গ্রামসি'র হেজেমনি পড়ার পর থেকেই হেজেমনি মুক্ত একটা বাংলা ও একটা ইংরেজি দৈনিক পত্রিকার অভাববোধ করছিলাম অনেকদিন থেকে। আমার সাথে গোটা দেশের মানুষের দূর্ভাগ্য আজ পর্যন্ত সেরকম কোন ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সাড়া পাওয়া যায়নি। সবাই সবার মতাদর্শ প্রচারে সদা তৎপর, সেটা মিথ্যা দিয়েই হো আর সত্য-মিথ্যার মিশেল দিয়েই হোক কিংবা চটকদার-মজাদার-রসালো বাক্য দিয়ে অথবা সর্বোচ্চ কাটতির তকমা দিয়েই হোকনা কেন, কেউ দৌড়ে পিছিয়ে পড়তে চায়না।
আমার কাছে প্রথম প্রথম মনে হত গণমাধ্যমগুলোর পক্ষে কি সত্যিই আদ্য-প্রান্তে সবাইকে হেজেমনির শিকার বানানো সম্ভব? উত্তরটা পাঠকরা কম-বেশি ভালোই জানেন। নির্বাচনে-সরকার পরিচালনা থেকে শুরু করে আন্তদেশীয়/বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পণ্যের বাজারজাত করনে সহায়তা করা পর্যন্ত কোন ক্ষেত্র নেই যেখানে হেজেমনি তৈরি করার চেষ্টা করা হয়না। আর শিকার! ৯৯.৯৯ শতাংশের কম বলে মনে হয়না।
আমাদের ভাবনা-চিন্তা শক্তি লোপ পেতে পেতে কতটুকু বাকি তা হিসেব করবার সময় আরো আগেই শেষ হয়েছে। প্রতিনিয়তই আমরা লোহার শক্ত খাঁচায় আটকে যাচ্ছি..... এ থেকে কি নিস্তার নেই?
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


