
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন মানেই রাজনৈতিক দলগুলোর ব্যস্ত নাট্যোৎসব। মঞ্চ বদলেছে, মুখোশ পাল্টেছে—কিন্তু চরিত্র সেই পুরোনো। ভোটারের মন জয়ের নামে প্রতিশ্রুতির বন্যা, আর বাস্তবে নৈতিকতার চরম খরা।
মুখে দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধের হাঁকডাক, আর হাতে মনোনয়ন তুলে দেওয়া হচ্ছে ঋণখেলাপি, সন্ত্রাসের গডফাদার, চিহ্নিত দুর্নীতিবাজদের হাতে। যাদের কারণে রাষ্ট্র আজ জিম্মি, তারাই আবার “জনসেবক” সেজে হাজির। এটাকে কি রাজনৈতিক ভণ্ডামি না বলে উপায় আছে?
আর ধর্মাশ্রয়ী দলগুলো? তারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে নয়, বরং দুর্নীতির নতুন প্যাকেজ। মাদ্রাসা ব্যবসা, পীর-খানকা ব্যবসা, ধর্মকে পুঁজি করে ব্যক্তিগত সাম্রাজ্য গড়াদের মনোনয়ন দিয়ে তারা প্রমাণ করছে—এখানে ধর্ম নয়, ব্যবসাই মুখ্য।
এই দুই ধারার রাজনীতির কোথাও দুর্নীতি নির্মূলের সদিচ্ছা নেই। আছে শুধু ক্ষমতার লোভ, টাকার খেলা আর ভোটকে ব্যবহার করার নোংরা কৌশল। জনগণ এখানে নাগরিক নয়—শুধু সংখ্যামাত্র।
প্রশ্ন একটাই:
যাদের হাতেই দুর্নীতির রক্ত লেগে আছে, তারা কি কখনো দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গড়তে পারে?
নাকি আবারও আমরা অভিনয় দেখে হাততালি দেব, আর দেশটা যাবে একই অন্ধকারে?
ভোটের আগে নয়, ভোটের সময়ই সত্যিকারের পরীক্ষা।
মুখোশ চিনুন, নাটক চিনুন—নইলে ইতিহাস আবারও আমাদের ক্ষমা করবে না।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



