somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভারত বাংলাদেশ নতুন সম্পর্ক

২৯ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ১১:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গত ২৩ মার্চ বুধবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুই দেশের সম্পর্ককে আরেকবার নতুন মাত্রায় উন্নীত করলেন। নিজ নিজ অফিসে বসে দুই প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ত্রিপুরা থেকে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে ও ১০ জিবিপিএস ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরায় সরবরাহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ও ১০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ আমদানি-রপ্তানি বড় ফ্যাক্টর নয়। দুই সরকারপ্রধানের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, কথার টোন ও ভাষার মধ্যে যে আন্তরিকতা ও আস্থার পরস্ফুটন দুই দেশের প্রায় ১৪০ কোটি মানুষ দেখেছে, সেটাই মুখ্য বিষয়। এটাই শীর্ষ নেতৃত্বের দায়িত্ব। বাকি কাজ যাঁরা করার তাঁরা সময়মতো সেটি করে ফেলবেন। রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও নেতৃত্বের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা থাকলে দীর্ঘদিনের কঠিন জটিল সংকটের সমাধান কত দ্রুত ও সহজে হতে পারে তার উত্কৃষ্ট উদাহরণ ভারত-বাংলাদেশ সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার অব্যবহিত পর উদাহরণ সৃষ্টি করেছিলেন বাঙালির মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ভারতের মহীয়সী নেত্রী মিসেস ইন্দিরা গান্ধী। সেই পথেই এখন হাঁটছেন বঙ্গবন্ধুর মেয়ে শেখ হাসিনা ও সাম্প্রতিককালের শক্তিশালী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের উইন উইন পরিবেশে পার্বত্য চট্টগ্রামে ২২ বছর ধরে চলা ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতের সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ সমাধান করেন শেখ হাসিনা ২১ বছর পর প্রথমবার ক্ষমতায় আসার মাত্র দেড় বছরের মাথায়। যদিও তখন ভারতে ক্ষমতায় ছিল অন্য সরকার। সমুদ্রসীমানা নির্ধারণ, ৬৫ বছরের জংপড়া ছিটমহল সমস্যার সমাধান, অচিহ্নিত স্থলসীমান্ত চিহ্নিতকরণ, বহুপক্ষীয় কানেকটিভিটি চালুকরণের মতো কঠিন সমস্যা গত পাঁচ বছরে সমাধান হয়েছে। বিপ্লবী পন্থায় অনেক কিছু রাতারাতি করা যায়। কিন্তু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় জাতীয় সংকট ও আন্তরাষ্ট্রীয় সমস্যার দ্রুত সমাধান করা অত্যন্ত দুরূহ কাজ। এই দুরূহ কাজ যাঁরা করতে পারেন তাঁরাই ইতিহাসে স্থান লাভ করেন। ২৩ মার্চ দুই প্রধানমন্ত্রী প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক জল-স্থল ও মহাকাশ পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই দেশের মধ্যে যে সম্পর্কের সৃষ্টি হয়েছিল তা আবার নতুন মাত্রা পেতে শুরু করে ২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফরের মধ্য দিয়ে। বিগত ছয় বছরে ভারতের দুজন প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি সফরের মধ্য দিয়ে এই সম্পর্ক এখন শুধু বস্তুগত সংযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ভার্চুয়াল সংযোগ, মানুষে মানুষে যোগাযোগ, চিন্তাচেতনার যোগাযোগসহ সব ক্ষেত্রে নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। এ অবস্থায় গত ২৩ মার্চ দুই প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সের বক্তব্য দুই দেশের মানুষকে নতুন করে অনুপ্রেরণা ও উৎসাহ জোগাবে। শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির এই ভিডিও কনফারেন্সটি মার্চ মাসে হওয়ায় বাংলাদেশের মানুষের জন্য এটি আরো অন্য রকম গুরুত্ব বহন করে। কারণ বাংলাদেশের মানুষের জন্য মার্চ অত্যন্ত ঘটনাবহুল মাস। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের জন্যও মাসটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইস্পাতকঠিন হয়ে ভারত বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ায়। শক্তিশালী পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রারম্ভে অকূল সাগরে উজ্জ্বল দ্বীপের মতো ভারতের পার্লামেন্টে পাস হয় সেই ঐতিহাসিক প্রস্তাব। ওই প্রস্তাবে বলা হয়—''This house records its profound conviction that the historic upsurge of the 75 million people of East Bengal will triumph. The House wishes to assure them that their struggle and sacrifices will receive the wholehearted sympathy and support of the people of India. (সূত্র সারেন্ডার অ্যাট ঢাকা-জেনারেল জ্যাকব, পৃ. ২০৯)। তারপর ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সর্বাত্মক সহযোগিতায় আমরা পাকিস্তানকে সম্পূর্ণভাবে পরাজিত করতে সক্ষম হই। দক্ষিণ এশিয়ার নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়, যা উপমহাদেশের আন্তরাষ্ট্রীয় সম্পর্কের সব হিসাব-কিতাব পাল্টে দেয়, অভ্যুদয় ঘটে নতুন সমীকরণের, প্রতিষ্ঠিত হয় নতুন মাইলফলক। ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ ঢাকায় অবস্থানকারী ভারতীয় সেনাবাহিনীর সর্বশেষ দল আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে সালাম জানিয়ে ভারতে ফেরত যায়। ১৯৭২ সালের এই মার্চ মাসেই ভারতের মহীয়সী নেত্রী মিসেস ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশ সফরে আসেন। ওই সফরের সময় ১৯ মার্চ দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় ২৫ বছরমেয়াদি বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী ও শান্তি চুক্তি। বর্তমান এই সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক যখন আবার একাত্তর-বাহাত্তরের উচ্চতায় উঠে আকাশ ছোঁয়ার প্রত্যাশা জেগে উঠছে তখন পেছনে ফিরে সম্পর্কের শিকড়ের দিকে একটু তাকানো দরকার এই কারণে যে, তাতে বোঝা যাবে ৪৫ বছর পরও আজকের বাস্তবতায় দুই দেশের প্রারম্ভিক যাত্রা কতখানি প্রজ্ঞাময় ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ছিল। এতে সবার আত্মবিশ্বাস আরো বাড়বে, বুঝতে পারবে আমরা সঠিক পথেই আছি। একটি মুখবন্ধসহ মোট ১২টি অনুচ্ছেদ ছিল ওই চুক্তিতে। কিন্তু নিবন্ধের সংক্ষিপ্তকরণের স্বার্থে শুধু গুরুত্বপূর্ণ চারটি অনুচ্ছেদ এখানে তুলে ধরছি। অনুচ্ছেদ এক. চুক্তিকারী উভয় পক্ষ স্ব স্ব দেশের জনগণ যে আদর্শের জন্য একযোগে সংগ্রাম ও স্বার্থ ত্যাগ করেছে, সেই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে একে অপরের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবে এবং অপরের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ থেকে বিরত থাকবে। অনুচ্ছেদ ছয়. বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদী অববাহিকার উন্নয়ন ও জলবিদ্যুৎ, জ্বালানি ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নের ক্ষেত্রে যৌথ সমীক্ষা পরিচালনা ও যৌথ কার্যক্রম গ্রহণে চুক্তিকারী উভয় পক্ষ অভিন্ন মত পোষণ করে। অনুচ্ছেদ আট. দুই দেশের মধ্যকার বর্তমান গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অনুযায়ী চুক্তিকারী উভয় পক্ষ ঘোষণা করছে, তারা একে অপরের বিরুদ্ধে পরিচালিত কোনো সামরিক চুক্তিতে আবদ্ধ হবে না বা অংশ নেবে না। অন্যের ওপর আক্রমণ থেকেও নিবৃত্ত থাকবে এবং তাদের ভূখণ্ডে এমন কোনো কাজ করতে দেবে না যাতে চুক্তিকারী কোনো পক্ষের ক্ষতি হতে পারে বা তা কোনো পক্ষের নিরাপত্তার হুমকি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। অনুচ্ছেদ ৯. কোনো একপক্ষের বিরুদ্ধে তৃতীয় পক্ষ সশস্ত্র সংঘর্ষে লিপ্ত হলে চুক্তিকারী প্রত্যেকে এতদুল্লিখিত তৃতীয় পক্ষকে যেকোনো ধরনের সাহায্যদানে বিরত থাকবে। তা ছাড়া যেকোনো পক্ষ আক্রান্ত হলে অথবা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে সেই আশঙ্কা নিশ্চিহ্ন করার উদ্দেশ্যে যথাযথ সক্রিয় ব্যবস্থা নিতে উভয় পক্ষ সঙ্গে সঙ্গে আলোচনায় মিলিত হয়ে নিজেদের শান্তি ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করবে। পরিপূর্ণ চুক্তিটি এখন বাংলাদেশের অনেক বইপত্র ও লাইব্রেরিতে পাওয়া যায়। ইচ্ছা করলে যে কেউ সহজেই দেখতে পারেন। আলোচ্য ১৯৭২ সালের চুক্তির এক নম্বর অনুচ্ছেদই দুই দেশের সম্পর্কের মূল ভিত্তি। দুই দেশের রাষ্ট্রদর্শন ও ব্যবস্থার মিলের কারণেই সম্পর্কের শুরু। বিগত ৪৪ বছরের ঘটনাপ্রবাহ পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, দুই দেশের মধ্যে রাষ্ট্রীয় আদর্শগত মিল যখন থেকেছে, তখন সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটেছে এবং আদর্শগত মিল যখন ছিল না তখন সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। অভিন্ন নদীর পানি, বিদ্যুৎ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের মতো বড় সমস্যা সমাধানের জন্য এখন দল-মত-নির্বিশেষে সবাই যা বলছেন, তা কিন্তু ওই চুক্তির ছয় নম্বর অনুচ্ছেদেরই প্রতিধ্বনি। ওপরে উল্লিখিত অনুচ্ছেদ ৮ একটু মনোযোগ দিয়ে পড়লে বোঝা যায় ৪৪ বছর পরও আজকে দুই দেশের অভিন্ন নিরাপত্তার হুমকি মোকাবিলার জন্য কত বড় প্রজ্ঞা ও দূরদৃষ্টির পরিচয় তখন দেওয়া হয়েছে। উগ্রবাদী জঙ্গিগোষ্ঠীর আন্তসীমান্ত অপরাধ দমন ও এক দেশে অপরাধ করে যাতে অন্য দেশে আশ্রয় না পায় তার প্রতি উভয় দেশ অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছে। দুই বছর আগে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের খাগড়াগড়ে বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন জেএমবির আশ্রয় গ্রহণ, সেখানে বসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা ও বাংলাদেশের ভেতরে জঙ্গি তৎপরতা চালানোর প্রস্তুতির খবর ও তার পরের ঘটনাপ্রবাহ পর্যালোচনা করলে এই আট অনুচ্ছেদের অপরিহার্যতা বোঝা যায়। তা ছাড়া পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের পৃষ্ঠপোষকতা লাভকারী জঙ্গি সংগঠন লস্কর-এ-তৈয়বা, জইশ-এ-মোহাম্মদের জঙ্গিরা ২০০১-২০০৮ সময়ে ভারতে তৎপরতা চালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, যারা ২০০৯ সালে এসে বাংলাদেশে গ্রেপ্তার হয়েছে। পাকিস্তান এখনো ভারত ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জঙ্গি তৎপরতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, যার সাম্প্রতিক একাধিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদীরা বাংলাদেশের ভূখণ্ডে আশ্রয় পেলে সেটি উভয় দেশের জন্য কত বড় নিরাপত্তার হুমকি সৃষ্টি করতে পারে তার উদাহরণ ২০০১-২০০৬ মেয়াদে সবাই দেখেছেন, যখন বাংলাদেশে ক্ষমতায় ছিল জামায়াত-বিএনপি সরকার। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর নিরাপত্তা ভারতের জাতীয় ও ভূখণ্ডগত নিরাপত্তার অতি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তাই ভারত-বাংলাদেশের নিরাপত্তা আজ একই সূত্রে গাঁথা। আর উন্নয়ন ও নিরাপত্তা মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ মাত্র। সুতরাং ৪৪ বছর আগে স্বাক্ষরিত আলোচ্য চুক্তির অষ্টম অনুচ্ছেদ আজও উভয় দেশের নিরাপত্তার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। এখন সহজে প্রাপ্য বাহাত্তরের এই ঐতিহাসিক চুক্তির অনুচ্ছেদগুলো পড়লে যে কেউ বুঝবেন এর কোথাও এমন কোনো শর্ত ও বিষয় নেই যা একতরফাভাবে শুধু বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য ছিল। ১৯৭৫ সালের পর বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে শুধু ক্ষমতা ভোগ করার জন্য সংকীর্ণ ও সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ধর্মের নামে জনগণকে ভুল বুঝিয়ে যাঁরা এই চুক্তির ওপর কালিমা লেপন করেছেন তাঁদের এখনো শুভবুদ্ধির উদয় হয়নি। তাই জনগণকে ভূমিকা রাখতে হবে, উপলব্ধি করতে হবে কোনটি সঠিক, কোনটি সঠিক নয়। আজ বাংলাদেশের জন্য ভারতের সহযোগিতা যেমন প্রয়োজন তেমনি বাংলাদেশের সহযোগিতাও একইভাবে ভারতের জন্য প্রয়োজন। তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি ও সীমান্ত হত্যার মতো সংবেদনশীল দু-একটি বিষয়ে ভারতকে গভীর দৃষ্টি দিয়ে বুঝতে হবে, যাতে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী ধর্মীয় উসকানি ছড়ানোর সুযোগ না পায়। একবিংশ শতাব্দীর বাস্তবতা সামনে রেখেই গত ২৩ মার্চ বুধবার উভয় দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীদ্বয় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণকে জানিয়েছেন উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে ভারত-বাংলাদেশকে একসঙ্গে চলতে হবে।
লেখক : কলামিস্ট ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ১১:০২
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মেমোরি লুপ (Memory Loop)

লিখেছেন চারাগাছ, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:০৪




মেমোরি লুপ (Memory Loop)

​গভীর রাত। ল্যাবের নিস্তব্ধতা চিরে শুধু ভেসে আসছে মনিটরের নীলচে আলোর মৃদু কম্পন। টেবিলের ওপর ঝুঁকে বসে আছেন ডা. আরিয়ান। স্ক্রিনে ভাসছে তার বহু বছরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

'মেসি’ নামক মুগ্ধতা

লিখেছেন সালমান মাহফুজ, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৪২


লিওনেল, রোজারিও থেকে ঢাকা । বার্লিন থেকে নিউইয়র্ক । ২০০৬ থেকে ২০২৬ । উড়ন্ত কৈশোর থেকে পড়ন্ত যৌবন । ফুটবল পায়ে তোমার প্রতিটা পদক্ষেপের সাথে আমরা ছিলাম । আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

টাই চাই

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৩১

সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে: অদ্য হইতে কোনো সরকারি বা বেসরকারি কার্যালয়ে ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত স্থানে টাই ও বেল্ট পরিধান দণ্ডনীয় অপরাধ। কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে একবাক্যে: "কর্মক্ষেত্র ও যত্রতত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের জন্য ৭-গ্রেডভিত্তিক ন্যায়সংগত সরকারি বেতন ও প্রশাসনিক সংস্কার একটি প্রস্তাবিত নীতিপত্র

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২০


ন্যায়সংগত পারিশ্রমিক, বেতন বৈষম্য হ্রাস, মেধার মূল্যায়ন এবং দক্ষ রাষ্ট্রীয় প্রশাসন প্রতিষ্ঠার একটি সমন্বিত প্রস্তাব

বাংলাদেশের সরকারি বেতন কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে ২০টি গ্রেডের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়ে আসছে। ভেবেছিলাম দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুlie ২৪ আন্দোলন পরবর্তী বৈষম্যহীন বাংলায় (যেহেতু বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই), বেসরকারী ও সরকারী কর্মজীবীর জীবন...

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২১

/বাংলাদেশের মোট কর্মজীবীদের মধ্যে সরকারী আর বেসরকারী কত শতাংশ?

/গত ২ বছরে যত শিল্প কারখানা ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে এবং তাতে যত সংখ্যক বেসরকারী কর্মজীবী (কর্মকর্তা, কর্মচারী, শ্রমিক….) চাকরী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×