জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সংঘর্ষের সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকা খবর প্রকাশ করা হয়েছে। এসময় তারা নিরব চোখে সংঘর্ষ দেখছিল। এর চেয়ে আরো ভয়াবহ খবর হল এক শিক্ষকরূপী সন্ত্রাসীর কর্ম। বর্তমানে যে গ্রুপ হল দখল করেছে তার জন্য প্রত্যক্ষভাবে সাহায্য করেছে কাফী নামের কলংকিত এক শিক্ষক সন্ত্রাসী। পুলিশ যখন সংঘর্ষ থামানোর চেষ্টা করছিল তখন এই শিক্ষক প্রত্যক্ষভাবে বর্তমানে হল দখলকারী গ্রুপকে সাহায্য করার আহবান জানায়। পুলিশ সম্মত না হলে সে তাদের উপর চড়াও হয়। সে পুলিশকে বার বার টিয়ারশেল মারার আদেশ দেয়। কথিত অপর গ্রুপের সমর্থক বর্তমান প্রক্টর নাসির উদ্দিনকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে এই শিকক্ষ। তার মদদে প্রক্টরের বাসায় হামলা চালিয়ে ভাংচুর করা হয়। আজকের প্রথম আলোয় বিশেষ পাতায় মতিউর রহমান মন্তব্যে সরাষ্ট্রমন্ত্রীর যে বার বার ‘কঠোর ব্যাবস্থা’ নেওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন-তাতে তিনি হতাশা প্রকাশ করেছেন। বাস্তববে হতাশ হওয়ারই কথা । কারন আমাদের জানা উচিত কোন দলের একজন সরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকেনা । প্রত্যেক দলীয় সাংগাঠনিক এলাকায় ভিন্ন ভিন্ন সহকারী-সরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকে। যা আমরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কাফী নামের এমন একজনকে দেখেছি। তার আদেশ পুলিশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন। পুলিশের সামনে অগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে অপর গ্রুপের উপর হামলা করলেও তাদের গ্রেফতার করা তো দূরের কথা বরং ব্যাপকভাবে উস্কানি দিতে থাকে।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


