
পার্থ
তোমার কাছে আমার এই চিঠি,
লিখছি আমি উড়িয়ে দেবো বলে।
নৌকা গড়েও ভাসিয়ে দিতে পারি,
অতল গহীন ইচ্ছামতীর জলে.....
ভাসতে ভাসতে সেই নৌকো চিঠি,
পৌছে যাবে তোমার উপল কুলে।
নাও এর মাঝে ভালোবাসার গীতি,
খুব যতনে পড়বে তুমি খুলে।
তখন বুঝি সাঁঝ ছুঁই ছুঁই বেলা,
তখন বুঝি সুয্যি ডোবে পাটে,
তখন বুঝি ফিরছে পাখি নীড়ে,
বাঁজছে বাঁশী মন পবনের ঘাটে।
লিখবে তুমি ফিরতি জবাব চিঠি-
অনেক কথায়, অনেক রাত্রী জেগে,
নিশুতি রাত জানলা খোলা চাঁদে,
পড়বে তোমার পড়ার টেবিল ঢেকে।
রাত জাগা কোন পাখির করুন ডাকে-
জাগবে শঙ্কা, হঠাৎ কাঁপন বুকে-
অশুভ কোন সাংকেতিয়া সুরে-
অধির হবে মর্মরিয়া দুখে।
জানবে তুমি খুব তখনও ভোর,
গেছি আমি ইচ্ছা মরণ পুরে!
ইচ্ছামতীর অতল জলের টানে
নিরুদ্দেশে অচিনপথের দূরে!
তুমি তখন বেশ অবাকই হবে,
ভাববে বসে কি এমন কি হলো?
স্বপ্নেও যা জানবেনা তা তুমি,
তোমার কান্না দেখার ইচ্ছে ছিলো।
মহুয়া
(পার্থ কেনো এ লেখা লিখলাম বলোতো?
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৩:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



