৫২, ৭১ এরা আমাদের পথ দেখাবে
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
আজ জাতি হিসেবে নিজেদের বড্ড অসহায় মনে হচ্ছে। আমরা কি সেই জাতি যারা ১৯৫২ তে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে নিজেদের ভাষাকে বাচিয়ে রেখেছিলাম, যারা ১৯৭১ এ বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ও সুসংগঠিত সেনাবাহিনীকে পরাস্ত করে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিলাম, এরপর ১৯৯০ এ গণতান্ত্রিক আন্দোলন… কোন কিছুই আমাদের পরাস্ত করতে পারেনি।
আমরা তো সেই জাতি যারা বিদ্যুতের জন্য কানসাটে, নিজেদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য ফুলবাড়িতে, সারের জন্য গাইবান্ধায় প্রশাসনের আগ্নেয় অস্ত্রের মুখে বুক পেতে দিয়ে জীবন দিয়েছিলাম। আজও ভুলি নাই পাদুয়া কিংবা বড়াইবাড়ীর কথা, যেখানে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীকে পরাস্ত করে প্রিয় জন্মভুমির অস্তিত্ব রক্ষা করেছিলাম। এসব কি এখন শুধুই ইতিহাস?
আজ আমার জন্মভুমির বুক চিড়ে রাস্তা তৈরী করা হচ্ছে, সীমান্তে বাধ দিয়ে আমার দেশের নদীনালা গুলোকে শুকিয়ে মরুভুমি করে দেয়া হচ্ছে । কাটাতারের বেড়া দিয়ে গোটা বাংলাদেশকে একটা কারাগারে পরিনত করা হচ্ছে। অসম চুক্তি করে ইতিমধ্যে পঙ্গু করে দেয়া হয়েছে আমার দেশের অর্থনীতিকে।
সংস্কৃতি বিনিময়ের নামে একচেটিয়া ভাবে চলছে ভিন দেশী টিভি চ্যানেলগুলো, ভঙ্গুর চলচিত্র শিল্পকে একদমই পঙ্গু করে দেয়া হয়েছে একটি বিশেষ দেশীয় চলচিত্র আমাদের সিনেমা হলগুলোতে প্রদর্শনের মাধ্যমে। একটি বিশেষ দেশীয় সাংস্কৃতিক কর্মীদেরকে এদেশে আমন্ত্রন জানিয়ে বারংবার অপমান করা হচ্ছে আমাদের দেশের সম্মানিত শিল্পীদের।
ট্রানজিট দেবার নাম করে অতি সম্প্রতি তিতাস নদীর বুক চিরে দেয়া হয়েছে, সেখান তৈরী হয়েছে প্রশস্ত রাস্তা। একদিকে ফারাক্কা আমাদের উত্তরাঞ্চলকে ইতিমধ্যে মরুভুমিতে পরিনত করেছে, পাশাপাশি টিপাইমুখ বাধ তৈরীর নতুন ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে যা আমাদের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে মরুভুমিতে পরিনত করবে অন্যদিকে মরুভুমি প্রায় নদীগুলোর বুক চিরে রাস্তা তৈরী…এগুলো কিসের আলামত? তবে কি আমাদের স্বাধীনতা আজ হমকির সম্মুখীণ নয়? কে আমাদের রক্ষা করবে? কার আশায় বসে আছি আমরা? কে দেবে আমাদের ডাক? কে দেবে নেতৃত্ব? আসুন আজ আমরা আমাদের মহান ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেই। যার যা কিছু আছে মহান আল্লাহর উপর ভরসা করে বেড়িয়ে পড়ি। ৫২, ৭১ এরা আমাদের পথ দেখাবে। আজ জাতি হিসেবে নিজেদের বড্ড অসহায় মনে হচ্ছে। আমরা কি সেই জাতি যারা ১৯৫২ তে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে নিজেদের ভাষাকে বাচিয়ে রেখেছিলাম, যারা ১৯৭১ এ বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ও সুসংগঠিত সেনাবাহিনীকে পরাস্ত করে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিলাম, এরপর ১৯৯০ এ গণতান্ত্রিক আন্দোলন… কোন কিছুই আমাদের পরাস্ত করতে পারেনি।
আমরা তো সেই জাতি যারা বিদ্যুতের জন্য কানসাটে, নিজেদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য ফুলবাড়িতে, সারের জন্য গাইবান্ধায় প্রশাসনের আগ্নেয় অস্ত্রের মুখে বুক পেতে দিয়ে জীবন দিয়েছিলাম। আজও ভুলি নাই পাদুয়া কিংবা বড়াইবাড়ীর কথা, যেখানে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীকে পরাস্ত করে প্রিয় জন্মভুমির অস্তিত্ব রক্ষা করেছিলাম। এসব কি এখন শুধুই ইতিহাস?
আজ আমার জন্মভুমির বুক চিড়ে রাস্তা তৈরী করা হচ্ছে, সীমান্তে বাধ দিয়ে আমার দেশের নদীনালা গুলোকে শুকিয়ে মরুভুমি করে দেয়া হচ্ছে । কাটাতারের বেড়া দিয়ে গোটা বাংলাদেশকে একটা কারাগারে পরিনত করা হচ্ছে। অসম চুক্তি করে ইতিমধ্যে পঙ্গু করে দেয়া হয়েছে আমার দেশের অর্থনীতিকে।
সংস্কৃতি বিনিময়ের নামে একচেটিয়া ভাবে চলছে ভিন দেশী টিভি চ্যানেলগুলো, ভঙ্গুর চলচিত্র শিল্পকে একদমই পঙ্গু করে দেয়া হয়েছে একটি বিশেষ দেশীয় চলচিত্র আমাদের সিনেমা হলগুলোতে প্রদর্শনের মাধ্যমে। একটি বিশেষ দেশীয় সাংস্কৃতিক কর্মীদেরকে এদেশে আমন্ত্রন জানিয়ে বারংবার অপমান করা হচ্ছে আমাদের দেশের সম্মানিত শিল্পীদের।
ট্রানজিট দেবার নাম করে অতি সম্প্রতি তিতাস নদীর বুক চিরে দেয়া হয়েছে, সেখান তৈরী হয়েছে প্রশস্ত রাস্তা। একদিকে ফারাক্কা আমাদের উত্তরাঞ্চলকে ইতিমধ্যে মরুভুমিতে পরিনত করেছে, পাশাপাশি টিপাইমুখ বাধ তৈরীর নতুন ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে যা আমাদের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে মরুভুমিতে পরিনত করবে অন্যদিকে মরুভুমি প্রায় নদীগুলোর বুক চিরে রাস্তা তৈরী…এগুলো কিসের আলামত? তবে কি আমাদের স্বাধীনতা আজ হমকির সম্মুখীণ নয়? কে আমাদের রক্ষা করবে? কার আশায় বসে আছি আমরা? কে দেবে আমাদের ডাক? কে দেবে নেতৃত্ব? আসুন আজ আমরা আমাদের মহান ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেই। যার যা কিছু আছে মহান আল্লাহর উপর ভরসা করে বেড়িয়ে পড়ি। ৫২, ৭১ এরা আমাদের পথ দেখাবে।
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!
প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন
মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন
ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!
ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!
সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন
এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে
একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।
গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।