মনে রাখতে হবে যারা ছোট্ট ছোট্ট কাজে ইসলামের বিপক্ষে চলেযায় কিঞ্চিত ব্যবসায়ের নাম দিয়ে তাহারা ইসলামের বন্ধু নয়। তাহারাই ইসলামের গোপন শত্রু। তাই প্রতিবাদের সুর বাজুক নিজ নিজ স্থান হতেই। যারা বিবেকবান তারা শোধরাবে আর যারা বেঈমান তাদেরকে বয়কট করুন। বিশ্বাস করি নিজ থেকে শুরু করলেই পরিবর্তন হবে এ সমাজ।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১২:০৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাঙালিয়ানা ভোজ ও রুপালি ইলিশের স্বাদ

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৫৫

বন্ধু মারফত খবর পেলাম দেশের বাজার নাকি ভারতীয় ইলিশে সয়লাব। পদ্মার ইলিশের দাম কম, তাই নিম্নচাপ উপেক্ষা করে চলে গেলাম ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে। ঘাটে এসে দেখলাম পুরা বাজার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম: দাদীর মুষ্টি চালের গন্ধমাখা একটি হারিয়ে যাওয়া শৈশব

লিখেছেন চারাগাছ, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৪৮



ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম: দাদীর মুষ্টি চালের গন্ধমাখা একটি হারিয়ে যাওয়া শৈশব

​ক্যালেন্ডারে নামটা দেখেছেন হয়তো— ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম।
​ছোটবেলায় স্কুলে পড়েছেন যারা, তাদের অনেকের কাছেই নামটা পরিচিত। কারণ, এই নামটার সঙ্গে জড়িয়ে আছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৩৯


ভূমিকা
সকল নবি ও রাসুল প্রতি সালাম ও দুরুদ পর
দাউদের সুরে, মূসার পথে, ঈসার প্রেমের বাণী
মুহাম্মদের মরু পেরিয়ে শুনেছি যুগের ধ্বনি
কৃষ্ণের বাঁশি, বুদ্ধের ধ্যান, সুফির অন্তর সন্ধান
যোগীর তপে, মরমীর গানে খুঁজেছি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওমীলীগকে সম্পর্কে কি আপনার মনে এখন কোনো পজিটিভ চিন্তা উঁকি দেয়?

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৬


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতি মূলত চারটি বিষয়ের উপর মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায়।
প্রথমত, মানুষ মনে করে এ দলটি ক্ষমতায় থাকলে স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায়। এটা খুবই সত্য যে ১৯৭১ সালে আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিরোনামহীন কবিতা-০৭

লিখেছেন কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত), ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪

তোমাকে নিয়ে কক্সবাজারে
সমুদ্রের গান শোনা,
অথবা বান্দরবানের কোনো পাহাড়ের চূড়ায় উঠে
মেঘের ভেলায় হারিয়ে যাওয়ার
কত যে ইচ্ছে—স্ব-যত্নে পুষে রেখেছিলাম
মনের গহীনতম কোণে!

কোনো এক ঈদের পড়ন্ত বিকেলে—
অকারণ কাঁপা আঙুলে
একটি খুদে বার্তা পৌঁছে দিয়েছিলাম
তোমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×