আমাদের দেশে 'ভ্যালেনটাইন ডে' এখনও প্রসূতিপর্বে । খ্রিস্টীয় ধর্ম থেকে উদ্ভূত হলেও এর সঙ্গে অন্যান্য ধর্মের কোন সংঘাত নেই । মমত্ববোধ প্যকাশের এমন সরল সুযোগটির প্রতি সবার উদার ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিই বাঞ্ছনীয় ।
বেশীরভাগ মানুষই ভাবেন এ দিনটি বুঝি প্রেমিক জুটিদের জন্যই । কিন্তু কোন প্রেক্ষিতেই এটি প্রেমিকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় এবং এরকম চিনতা করাটাও মূলত অর্থহীন ।
একটু লক্ষ্য করলেই বুঝা যায়, যে কোন রকমের ভালবাসার আয়োজনই পরিবার ছাড়া অসম্পূর্ণ । আর তাই এ দিনটিকে খুব সহজেই পরিবারের সাথে উদযাপন করা যায় । ছোটখাটো একটা ঘরোয়া পার্টির আয়োজন করা যেতে পারে, আর সে খানে অনভ্যস্ত হাতে কিছু রান্না করে অন্যদের চমকেও দেয়া যায় । হোক না সেটা দেখতে বা খেতে কুৎসিত ।
এছাড়া নিজের সৃষ্টিশীল গুণটিকে কাজে লাগিয়ে পরিবারের সবার জন্য বানাতে পারেন হৃদয় উষ্ণ করা ভ্যালেনটাইন কার্ড । আর টাকা পয়সা থাকলে উপহারও কিনতে পারেন । ধরুন আপনি আপনার বাবা-মা, দাদা-দাদী, নানা-নানী, ভাই-বোন, কাজিন, সন্তানাদি, বন্ধুকে ভালবাসেন তবে নিদ্্বর্িধায় তাদের বলুন ''শুভ ভ্যালেনটাইন" । এদিনটতো ভালবাসা প্রেরণ করারই দিন । নিজের ভাললাগা ভালবাসা উদার হৃদয়ে জানিয়ে দিন সবাইকে ।
ব্লগার ভাই/বোন সবার জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে শ্রুতিমধুর সুরে আমিও উচ্চারন করছি " হ্যাপী ভ্যালেনটাইন" ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




