somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মন্তব্য যখন লিখা আকারে প্রকাশ হয় তখন বিষয়টি কে কিভাবে নেয়!

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

লিখাটিকে খুব বেশী বড় করলাম না। বিরক্ত হলে আমার দোষ না।
যদি আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতি দল প্রধান দল দুইটির (প্রধান দুইটার চামচামি না থাকলে অন্যগুলি লেজুর গুটিয়ে পালাত) জন্য না হয়ে দেশের জন্য হত তাহলে নিশ্চিত আজ এই মহিলা দুইজন এদেশে পরিবার তন্ত্র প্রতিষ্টা করতে পারতনা। কারন গত (স্বাধীনতা পুর্ব ও স্বাধীনতা পরবর্তী ৯২ পর্যন্ত ) সবগুলি সফল আন্দলোনেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তথা সারা দেশের ছাত্রদের অবদান ছিল সবেচেয়ে বেশী । কিন্তু এখন দেখা যায় একটা যুক্তিসংগত আন্দলোন করতে গেলে যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে সে দলের লেজুরসদৃস্য- ছাত্র সংগঠনগুলি পুলিশের পাশাপাশি সরকারের পক্ষে কাজ করে। আবার বিরুধী দল একটা অযুক্তিক বা দেশ বিরুধী আন্দলোন ডাকদিলে তার পক্ষ্য হয়ে দেশ বিরুধী কাজের প্রতি সহমত পোষণ করেন ঐ রাজনৈতকি দলের ছাত্র সংঘটনটি।( দেশের কথা একটিবারও ভাবেনা) যা জাতির জন্য অতি দুঃখ জনক। দলীয় নেতার ব্যাক্তিগত সুবিধার জন্য তারা কাজ করেন। নেতারা যদি বলে দেশের উপর মলত্যাগ করতে, সবাই মিলে মলত্যাগ করা শুরু করে দেয় । একবারো দেশের কথা ভেবে নিজের দলের ভূল সিদ্ধন্তটির প্রতিবাদ করেনা।
একটি বিষয় দেখুন তত্বাবধায়ক সরকারের সময় সকল ছাত্ররা মিলে একসাথে আন্দলোন করেছে বলে সফল হয়েছিল। কিন্তু তখন যদি ছাত্রদের একটি বিড়াট অংশ সরকারের পক্ষ নিত তাহলে ঐ শিক্ষক ও ছাত্রদের অবস্থা কি হত। সেনাবাহীনি কি তখন তাদের সিদ্ধান্ত পাল্টাতো? ভেবে দেখেছেন সকলে ? নেতাদের ছেলে-মেয়েরা যাতে বিদেশ হতে ডিগ্রি নিয়ে এসে এদেশের নেতা হতে পারে তার জন্যই অত্যান্ত সুকৌশলে এদেশের শিক্ষাঙ্গনকে ও ছাত্রদেরকে সাময়িক ক্ষমতা ও টাকার লোভ দেখিয়ে সন্ত্রাসী হিসাবে গড়ে তোলে। যাতে তারা আর কোনদিন দেশ নিয়ে তাদের সুস্থচিন্তাধারার বিকাশ না ঘটাতে পারে।
আসলে আমরা ছাত্ররাই টাকার কাছে বা ক্ষমতার কাছে নিজেদের সত্তাকে বিকিয়ে দিচ্ছি ! দেশ রষাতলে যায় যাক। আগে নিজের দল তার পরে অন্য কথা এই হল এখনকার ছাত্র রাজনীতি।
আমি নিশ্চত ছাত্ররা যখন দেশপ্রেমে আবার উদ্বোদ্ধ হবে তখন আমাদের দেশটি মালয়শিয়াকে ছাড়িয়ে যাবে।

যে লিখাতে এই মন্তব্যটি করেছিলাম তাহলঃ
একুশে বইমেলার গেইটে বড় করে একটা ব্যনার ঝুলাইতে চাই ও সরকার সহ সংশ্লিষ্টদের থাপরাইয়া জিগাইতে চাই, এমনটা কেন ? Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:৩৮
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×