somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শীতের রাতে হেঁটেছেন কখনো?

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ২:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হেঁটেছেন কখনো শীতের রাতে?
শহরে আপনি যখন রাস্তা ধরে হাঁটবেন, দেখবেন দু/একটা গাড়ি মাঝেমাঝে সাঁই করে আপনার পাশ কেটে চলে যাবে। হুম্ ধুলো উড়িয়ে।
হিমালয়ের বরফ ছুঁয়ে আসা বাতাস আপনার হাত দুটো জমিয়ে শক্ত করে দেবে। কেডস্ না পরে থাকলে পায়ের অবস্থাও হাতের মতই হবে। তখন বরঞ্চ হাঁটতে কষ্ট হবে।
হাঁটতে হাঁটতে আপনি দেখবেন প্রায় ৯০% দোকানের শাটার নামানো। ২/১টা ফার্মেসী কিংবা চায়ের টং খোলা থাকে অবশ্য প্রহরীদের সেবায়।
সোডিয়াম ল্যাম্পোস্টের হলদে আলোয় জনশূন্য রাস্তা আপনাকে ধাঁধাঁয় ফেলে দিতে পারে।
আপনার এক মুহূর্তে মনে হতে পারে এ পৃথিবীতে আপনি ছাড়া আর কেউ নেই। সেই অনুভূতিটা বড়ই আজব। আপনার মাঝে একাধারে অহংবোধ, নিঃসঙ্গতা, বিশালত্ব, বেপরোয়া ভাব চলে আসতে পারে।
মুখ দিয়ে অস্ফুট স্বরে গেয়ে উঠতে পারেন এমন কোন গান যা আপনি অপছন্দ করেন।
পেছন থেকে আচমকা ঘেউ ঘেউ করা কুকুরের ডাক শুনে জুতো রেখে পালিয়ে যেতে পারেন। ও কিছু নয়, বার্কিং ডগ সেলডম বাইটস।
রাস্তার পাশে প্লাস্টিকের ঘর দেখতে পাবেন। ঘরগুলোতে যারা থাকে কেবল তারাই জানে আশ্রয়স্থল কেন মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলোর একটি।
শীতের সব রাতেই কুয়াশা দেখা যায়না। মাঝেমাঝে দেখা যায় কুয়াশা। রহস্যময় কুয়াশা।
কোন এক ফ্ল্যাশ লাইটের আলোয় দেখতে পাবেন কুয়াশার অশরীরী নাচ। পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে কুন্ডলি পাকানো নাচ গভীরভাবে তাকালে আপনাকে ভড়কে দেবে। রিস্ক নিবেন না। ফ্রিজড হয়ে যাবেন।
ভুত-প্রেতে বিশ্বাস করেন?
মাইরি! একটু একটু?
ভূতের ভয়কে মনে আশ্রয় দেয়া মাত্রই ভূতেদের কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেসেজ চলে যায়। তারা আপনার চপ্পলের শব্দের সাথে তাল রেখে হাঁটা শুরু করবে।
আপনি গাছটার ডালের দিকে তাকাতেই কয়েকটা পাতা নড়িয়ে হাইড এন্ড সিক খেলবে আপনার সাথে।
সাহস করে পেছনে ফিরে তাকিয়ে শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যাবে একটা কিছু দেখে! কয়েক সেকেন্ড পরেই দেখবেন ওটা ছিল কাঁটাতারে কয়েকটা আবর্জনা ভর্তি পলিথিন।
তবে যাইহোক আর এগোনোর দরকার নেই। এবার বাসায় ফিরে যান।
‘মামা যেইখানে আছো খাড়ায়া থাক’
পেছন থেকে এমন কিছু শুনে আপনার ভাবার দরকার নেই তা ভূত কি ভূত নয়!
ঝেড়ে দৌড় লাগান!
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ২:৫২
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এই প্রথম খাল বাবার পলিটিক্যাল ম্যাচুরিটির নিদর্শন পেলাম

লিখেছেন অপলক , ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪

২০১০ সালে ফেব্রুয়ারীর ২২ তারিখ। মেয়েলি ব্যাপার বলি, প্রতিহিংসার ব্যপার বলি অথবা পলিটিক্যাল ইমম্যাচুরিটির কথা বলি, বাংলাদেশ জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নতুন করে আকীকা দিয়ে নাম রাখা হয়েছিল হযরত শাহজালাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাষণময়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১


বিশ্বাসগুলো হাবুডুবু খাচ্ছে
ভাগ্যের কম দোষটার হাত
ঝাঁকনি কম নেই তো- তাহলে
বিশ্বাসগুলো মরে যাচ্ছে এই;
মাটির আনন্দটা শুধু ফুল গন্ধ
নাকের সুসংবাদ যে দৌড়াচ্ছে
রাতের ঘুমটা যেনো স্বপ্নবিরল কষ্ট
ভোরের শিশির গড়ে না আর শক্ত;
তবু নিশ্বাসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

।।মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনার রাস্ট্রীয় জঙ্গীবাদ।।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮


মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনা ভারতের প্রযোজনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদেরকে দিয়ে জঙ্গী জঙ্গী নাটক মঞ্চস্থ করতো। বহিবিশ্বকে বোঝাতো দেশে ইসলামী জঙ্গী দিয়ে ভরে গেছে এবং সেই জঙ্গীরা ইউরোপ আমেরিকার ভয়াবহ ক্ষতি করবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=শরত তুই যাস নে ! =

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৩



ভ্যাপসা গরমে নাভিশ্বাস জীবনে কেবল বৃষ্টির হাপিত্যেশ,
মেঘ বলেছে আসবো আসবো আমার উদ্দেশ,
শুভ্র মেঘেদের নাচন
উত্তাপ হাওয়ায় যায় না আর বাঁচন,
তবুও স্নিগ্ধ আবেশ মনজুড়ে,
হঠাৎ হাওয়ার ঝাপটা, বাজে পাতার বাঁশি সুরে।

বিকেলের হাওয়ায় দেহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

১ কোটি চাকরি: শর্ত প্রযোজ্য, মেধার প্রবেশ নিষেধ !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:২৫


ভোটের আগে বলা হয়েছিল, ক্ষমতায় এলে প্রথম আঠারো মাসেই এক কোটি মানুষকে চাকরি দেওয়া হবে। কথাটা শুনে দেশের বেকার তরুণেরা তো মহাখুশি, কেউ ভাবল সরকারি চাকরি হবে, কেউ ভাবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×