ফুরিয়ে যাচ্ছে ফ্রি ই-মেল প্রেরণের দিন। ইতিমধ্যেই আমেরিকা অন লাইন এবং ইয়াহু পরস্পরের সাথে যোগাযোগ করেছে প্রাথমিকভাবে বড় বড় কোম্পানির ই-মেল বিতরণের জন্য বার্ষিক একটি ফি নির্ধারণের ব্যাপারে। এছাড়া সন্দেহজনক ই-মেলকে বাছাইয়ের মাধ্যমে তা প্রাপকের কাছে বিতরণের একটি ব্যাপারেও তারা চিনত্দা-ভাবনা করছে বলে 5 ফেব্রম্নয়ারি নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত একটি রিপোর্টে উলেস্নখ করা হয়েছে। খবরে উলেস্নখ করা হয়েছে, বছরে যারা অনত্দত আড়াই বিলিয়ন ম্যাসেজ প্রাপকের উদ্দেশ্যে বিতরণ করে তাদেরকে প্রতিটি ম্যাসেজের জন্য গড়ে এক পেনীর এক চতুর্থাংশ পর্যনত্দ ফি দিতে আগ্রহী হবে না, তাদের ম্যাসেজ বিতরণেও তারা কোন কার্পণ্য করবে না বলে রিপোর্টে উলেস্নখ করা হয়েছে। তবে যারা ফি দেবে তাদের ম্যাসেজ বিতরণে বিশেষ যত্ন নেয়া হবে। আমেরিকা অন লাইন এবং ইয়াহুর কর্মকর্তারা মনে করছেন যে, এই ব্যবস্থার ফলে গ্রাহকের ব্যক্তিগত গোনীয় তথ্য চুরির বিষয়টি অনেকটা রোধ করা সম্ভব হবে এবং অহেতুক আজে-বাজে ই-মেল প্রাপ্তির বিড়ম্বনা থেকেও তারা অব্যাহতি পাবেন। আমেরিকা অন লাইনের মুখপাত্র নিকলাস গ্রাহাম এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ডাক বিভাগের স্ট্যাম্প বিক্রির বিষয়টিকেও এভাবেই চালু করা হয়েছে। ই-মেল সম্পর্কে প্রাপক যাতে কোন ধরনের দ্বিধাদ্বন্দ্বে না পড়েন অর্থাৎ সার্টিফাইড মেলের মত সেটিকে সাদরে গ্রহণ করবেন প্রাপকে-এমন একটি পন্থা তারা অবলম্বন করতে চান ফি প্রথা চালুর মাধ্যমে।
-নিউইয়র্ক টাইমস
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




