somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার দেশ সম্পাদককে বলছি

১৮ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ৮:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সকালে পারিবারিক একটি উটকো ঝামেলা মেটাকত ফরিদপুর গিয়েছিলাম। চিন্তা ছিলো বিকালের মধ্যে ঢাকায় ফিরে অফিসে যাবো। যাক সেটা হলো না, অফিসে গিয়েছি রাত পৌনে ৮টায়। যা হোক আসল কথায় আসি, কথাটা হলো ফরিদপুর যাত্রায় আমার রথ দেখার সাথে কলা বিক্রি হয়ে গেছে। জনাব সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের আ'লীগ বিরোধী মনোভাবের কারন স্বচোখে দেখার সৌভাগ্য হলো। বেলা ১১টার দিকে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের সামনে দাড়ানো। হঠাৎ করে সেখানে দাঙা পুলিশ ও কিছু যুবকের উপস্থিতি। চারদিকে সতর্ক চাহনি। বুঝতে পারলাম কিছু একটা হতে চলেছে। প্রথম ভেবেছিলাম যুব কিংবা ছাত্রলীগের কোন পাতি নেতা জামিনে বেড়িয়ে এসেছে। কিন্তু কিছু পরেই আসল রহস্যের সন্ধান পেলাম। ছাত্র কিংবা যুবলীগ না তারা ছাত্র ও যুবদল। মাহমুদুর রহমনের জন্য অপেক্ষা করছেন। তিনি আসলে তাকে সহ জেলা প্রশাসকের কাছে বিএনপি আহুত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে স্মারকলিপি দেয়া হবে। নির্ধারিত সময়েই আসলেন জনাব মাহমুদুর রহমান। চারদিকে মুর্হু মুর্হ শ্লোগান। মাহমুদ ভাই জিন্দাবাদ। প্রথমে বুঝতে পারিনি। এই মাহমুদ ভাইটা কে? কিন্তু সামনে আসতেই সব পরিস্কার। এটা তো কারাভোগকারি আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।[sb] বাহ, একজন সাহসি সম্পাদক কিভাবে একটা দলের কর্মী বনে গেলেন। । বুঝতে পারলাম তার লম্ফ ঝম্ফ'র কারনটা। তবে এতে আমার কিছু না, যখন দেখলাম সম্পাদকের পেছন পেছনে ওই পত্রিকাটির বার্তা বিভাগের প্রধান আবদাল ভাই ও এসেছেন। তখন কিছুটা আহত হলাম। ছি: এটাই কি সাংবাদিকতা। পরের বিষয়খানা বলছি, বিকালে যখন ফিরছি, তখন আবার সৈন্য সমেত মাহমুদুর রহমান। এবার মানিকগঞ্জ'র রাজপথে। মনে হয়েছে ‌‌রাস্তাটি যেন মাহমুদুর রহমানের বাব-দাদাদের কেউ একজন বানিয়ে রেখেছেন। গোটা রাস্তা সৈন্যদের মটর বাইক। যা মিট মিট করে চলছে। আমি পিছনেই একটা বাসে, কিন্তু বাসটি যেতে পারছে না। কারন সামনে নেতার গাড়ি। জনাব মাহমুদুর রহমান অন্যকে কষ্ট দিয়ে বড় নেতা হওয়া যায় না।
১৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভিনব প্রতারনা - ডিজিটাল প্রতারক

লিখেছেন শোভন শামস, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১৮



একটি সাম্প্রতিক সত্য ঘটনা।
মোবাইল ফোনে কল আসল, একটা গোয়েন্দা সংস্থার ছবি এবং পদবী সহ। এই নাম্বার সেভ করা না, আননোন নাম্বার। ফোন ধরলাম। বলল আপনার এই নাম্বার ব্যবহার করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগে নিজেকে বদলে দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪১



"আমার স্বামী সংসারের কুটোটাও নাড়ান না। যেখানকার জিনিস সেখানে রাখেন না। মুজা খুলে ছুঁড়ে যেখানে সেখানে ফেলে দেন। নিজেকে পরিষ্কার রাখতে বারবার ভুল করেন! এতো বছর বিবাহিত জীবন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×