সম্প্রতি হাবল টেলিস্কোপের মাধ্যমে চাঁদ পর্যবেক্ষণ করে বিজ্ঞানীরা যে তথ্য জানিয়েছেন তা যতোটুকু না বিস্ময়কর তারচে বেশি আশাব্যঞ্জক। হাবলের সাহায্যে বিজ্ঞানীরা চাঁদে যে পরিমাণ খনিজ উপাদান শনাক্ত করতে পেরেছেন সেগুলোকে খুব সহজেই বিশুদ্ধ বাতাস তথা অক্সিজেনে রূপান-রিত করা সম্ভব।
এটি যদি সম্ভব হয়, তাহলে নিঃসন্দেহে চাঁদ হতে যাচ্ছে আমাদের দ্বিতীয় আবাস। 2018 সালে নাসা চাঁদে নভোচারী পাঠাতে যাচ্ছে। তাদের প্রধান কাজই হবে চাঁদে একটি বাসের উপযোগী স্টেশন স্থাপন করা। আর সেখানকার বাতাসে বিশুদ্ধ অক্সিজেন ছড়িয়ে দিতে পারলে নভোচারীরা অনায়াসে চাঁদের মাটিতে চমৎকার কিছু বিকেল কাটাতে পারবেন।
অক্সিজেন শুধু গ্যাসীয় আকারেই থাকবে, তা কিন্তু নয়। চাঁদের পাথুরে পর্বতমালাতেও বিপুল পরিমাণ অক্সিজেন থাকতে পারে বলে গবেষকরা ধারণা করছেন। বড় ধরনের বিস্ফোরণের মাধ্যমে সেই পাথরবেষ্টিত পাহাড়গুলো থেকেও একটি বায়ুমণ্ডল সৃষ্টি করা সম্ভব।
চাঁদের যে খনিজটিকে বিজ্ঞানীরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তা হলো টাইটানিয়াম অক্সাইড। যা থেকে বিশুদ্ধ অক্সিজেন তৈরি করা সম্ভব। তবে অন্যান্য খনিজের গঠনতন্ত্র খুঁটিয়ে দেখার মতো প্রখর দৃষ্টিশক্তি হাবলের নেই। তবে অচিরেই আরো শক্তিশালী টেলিস্কোপের সাহায্যে মহাকাশবিদরা চাঁদে বায়ুমণ্ডল তৈরির সম্ভাব্য উপায়গুলো নিয়ে গবেষণা চালাবেন।
সূত্র: নাসা অনলাইন, ইন্টারনেট।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




