বঙ্গভবনে জেনারেল ইব্রাহীমকে ঢুকতে না দেওয়া সংবাদটি রংচং মাখিয়ে গণমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে। একশ্রেণীর অসাধু সাংবাদিক সরকারের অপপ্রচারের অংশ হিসেবে একাজটি অত্যন্ত সুচারুরূপে সরকারের বিরোধিতা করবার জন্যই করে যাচ্ছে।
জে ইব্রাহীম সেকেন্ড ইস্ট বেঙ্গলের একজন সেনা অফিসার ছিলেন। সেনা বিদ্রোহের দায়ে বিএনপির প্রেসিডেন্ট আবদুর রহমান বিশ্বাস তাকে বরখাস্ত করে এক কাপড়ে বিদায় করেন।
এটা কি তিনি ভুলে গেছেন? ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা তার পেনসনের ব্যবস্থা করেন।
কথিত আছে জে ইব্রাহীম মুক্তিযোদ্ধা নামধারী বর্ণচোরা এটা সকলের জানা।
আর সেটি প্রকাশ পেল প্রকাশ্যে।
গণভবনে প্রবেশ না করতে পারায়, রাজাকার শিরোমনি গোলাম আজম’এর ছেলে এত কাতর হলেন কী করে?
জেনারেল ইব্রাহীমের উপর ক্ষোভ করে এক ব্লগার লিখেছেন-
কোন সহযোদ্ধা আপনার দুঃখে সমবেদনা জানান নি, কেননা তারা আপনার কুচক্রী ও রাজাকারের এজেন্টের স্বরূপ জানতেন।
দুই নেত্রী যখন জেলে, আপনি তখন বিশেষ মহলের ইন্ধন ও টাকায় নিজ কল্যাণের উদ্দেশ্যে কল্যাণ পার্টি গঠন করে ক্যান্টনমেন্ট আসন থেকে ইলেকশন করে মাত্র ৬০ ভোট পান। আপনি যে কুচক্রী ও রাজাকারের এজেন্ট তা ভোটের মাধ্যমে জনতা জানিয়ে ছিল।
কয়লা ধুলে ময়লা যায় না। রাজাকার আজীবনই রাজাকার, মুক্তিযোদ্ধা আজীবনই মুক্তিযোদ্ধা তার চেতনায় থাকে মুক্তিযুদ্ধ। স্বার্থের কারণে তারা রঙ পালটান না, রাজাকারের সাথে আতাত ও করেনা। আপনার মত জামাতের পোষা এজেন্টকে ঢুকতে দেয়া হয়নি বলে জাতি তার ভুল শোধরানোর সুযোগ পেয়েছে।
আপনার বীরপ্রতীক খেতাব ফিরিয়ে দিন, সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীমই।
আপনি হলেন বাংলাদেশের রাজাকার সমর্থিত ১নং আসল ভেজাইলা মুক্তিযোদ্ধা।
নাইলে কোন মুক্তিযোদ্ধা শিবিরের কাছ থেকে সম্মাননা নেন? আসল মুক্তিযোদ্ধারা কি শিবিরের সাথে থাকে?
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




