![]()
রাত্রের রঞ্জিত পদচারনায় মাঝে মাঝে আমার লোমগুলো খাঁড়া হয়ে ওঠে
দু’চোখ ঠিকরে বিদগ্ধ লাভা যেন দক্ষিণা বাতাসের মতো
ছড়িয়ে পড়ে চারিদিকে; বিমর্ষ প্রতিধ্বনির ভাষা
তার কাছে কখনো অবাধ্য হয়ে
নিঃসাড় জলহীন জলজের মতো খেতাব পায়, ‘অসভ্য’।
তখন অজস্র ষোড়শী আষ্টাদশীর ছন্দ তোলে, বিমূঢ় অসভ্যতায় তাকে
দলিত করার জন্য ছুটে চলি এবং কালো চাদরের নিচে আমার
খাঁড়া লোম-বাতাসে প্রতিধ্বনির কোলাহল তাকে ক্রমেই করে শানিত-
আর বিভৎস উত্তপ্ত স্পর্শে ষোড়শী হতবাক।
শব্দহীন জলজ আমার দু’গন্ডের ওপর হেটে চলে
বাহান্নশ বছর আগে আমাদের পূর্বপুরুষ এইসব জলজের ভাষা শিখেছিল
তার দু’হাত বিশাল বিশাল লোমে ভরপুর-
তবু ভেবেছিল জল, মাটি, এবং সভ্যতার ঘ্রাণ আমাকে মানুষ করতে পারবে-
অন্ধকারের সীমাব্ধতায় আমার ছোট লোমগুলো খাঁড়া হয়ে উঠবেনা
কখনো- আমি হেটে যাবো বহু শব্দহীন স্রোতে
ভেসে ভেসে সব ছাইরঙা বাতাসের দেশে।
কিন্তু আমাদের অন্ধকারের ঘ্রাণ
আমাদের সব ষোড়শীর গায়ে অষ্টাদশীর প্রলেপ লাগিয়ে দিয়েছে- এবং
আমাদের সব ঘুমন্ত বিবেক আমাদের বারবারই বলেছে, ‘অসভ্য’।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ২:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



