somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর স্বর্ণযুগ

২৮ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১৯৪০ থেকে ১৯৮৫ সালের মধ্যবর্তী সময়টিকে আমি বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর স্বর্ণযুগ বলতে চাচ্ছি। কারণ এ সময়ে সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় জেনার ছিল বিজ্ঞান কল্পকাহিনী এবং প্রচুর পরিমাণে এ ধরণের কল্পকাহিনী রচিতও হয়েছে। সে সময়কার সাহিত্যিকদের মধ্যে ভাগ করা সম্ভব। কারণ তখনকার সাহিত্যিকদের মধ্যে সবার প্রভাব বর্তমান যুগে টিকে নেই। কারণ তখন বিজ্ঞান খুব একটা প্রসার রাভ করেনি। বিশেষত জ্যোতির্বিজ্ঞান সম্বন্ধে আমরি কিছু কিছু জানতে পারছিলাম যা কৌতুহলের সৃষ্টি করলেও নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছিলনা। তাই তখনকার বিজ্ঞান কল্পকাহিনীতে স্কোপ ছিল অনেক বেশী। অনেকে নিজের ইচ্ছামত লিখতে পারতেন, ব্যাখ্যা চাওয়ার মত লোক ছিল খুবই কম। তখনকার চিন্তাধারাগুলোর মধ্যে ছিল:
১। ভিনগ্রহে মানুষের অস্তিত্ব
২। ভিনগ্রহে বুদ্ধিমান জীবের অস্তিত্ব
৩। বহির্জাগতিক প্রাণের জটিলতা
৪। মানুষের মহাকাশ ভ্রমণ (ব্যাখ্যাতীত)
৫। ইচ্ছামত বিবর্তনবাদকে সাজিয়ে নেয়া।

কিন্তু কালের বিবর্তনে এগুলো ক্ষয়ে গেছে। মানুষ মোটামুটি নিশ্চিত যে, ভিনগ্রহে কোন মানুষ নেই। মানুষ তো নেইই এমনকি নেই কোন প্রাণও। প্রাণ অবশ্য থাকতেও পারে। কিন্তু তার ক্ষুদ্রতম প্রমাণটিও এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। এমতাবস্থায় সবাই ব্যাখ্যা চায়। বিজ্ঞান কল্পকাহিনীকে কয়েকটি জিনিসকে ভিত্তি হিসেবে নিতে হয়:
১। মনুষ্যনির্মিত নভোযানের আলোর কাছাকাছি গতি অর্জন
২। শীতলীকরণের মাধ্যমে মানুষকে টেকনিকেলি ডেথ হিসেব অনেকদিন জীবিত রাখা ও প্রয়োজনমত আবার জীবিত করে তোলা যা ক্রায়োজেনিক্স পাঠের সূচনা ঘটিয়েছে।
৩। মহাজাগতিক সময় পরিভ্রমণ। ওয়ার্ম হোল একটি আশার কথা।

আসলে মহাবিশ্ব এতো বড় যে আমরা হতাশ হতে বাধ্য হয়েছি। শত চেষ্টাতেও তা পরিভ্রমণ করা সম্ভব নয়। আলোর গতিতে গেলেও কোটি কোটি বছর লাগবে। আর আলোর বেগ অর্জন করা তো তাত্ত্বিকবাবে অসম্ভব। তাই বিজ্ঞান কল্পকাহিনী এখন অন্য দিকে মোড় নিয়েছে। আসিমভ এ ধারার একজন সফল উদ্যোক্তা। তার ফাউন্ডেশন সিরিজের কথাই ধরা যাক। ইতিহাসের সেরা সাইন্স ফিকশন সিরিজখ্যাত এই কাহিনী লাখ লাখ বছর পরে মানব সভ্যতার অবস্থা নিয়ে। সেরকম অবস্থায় মানুষ যেতেই পারে। সেখানে মুখ্য হয়ে উঠেছে মানব সভ্যতার অস্তিত্ব ও বিকাশের পথ। বিজ্ঞান কল্পকাহিনী হয়ে উঠেছে সূক্ষ্ণ থকে সূক্ষ্ণতর। সাথে এসেছে ডেভিড ব্রিন, আর্থার সি ক্লার্ক বা হাইনলাইনের মত ব্যতিক্রমী সাহিত্যিকদের অবদান।
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জীবন এক মরীচিকা

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:২৬


ফেসবুক এ কতজনই ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠায় সবার সাথে কথা হয় না। তানিম ছেলেটি কবে থেকে ফেসবুক এ ছিল মনে নেই। একসময় সে যোগাযোগ করল আমার লেখা, পড়ার আগ্রহ দেখালো।... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই মিউজিয়ামঃ আলোর নিচে অন্ধকার!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:১৩

জুলাই মিউজিয়ামঃ আলোর নিচে অন্ধকার!

জুলাই মিউজিয়ামে ঢুকলে প্রথমেই যে অনুভূতিটি হৃদয়কে স্পর্শ করে, তা হলো- এটা শুধু একটি জাদুঘর নয়; এটা একটি জাতির রক্তাক্ত স্মৃতির সাক্ষ্য।
পরিকল্পনা থেকে নির্মাণ- প্রতিটি পরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত চিরকাল তা মনে রাখবে----- ড্রাকুলা হাসিনা।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৭



ড্রাকুলার হাসিনা তো আর এমনি এমনি বলেনি যে, আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত চিরকাল তা মনে রাখবে।

রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। যা মূলত ভারতকে একতরফা সুবিধা দেওয়ার জন্য তৈরি... ...বাকিটুকু পড়ুন

অবিশ্বাস্য, অবিস্মরণীয়! বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয় অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে!!! :-ls B-)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৪৯



অবিশ্বাস্য, দুর্দান্ত, অতুলনীয়,অবিস্মরণীয় যে বিশেষণই ব্যবহার করি না কেন বাংলাদেশের এই জয়ের মহত্ব বুঝাতে কোন শব্দ ভান্ডারই যেন যথেষ্ট নয়। আমি রীতিমত বাকরুদ্ধ হয়ে গেছি বাংলাদেশের এমন পারফর্মেন্স দেখে!! বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

Humans are (not) from Earth-রূপের বৈচিত্র্য ও আঞ্চলিক প্রোগ্রামিং

লিখেছেন শেরজা তপন, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৩৩

প্রশ্ন ও প্রারম্ভিক জিজ্ঞাসাঃ
আমাদের মনে কি এমন প্রশ্নের উদয় হয় না যে,"আমরা যখন পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের অবয়ব, গায়ের রঙ, চুল কিংবা পুরুষদের মুখের দাড়ি-গোঁফের দিকে তাকাই, তখন এক অদ্ভুত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×