somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ক্ষুদ্র খাদেম
আমি আমার দেশটার মত মহান হতে চাই facebook.com/khudro.khadem

করোনা ভাইরাস দিনসমূহ (আবার আইয়া পড়লাম-২) B-)) /:)

০৬ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৪:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আজকের শুরুও হচ্ছে অল্প কিছু পুরনো হাসির বাক্স দিয়ে। এইরকম সময়ে এর মাঝেই সান্ত্বনা খুঁজে বেড়াচ্ছি আমি /:)

জর্জ বার্নারড ‘শ ছিলেন হালকা পাতলা গড়ণের মানুষ। আর তার বন্ধু বিশ্বখ্যাত চিত্র পরিচালক আলফ্রেড হিচকক ছিলেন মোটা ও বিশাল ভুঁড়ির অধিকারী।
একবার ‘শ কে হিচকক ঠাট্টা করে বললেন, “তোমাকে দেখলে মনে হয় ইংল্যান্ডে দুর্ভিক্ষ চলছে।“
জবাবে ‘শ বললেন, “আর তোমাকে দেখলে বোঝা যায়, দুর্ভিক্ষের কারণটা কী?”


এক গাবরোভিয়ান আরেকজনের কাছ থেকে এক লেভ ধার করল। ঋণদাতা তাকে আর শান্তিতে থাকতে দিচ্ছে না এক মুহূর্ত। সকাল নেই, রাত নেই, শুধু ঋণ পরিশোধের তাগাদা।
আর যখনই ঋণদাতার সাথে তার দেখা হয়, সে তাকে একটা করে সিগারেট ফুঁকতে দেয়।
দশম দিনে ঋণগ্রহীতা একটা নোটবুক খুলে ঋণদাতাকে বলল, 'ব্যস, অনেক হয়েছে। তুমি তোমার এক লেভ ধোঁয়ায় উড়িয়ে দিয়েছ'।


একবার এক ছোট শহরে মার্ক টোয়েন বক্তৃতা দিতে গেছেন। সেই শহরে, এক সেলুনে শেভ করতে গিয়ে নাপিতের সাথে খোশ গল্প জুড়ে দিলেন নাপিতের সাথে।
'আপনি ঠিক সময়ে এসেছেন। আজ রাতে মার্ক টোয়েন বক্তৃতা দেবেন। যাবেন শুনতে? যাব, বললেন মার্ক টোয়েন।'
'টিকিট কিনেছেন?'
'না, কিনিনি।'
'তাহলে তো সমস্যায় পড়বেন, সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। আপনাকে বক্তৃতা শুনতে হবে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে।'
মার্ক টোয়েন মুচকি হেসে জবাব দিলেন, 'আমার কপালই এমন। এই ভদ্রলোকের বক্তৃতা সবসময় আমাকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই শুনতে হয়েছে।'


এক তরুণ যুগল ঘনিষ্ঠ হয়ে ভালোবাসায় ব্যস্ত। ঠিক সে সময়ে চাবি দিয়ে বাইরে থেকে প্রধান দরজা খোলার শব্দ শোনা গেল। শব্দ শুনে তরুণী ছিটকে সরে গেল, চোখে আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট।
‘হায় হায়’ তরুণী আর্তনাদ করে বলে উঠল, ‘আমার স্বামী এসে গেছে। জলদি জানালা দিয়ে বেরিয়ে যাও।‘
আতঙ্কিত তরুণ, দ্রুত জানালার দিকে দৌড়ে গেল। গিয়েই বিড়বিড় করে বলে উঠল, ‘আমি পারব না, এটা তো তের তলা’।
‘তোমার পায়ে পড়ি', উত্তেজিত হয়ে বলল তরুণী- ‘এখন কি কুসংস্কারের সময় হলো?’


আজকে আর বেশি লিখতে ইচ্ছে হচ্ছে না, শেষ করি একটা সহজ প্রশ্ন দিয়ে। না সরি সহজ প্রশ্নের আগে একটা ছোট্ট ঘটনা (বা ধরে নিন এটা কারো না কারো-এমন কি আমাদের যে কারোই, প্রতিদিনের অবস্থা) শেয়ার করি।
এক ড্রাইভার আর তার হেল্পারের মধ্যকার কথপকথনঃ
ড্রাইভারঃ কিরে, আইজ কয় ট্যাকা থাকল আমাগো?
হেল্পারঃ ওস্তাদ ১৩৫৬ ট্যাকা
ড্রাইভারঃ তাইলে তো এহন গিয়া বাজারটা কইরা যা থাকব, তা দিয়া দুইজনে গলাটা ভিজায়া একটু ফুর্তি ও করা যাইব।
হেল্পারঃ তাইলে তো ওস্তাদ ভালাই হয়, কিন্তু কাইলকা যদি এইরহম ইনকাম না অয়??
ড্রাইভারঃ আরে ব্যাটা, কাইলকার কতা কাইল ভাবিস, আইজ কষ্ট করসস সেইটার জন্যে আইজই ইট্টু ফুর্তি কইরা ল।


এই অবস্থার সাথে কেউ যদি আজকের আমাদের তৈরি পোশাক শিল্পের মালিকদের ঐ ড্রাইভারের সাথে তুলনা করতে যান, অবশ্যই নিজ দায়িত্বে করবেন।

আমার যে প্রশ্ন সেটা ছিল, ওরা যদি মওজ মাস্তি করয়ার জন্যে টাকা উড়িয়েই না ফেলল, তাহলে প্রায় তিরিশ বছরের ওপরের ব্যবসায়ীরা কিভাবে আবার প্রণোদনা চায় বা নেয়? আর অনেকেরই তো আগামী এক দুই বছর তাদের শ্রমিকদের বসিয়ে বসিয়ে বেতন দেয়ার ক্ষমতাই থাকা উচিত। আমার আরেকটা প্রশ্ন হচ্ছে, এদের কেউ কি কোনও রকমের সাহায্যে এগিয়ে আসছে সেরকমভাবে??? কী জানি, হয়ত এরাই সব বড় বড় হর্তাকর্তা, আমি আর কোন ছার...
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৪:১৬
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল || একটা রোমান্টিক গান

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৪ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল
ওওও
বহুবার সে তাকিয়েছিল
আমি ভাবতে চেয়েছি
আমাকে তার ভালো লেগেছিল



সে দেখতে এতটা সুন্দরী
তার উপমা যেন সে নিজেই
মাঝে মাঝে অধরে তার ফুটছিল হাসি
মুগ্ধতায় আমি হারিয়েছিলাম খেই
তখন মিহিসুতোর মতো বৃষ্টিরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ সময়ের ব্যবধানে তারা দুজন

লিখেছেন সামিয়া, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৩



কোর্টের সামনের চত্বরে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি। দুপুরের রোদটা তখন কিছুটা নরম হয়েছে। মানুষের ভিড়, আইনজীবীদের কালো কোট, চায়ের দোকানের ধোঁয়া আর ফাইল হাতে ছুটে চলা লোকজন মিলে জায়গাটা যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মের অবমাননা রুখতে গিয়ে নিজের ধর্মকেই ছোট করছেন না তো?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৫


সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ধর্ম অবমাননার আবার একটা ঘটনা ঘটলো। ২৩ জুন ২০২৬। প্রিন্স রায় দীপ্ত নামের পঁচিশ বছরের একটা ছেলে নবীজিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতীয় মুসলিমদের অসহনীয় জীবন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৫ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:১৫


পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ার সুপুরডিহি গ্রামের ঠেলাগাড়িতে বাসনপত্র বিক্রেতা দরিদ্র মুসলিম আকবর ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানধারী জঙ্গি হিন্দুদের হাতে প্রাণ দিলেন, আর মুক্তি পেলেন অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকার হাত থেকে। পুরুলিয়ায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×