somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ডায়েটিং করলে ওজন বাড়ে!!!

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ১:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ডায়েটিং করলে ওজন বাড়ে!

মুটিয়ে যাচ্ছেন অথবা শরীরে মেদ জমছে। এমন অবস্থায় যারা ডায়েটিং করে িম থাকতে চান তাদের জন্য যুক্তরাজ্যের একদল গবেষক রীতিমত আঁতকে উঠার মত তথ্য দিয়েছেন। আর তা হচ্ছে ডায়েটিং করলে অনেক ৰেত্রে শরীরের ওজন না কমে বরং বেড়ে যাচ্ছে বা শরীরে চর্বি জমছে। বৃটিশ ডায়াবেটিক এসোসিয়েশন কতর্ৃক পরিচালিত জরীপে এ ফলাফল পাওয়া যায়। 4000 লোকের ওপর পরিচালিত জরীপে দেখা যায় অপরিকল্পিত ডায়েটিং-এর পর দু'তৃতীয়াংশের ওজন বেড়েছে। এৰেত্রে মহিলাদের হার 40 শতাংশ এবং পুরম্নষদের ওজন বৃদ্ধি ঘটেছে 20 ভাগের। জরীপের আওতায় 100 ভাগ পুরম্নষ-মহিলাই বলেছেন ডায়েটিং করলে তাদের শরীরের ওজন যেভাবে ওঠানামা করে তা স্বাস্থ্যের জন্য ৰতিকর। বৃটিশ ডায়াবেটিক এসোসিয়েশনের ডায়েটিশিয়ান মিস্ আমান্দা ওয়েনের মতে যুক্তিহীনভাবে খাদ্য গ্রহণ অথবা বর্জন করে যারা ডায়েটিং করছেন তাদেরই এ পরিণতি হচ্ছে। এতে সাময়িক হয়তবা 2/1 জনের ওজন কমছে ঠিকই তবে পরৰণেই সে ওজন আবার বেড়ে যাচ্ছে। পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে ঃ

ডায়েটিং এর পর যেভাবে ওয়েট বাড়ছে

36% আগের ওজনে ফিরেছেন
14% জনের 1-2 পাউন্ড বেড়েছে
10% জনের 2-4 পাউন্ড বেড়েছে
8% জনের 4-6 পাউন্ড বেড়েছে
10% জনের আধা স্টোন (3.2 কেজি) বেড়েছে
9% জনের এক স্টোন (6.35 কেজি) বেড়েছে
4% জনের দেড় স্টোন (সাড়ে 9 কেজি) বেড়েছে

মিস্ ওয়েনের উপদেশ হচ্ছে হঠাৎ করে বড় ধরনের ডায়েটিং অর্থাৎ প্রায় সব খাবার বন্ধ করে না দিয়ে অল্প অল্প পরিমাণ ডায়েটিং যা শরীরে সহনীয় এবং স্থায়ী হয় তেমনটি করা উচিৎ। মিস্ ওয়েনের উপদেশ ছোট আকৃতির কম চর্বিযুক্ত খাবার, সাথে কিছু সবজি ও ফল-মূল এবং নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণের একটি স্থায়ী উপায় হতে পারে। খেয়াল খুশীমত ডায়েটিং-এ কেন ওজন বাড়ে তারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন মিস্ ওয়েন। আকস্মিক বড় আকারের খাদ্য তালিকার পরিবর্তনে শরীরের বিপাক প্রক্রিয়ায় (ুর্ণটঠমফধড রর্টণ) তারতম্য ঘটে, যার ফলে ওজন কমানোর উদ্দেশ্যে খাদ্য কর্মসূচী শিথিল করলে বা ছেড়ে দিলে দ্রম্নত ওজন বেড়ে যায়। আর সবচেয়ে খারাপ দিক হচ্ছে অনেকদিন অপরিকল্পিত ডায়েটিং করে যেটুকু ওজন কমলো তার চেয়ে পুনরায় বেশী ওজন ফিরে পেয়ে তরম্নণীরাই বেশী মর্মাহত হয়ে পড়ে। আমেরিকান ডায়েটিক এসোসিয়েশনের জার্নালে উলেস্নখ করা হয়েছে নয় বছর বয়স থেকে ডায়েটিং শুরম্ন করেও ডায়েটিং করা তরম্নণীরা অধিক ওজনের অধিকারী হয়েছে। পেনসেলভিনিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির বিশেষজ্ঞ জেনিফার শান্ক ও লিন বার্স 153 জন তরম্নণীর ওপর জরীপ চালিয়ে দেখেছেন শরীরের ওজন কমানোর জন্য তারা স্বল্প আহার শুরম্ন করলেও পরে তারা ভূড়ি ভোজে অভ্যসত্দ হয়ে পড়ে। একইভাবে স্বাভাবিক খাবার কমিয়ে দিয়ে কোমল পানীয় ও ফাস্টফুডে আসক্ত হলেও কোন লাভ হয় না।

পুরনো প্রবাদ 'স্থূলতার জন্য জিন দায়ী' আংশিকভাবে হলেও সত্যি হতে পারে। জার্মানির মারবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদল দেখতে পেয়েছেন, শরীরে অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধির জন্য প্রধানত এমসি4আর জিনের মিউটেশনই দায়ী। গবেষকগণ অতিরিক্ত স্থূল 25 জন রোগীর (যাদের জিনের মিউটেশন ঘটেছে)শারীরিক ওজন ও ডিএনএ-র মধ্যে 181 টি সম্পর্ক নিয়ে পরীৰা নিরীৰা চালান। এই 25 জনের ভেতর যারা তুলনামূলক বেশি স্থূল তাদের দুই থেকে তিন শতাংশের ভেতর 34টি পর্যনত্দ এমসি4আর জিনের মিউটেশন লৰ্য করা গেছে। দেখা গেছে যাদের বিএমআই [শারীরিক ওজনকে (কিঃ গ্রাঃ) উচ্চতার (মিটার) বর্গ দিয়ে ভাগ] বেশি তাদের ভিতর এই মিউটেশনের বৈশিষ্টপূর্ণ মাত্রাও বেশি। আর এই প্রভাব পুরম্নষদের তুলনায় মহিলাদের দ্বিগুণ প্রবল। গবেষকগণ জানিয়েছেন স্থূলতা বৃদ্ধির জন্য জিনের মিউটেশনের জোর প্রবণতা রয়েছে। যদিও স্থুলতার জন্য জিনগত ও পরিবেশগত ফ্যাক্টররের ভূমিকা রয়েছে, তবুও এমসি4আর এর মিউটেশনই সর্বাধিক দায়ী বলে তারা মনে করছেন।

রেফ: অন্য পত্রিকা, ইন্টারনেট
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গুপ্তদের সকল অপকর্মের তদন্ত হোক....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:৪৮


সময় যত যাচ্ছে, ততই বেরিয়ে আসছে অস্বস্তিকর সত্য!
সময় গড়িয়ে যাচ্ছে- আর অতীতের অনেক ঘটনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ, সাক্ষ্য ও তথ্য সামনে আসছে-
যেখানে দেখা যাচ্ছে, আওয়ামী... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবির বিরুদ্ধে কবি

লিখেছেন অতন্দ্র সাখাওয়াত, ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:১০

হে মৃত্যুহীন কবি,
কোন এক কোমল রাতে
তোমার সাথে পায়ে পায়ে
চলতে চাই হাজার বছর।
তারপর তুমি
মিলিয়ে যাবে তারার মাঝে —
তখন আমি লিখবো
তোমার না-লেখা পঙ্ক্তিমালা
কোন এক পূর্ণিমাতে।

হয়তো প্রথম পঙ্ক্তি হবে —
"সে তোমাকে ভালোবাসতো।"
তারপর সমুদ্রের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষকের মর্যাদা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:২৩


কবিতাটার কথা কি মনে আছে? বাদশাহ আলমগীর একদা প্রভাতে গিয়ে দেখলেন, শাহজাদা এক পাত্র হাতে নিয়ে শিক্ষকের চরণে পানি ঢালছে, আর শিক্ষক নিজ হাতে নিজের পায়ের ধূলি মুছে সাফ... ...বাকিটুকু পড়ুন

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প শেখ হাসিনার অবদান।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:০৯

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প শেখ হাসিনার অবদান।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে গত এক দশকে ব্যাপক উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এর মধ্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অদৃশ্য ছায়া: সমুদ্রের সাক্ষী

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬



ঢাকার বনানীর সেই ক্যাফেতে বৃষ্টির শব্দ এখন আরও তীব্র। আরিয়ান তার কফির মগে আঙুল বোলাচ্ছিল, তার চোখ দুটো ক্লান্ত কিন্তু তীক্ষ্ণ। সাঈদের দিকে তাকিয়ে সে নিচু গলায় বলতে শুরু করল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×