সংবিধান থেকে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল ও ক্ষমতাসীনদের শেষ ৯০ দিনকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নাম দিয়ে তাদের অধীনেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিপক্ষে মত দিয়েছেন শতকরা প্রায় ৮৫ জন পাঠক। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত পাঠক জরিপে এ চিত্রই ফুটে উঠেছে।
গতকালের দৈনিক ইত্তেফাকের পাঠকদের উদ্দেশে প্রশ্ন ছিল—‘তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিলে দেশে ভয়াবহ সঙ্কট সৃষ্টি হবে বলে মনে করেন কি?’ এ প্রশ্নের জবাবে ‘হ্যাঁ’ বলেছেন শতকরা ৯১ জন এবং ‘না’ বলেছেন ৭ জন। মন্তব্য করেননি শতকরা ২ জন। গতকালের দৈনিক কালের কণ্ঠের পাঠক জরিপের প্রশ্ন ছিল—‘তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা প্রশ্নে গণভোটের মাধ্যমে জনমত যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি নেতা এম কে আনোয়ার।
আপনি কি একমত?’ এতে ভোটদাতাদের মধ্যে শতকরা ৮৫.৮৯ জন ‘হ্যাঁ’ বলেছেন। আর ‘না’ বলেছেন ১৪.১১ জন। গত ৩০ জুন দৈনিক প্রথম আলোর প্রশ্ন ছিল—‘অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের উদ্যোগ যৌক্তিক বলে মনে করেন কি?’ এ প্রশ্নের জবাবে শতকরা ৭৫.০৪ জন ‘না’ বলেছেন এবং ‘হ্যাঁ’ বলেছেন শতকরা ২৩.৯৫ জন। গত ২ জুলাইয়ের দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রশ্ন ছিল—‘সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের সব সম্ভাবনা তিরোহিত হলো—আপনার মত কি?’ বেগম খালেদা জিয়ার এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন শতকরা ৯৮.৬৪ জন এবং ‘না’ বলেছেন শতকরা ১.৩০ জন।
গতকালের দৈনিক যুগান্তরের পাঠকদের উদ্দেশে প্রশ্ন ছিল—‘সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান বলেছেন, পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক অবস্থা আরও জটিল আকার ধারণ করবে। আপনি তার এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত?’ এ প্রশ্নের জবাবে শতকরা ৮১.২৯ জন ‘হ্যাঁ’ বলেছেন এবং ‘না’ বলেছেন ১৮.৪১ জন। গতকালের দৈনিক সমকালের প্রশ্ন ছিল—‘কথায় কথায় হরতাল ডাকা কি সমর্থন করেন?’ এ প্রশ্নের জবাবে ‘হ্যাঁ’ বলেছেন শতকরা ৬১.০৮ জন এবং ‘না’ বলেছেন শতকরা ৩৫.৬৮ জন। গতকালের দৈনিক আমাদের সময়ের প্রশ্ন ছিল—‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থেকেই বিএনপি সংবিধান সংশোধনের সমালোচনা করছে—আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এ বক্তব্য আপনি সমর্থন করেন কি?’ এ প্রশ্নের উত্তরে শতকরা ১৪.৪৫ জন সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এ বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন এবং শতকরা ৮৪.৮৪ জন তার বক্তব্যকে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


