প্রতিদিনের খাবার হিসাবে আমরা কি খাচ্ছি???
বেঁচে খাকার জন্য খাদ্য না মরার জন্য বিষ। খাদ্যে ভেজাল দেয়া বা বিষ মেশানো এখন মামুলি ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন সারা বাংলাদেশে চলছে মৌসুমি ফলের উৎসব। কত সুন্দর সুন্দর ফল সাজিয়ে রেখেছে দোকানী। দেখলেই লোভ হয়, খেতে ইচ্ছা করে। “লোভে পাপ আর পাপে মৃত্যু” - কথাটি এখান থেকে এসেছে? আমরা জানি ফল পাকাতে বা পঁচন রোধে কি ব্যবহার করা হয়েছে। তারপরও আমরা ফল কিনছি জেনে শুনেই। বাঙ্গালী হয়ে জন্মেছি আর ফরমালিন মেশানো ফল খাব না, তাতো হতে পারে না।
বাংলাদেশে এখন কৃষিতে অনেক এগিয়েছে। উৎপাদন হচ্ছে প্রচুর খাদ্য শষ্য। আজ আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এজন্য বাংলার কৃষিবিদদের অবদান অনেক। কিন্তু এই খাদ্য কি খাবার যোগ্য??
ফল পাকাতে মেশানো হচ্ছে বিষ, পঁচন রোধে মেশানো হচ্ছে ফরমালিন। বাংলার কৃষিবিদ আপনাকে বলছি- আপনারা কি পারেনা ফরমালিনের বিকল্প কিছু আবিষ্কার করতে? যা হবে পরিবেশ বান্ধব। আপনারা সরকারী খামারের ফল-মূল , শাক-সবজি খাচ্ছে আর বসে বসে তামাশা দেখছেন। মাঝরাতের টক শোতে কত মধুর মধুর কথা বলছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছু করছে না। ফল পঁচন রোধে ফরমালিনের বিকল্প কিছু যদি আপনার বের করতে পারতেন, যা হবে সস্তা এবং স্বস্থ্যকর তাহলে ফরমালিনের ব্যবহার কমে যেত আর বাংলার মানুষের অনেক উপকার হত।
আর একটা কথা বুঝিনা ব্যবসায়িরা ফরমালিন পায় কোথায়??? তারা কি বাসায় ফরমালিনের খামার করেছে? সরকারি ভাবে ফরমালিন সহজলভ্য না করলেই তো হয়। মোবাইল কোট বসিয়ে ফরমালিন মেশানো ফল নষ্ট করে লাভ নেই বরং ব্যবসায়িরা কোথা থেকে ফরমালিন পায় তা খুজে বের করলে জনগনের লাভ হতো।
এই লেখাটা নিজের ভিউ থেকে লেখা কোন ত্রুটি হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


