
দেশটা নাকি গণপ্রজাতন্ত্রী, কিন্তু ভাবখানা এমন যেন ব্যক্তিগত খানকা লিমিটেড। আর জনগণ? তারা যেন ভোটার না, বরং হাজিরা খাতায় সাইন দেওয়া মুরিদ! ফয়জুল করিম সাহেব রাজনীতিকে এমনভাবে নিয়েছেন যেন নির্বাচন মানে দরবারের নিয়োগ পরীক্ষা, আর প্রধানমন্ত্রী পদটা যেন আগেই বুকিং দেওয়া ছিল।
জোটের টেবিলে বসে যখন আসনের অংক মিললো না, তখন অভিমান করে একক নির্বাচন! ফলাফল কী হলো? ব্যালট বাক্স যেন নীরব ভাষায় বললো, “হুজুর, বাস্তবতাও একটা জিনিস আছে!” জনগণ ভোট দিয়ে বুঝিয়ে দিল, বক্তৃতার ভলিউম বাড়ালেই সমর্থন বাড়ে না।
সবচেয়ে মজার অধ্যায় হলো নারী প্রসঙ্গ। দেশের অর্ধেক মানুষ নারী, কিন্তু তাদের প্রতিনিধির পাশে বসতে আপত্তি! মনে হলো যেন গণতন্ত্র চলবে, তবে শর্তসাপেক্ষে। অথচ ভোটের দিন সেই “শর্ত” মানেনি কেউই। দুই আসনে দাঁড়িয়ে দুই জায়গাতেই ফল এমন এসেছে, যেন জনগণ একযোগে বলেছে, “ধন্যবাদ, দরকার নেই।”
রাজনীতি যদি সত্যিই সেবা হতো, তাহলে অহংকার নয়, নম্রতাই হতো মূল পরিচয়। কিন্তু যখন কেউ নিজেকে প্রশ্নের ঊর্ধ্বে ভাবতে শুরু করে, তখন ভোটই হয়ে ওঠে সবচেয়ে নির্ভুল আয়না। আর সেই আয়নায় যা দেখা যায়, সেটাই আসল জনমত।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




