![]()
‘মনে করে দ্যাখ সেই দিনগুলোর কথা’ – বলতেই
ফুফিয়ে কেঁদে উঠলো অর্নবা, ‘ক্ষমা করো মোরে,
রচেছিনু ঢের জাল, পারিবোনা আর- সে নদী শুকিয়ে
গেছে ঢের আগে, বহু বাতাসের আনাগোনা ঘটে গেছে
এরই মাঝে’ – বুঝিলাম কিছুই মনে পড়েনি তার।
অশ্বত্থের ডালে ছিল বহু নীল শাখ-, সেই শাখে
কিছু চিল- বহু চিল; এই আমাদের অশাখের ক্ষণে
রঙ খসা পালকের গন্ধ, সোদা বৃষ্টির স্পর্শে
উঠেছিল গেয়ে কোন চাঁদ রাতে- শুনেছিলাম দু’জনে
কান পেতে কিছু গান- তার গান-!
‘সেই গান রয়ে গেছে-? অর্নবা নেড়ে চেড়ে দ্যাখ-’
বলিলাম আবার-
‘হিজলের ডালে দুটি ফুল- এই ফুলে গেঁথে মালা-
পেয়েছি দক্ষিনা কিছু- বরং সুখেই তো আছি। ঢের-
পথ পিছে গিয়ে সেই সব বাতাসের লুটিপুটি- কি আর হবে?
থাক ওরা আকাশের ডানায়- মেঘের কাজল চোখে-’ বুঝিলাম
খুঁজে পায়নি সে কিছু।
তার এই ছল ছল চোখ নয়- আমাদের সেই গানে
ছিল নাকো কোন হিজলের ফুল- তাই
তার স্বাদ ছিল কিছু-; এই স্বাদ তার নয়- সেখানে
স্বাদের স্পর্শে উপহার আসে- নড়েচড়ে কথা কয়!!
বহুগান গেয়ে যাবে অনেকেই- এই গান তবু-
রয়ে যাবে অগোচরে- পৃথিবীর এইসব অর্নবা
ঘাম আর ঘুমের গন্ধ ভুলতে পারবে না শুধু।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই আগস্ট, ২০১৪ সকাল ১১:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



