somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রেম এর মধ্যে রাসায়নিক পদার্থ

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ১:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেকের কাছে প্রেম মানেই কাব্যময় একটা কিছু। মানবের প্রতি মানবীর, নারীর প্রতি নরের এত তীব্র আকর্ষণের উৎস কোথায়? কেন একটু চোখাচোখি, হালকা হাতের ছোঁয়া, এমনকি নামটা উচ্চারণ করলেই রক্তিম হয়ে ওঠে মুখম-ল? ঘেমে ওঠে হাতের তালু, শুরু হয় শ্বাস-প্রশ্বাসের দ্রুত ওঠানামা। এসব লক্ষণ যে কেউ প্রেমে পড়লে সহজেই বিষয়টা ধরতে পারবে। সাধে কি আর লোকে বলে, প্রেমে পড়লে কেউ কখনো লুকাতে পারে না। তবে আসল কথা হলো, ভালোবাসাঘটিত সব কিছুর মহৃলেই রয়েছে ওই গুটিকয়েক জৈব রাসায়নিক পদার্থ। এত সাধের বল্পব্দন কেন কিছু দিন পরই হালকা হয়ে যায়? ফিকে হয়ে আসে? এসব রহস্য উদ্ঘাটন করতেই বিজ্ঞানীরা নেমেছেন আদাজল খেয়ে। তাদের মতে, এসব কিছুর জন্য দায়ী ডোপামিন, নরএপিনেকরিন, বিশেষ করে ফিনাইল-ইথাইল এসিড। যখন কাউকে ভালো লাগে বা আকর্ষণীয় মনে হয়, তখন নিজের ফিনাইল-ইথাইল এসিড কারখানায় সাইরেন বেজে ওঠে। এ জৈব রাসায়নিক পদার্থটির ত্রিক্রয়ায় আস্টেস্ন আস্টেস্ন আচ্ছল্পম্ন হয়ে পড়ে প্রেমপাগল মানুষটি। স্ট্বপেম্ন বিভোর হয়ে পড়ে। তখন একজন আরেকজনকে ছাড়া কিছুই বোঝে না। এর পরবর্তী পর্যায়ে মস্টিস্নষ্ফ্কে খুব বেশি পরিমাণ এনডরফিন নামে একটি পদার্থ ছড়িয়ে পড়ে, যা প্রেমিক-প্রেমিকাকে দেয় এক ধরনের নিরাপত্তা, প্রশানস্নি এবং আত্দ্মতৃপ্টিস্ন। এরপর অক্সিটোসিড নামে এক ধরনের উত্তেজনা সৃষদ্বিকারী জৈব রাসায়নিক পদার্থ মস্টিস্নষ্ফ্কের পিটুইটারি গ্রন্থি নিঃসরণ করে, যা ভালোবাসার প্রগাঢ় অনুভূতি-গুলোকে আরো উজ্জীবিত করে। পরসঙ্রকে কাছে এনে দেয়। মজার ব্যাপার হলো, ফিনাইল-ইথাইল এসিডের উত্তেজনা কিন্তু বেশি সময় থাকে না। তাই দেখা যায় প্রচ- আবেগের ভালোবাসা ক্ষণস্ট্থায়ী হয়। আসলে প্রেমের নির্মল আনন্দকে ধরে রাখার জন্য যতটা ফিনাইল-ইথাইল এসিডের দরকার হয়, কিছু দিন বাদে শরীরে সেটা ততখানি তৈরি হয় না। ফলে তিন বছরের মাথায়ই প্রেমের 'কেল্ক্নাফতে'। যেন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে জীবন। তখন স্ট্বপেম্নর মানুষটি যেন অ্যালার্জি। শৃগ্ধখলমুক্ত হতে চায় তখন মন। অনেকের ক্ষেত্রে ফিনাইল-ইথাইল এসিডের ত্রিক্রয়ার তীব্রতা এতই বেশি থাকে যে তারা ঘন ঘন প্রেমিক বা প্রেমিকা পরিবর্তন করে। আজ একজন তো কাল আরেকজন। কী আশ্চর্য তোমার ক্ষমতা হে ফিনাইল-ইথাইল এসিড! তারপরও অনেক প্রেম অনেক দিন টিকে থাকে। অনেকে একজনের জন্যই অনেক দিন অপেক্ষা করে। যেমন চ-ীদাসরা বাইশ বছর বড়শি হাতে বসে থাকে! এর কারণ কী? এনডরফিন নামে এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ প্রেম দীর্ঘায়িত করার করার জন্য মস্টিস্নষ্ফ্কে কাজ করে। জন্ম দেয় এক পরিণত প্রেমের, যাতে থাকে সহানুভূতি, সহমর্মিতা এবং শ্রদব্দাবোধ। সব কিছুর মহৃলেই সব রোগ সারাতে পারে একমাত্র ভালোবাসাই। কারণ, এ রসায়নের রসেই অননস্নকাল ধরে মানুষসহ অন্য প্রাণীরাও প্রেমে পড়ে। ফিনাইল-ইথাইল অ্যামাইল বা চঊঅ একটি প্রকৃতিক অ্যামম্ফিট্যামিন। তবে মজার ব্যাপার হলো এ কেমিক্যালটিকে খুব সহজেই চকলেটের সঙ্গে মেশানো যায়। এমনিতেই অল্কপ্প পরিমাণে চঊঅ চকলেটে থাকে। অনেকেই বলতে পারে_ ইস! এমন চকলেট কবে বাজারে আসবে। যদি ভালোবাসার মানুষ আমাকে ছেড়ে চলে যায় তাহলে আমি দৌড়ে দোকান থেকে একশ' চকলেট কিনে আনব আর পার্কের বেঞ্চে বসে মজা করে খাব। তবে দুঃখের বিষয় হলো, ভালোবাসা যে পায় না, আর ভালোবাসা যে কাউকে দিতে পারে না, সংসারে তার মতো দুর্ভাগা আর নেই। ---সংগৃহিত
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন চালাতে শহরে থাকা কিন্তু বেঁচে থাকা যেন বাড়িতেই

লিখেছেন Sujon Mahmud, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৯

ঈদের ছুটিটা কেমন যেন চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল। মনে হচ্ছিল, এই তো সেদিন বাড়ি গেলাম—মায়ের হাতের রান্না, বাবার গল্প, ছোট মেয়ের হাসি, আর স্ত্রীর সেই নীরব অভিমান… সবকিছু মিলিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×