somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জীবনমঙ্গল

১৯ শে মার্চ, ২০০৬ ভোর ৬:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

[বাসনত্দি এসব হচ্ছে কি? আর মাত্র মিনিটখানেক বাকি, এখনও রঙ মাখা হয়নি, আসর বন্দনার ডাক তো এুণি দেবে]
[আমার কি শরীর খারাপ করতে নেই অধিকারীদা? আমি কি মানুষ না?]
[না তুমি মানুষ না, তুমি দিপালী অপেরার নটী]


শ্রী শ্রী দিপালী অপেরার আজকের পালা জীবনমঙ্গল


বেজে ওঠে মোহন-মন্দিরা, ঢোল-কত্তাল, হারমোনি
একদল সখী-সহচরে প্রবেশ বাসনত্দির
"তারা এ দেশের সবুজ ধানের শীষে
চিরদিন আছে মিশে
দোয়েল-শ্যামার সীসে
চিরদিন আছে মিশে"

বন্দনা শেষ, এবার জীবনমঙ্গল
দিপালী অপেরার নটী বাসনত্দি এখন নগরবালা
পথে পথে ঘোরে, দাঁড়িয়ে হানে বিরল কটাৰ
"যাবে নাকি গো কুঞ্জুবনে, নেবে নাকি গো দ্রাৰাসাধ
ভরিয়ে দেবো, ভিজিয়ে দেবো, মিটিয়ে দেবো আশ"


[বাসনত্দি এসব কি হচ্ছে, মন দিয়ে অভিনয় হচ্ছে না, ঢলানিটা ঠিক জমছে না]

[প্রতিদিন ঢলানি হয় না অধিকারীদা, আজকে খারাপ আরেকদিন ভালো হবে]

[লোকে পয়সা দিয়ে খারাপ কিনবে কেন বাসনত্দি, লোকে ভালো চায় ভালো দিবি]

[অধিকারীদা আমি আর পারছিনে, এই জীবন আমার আর ভালো লাগে না, নকল নগরবালা মঞ্চে, আর এখানে সত্যিকার নগরবালা সাজতে আমার আর ভালো লাগে না]

[এগুলো কি কথা, আজ পালা শেষে যেতে হবে যে, মনে আছে তো?]

[মনে আছে, মনে আছে, মনে আছে, আমি নগরবালা, আমি দিপালী অপেরাার নটী]

[বাসনত্দি, এইতো হয়ে গেছে, এখন এইটুকু মঞ্চে ঢেলে দে, তোর বাঁচা মানে দিপালী অপেরার বাঁচা, বুঝিসনে কেন?]

[আমি কি বেঁচে আছি অধিকারীদা? ]

[আহ্ ঢেমনী মাগি জ্বালালে দেখছি, যা যা ছিন পড়ে গেছে, যা যা, বুকটা একটু ভালো করে...]

ও আমার রসিয়া বন্ধুরে, আন্ধার রাইতে তুই আমারে......

ক্যাপ...ক্যাপ.....

[দিদি তুমি খালি ক্যাপ পাও, আমার তো একটাও পাইলাম না]

[তোরাও পাবি, আমার শেষ, তোদের শুরম্ন, এইতো আর কিছুদিন]

[তারপর তুমি কই যাবা বাসনত্দিদি?]

[কইরে বাসনত্দি, ওরা এসে গেছে, এসো, যেতে হবে না?]

[আসছি অধিকারীদা. . .আসিরে...এবার জীবনমঙ্গলের দ্বিতীয় পালা, এক টিকিটে দুইটি পালা..বুঝলি]

ততোৰণে মাইকে নতুন ঘোষণা
শ্রী শ্রী দিপালী অপেরার আগামীকালের আকর্ষণ মিস বাসনত্দির........

(কবিতাপোহারের কবিতা-শোধ)

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জাপান যেভাবে মাত্র ৭ বছরে অর্থনৈতিক পরাশক্তিতে পরিণত হয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৭



জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে হেরে যাচ্ছি ০২

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৪


কাহিনীটা ৯০ এর দশকের শুরুতে। বুশ তখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট- মার্কিনিদের আগ্রাসন চলছে তখন ইরাক জুড়ে। হাটে মাঠে ঘাটে আড্ডায় গল্প আলোচনা মিডিয়ায় এমনকি বাসর ঘরেও তখন নব পরিণীতার সাথে তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাতিসত্তার পরিচয়ের বাজার

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:২১

ইতিহাসে কোনো আদর্শ সত্যিকার অর্থে মরে না। সে শুধু নাম বদলায়, পরাজিত আদর্শেরও পুনর্জন্ম হয়।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে মুসলিম লীগ একটি আসনও পায়নি। কিন্তু সেই রাতে মুসলিম লীগ মরেনি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটা ছিলো সোনার কণ‍্যা, মেঘ বরন কেশ!!!!

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ ভোর ৬:১৩



শাওন প্রশ্ন করেছিলে ৭৮ বছর বয়স্ক একজন মহিলার। অন্তর্বাস উচিয়ে যখন অন্তর্জালে দাঁত মুখ খিচিয়ে উল্লসিত বহু পোস্টে ভেসে যায় ।কিংবা দেয়ালে সরাসরি দি লিখে প্রচার করছিলো তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

‘ছুটি’র স্মৃতি

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০

(প্রায় দু’মাস আগে লেখা। তখন গ্রীষ্মকাল হলেও ঢাকায় কয়েকদিন পরপর বৃষ্টি হতো। এখনকার মত “ঘাম ঝরে দরদর” ধরণের গরম ছিল না। রাতগুলো তুলনামূলকভাবে বেশ ঠাণ্ডা থাকতো।)

আজ খুব ভোরে (শেষরাতে)... ...বাকিটুকু পড়ুন

×