প্রিয়ার তনু আবৃত বাসন্তী শাড়ীর পার
খোপায় অজানা জংলী ফুলের মাঝে রাধাচূরার বিচ্ছূরন,
হাটছি বাংলা একাডেমির প্রাঙ্গনে।
কবিতার বইটা হাতে নিয়ে তার হাত ধরে আসলাম টিএসসির মোড়ে। বেলপূরীর সাথে কবিতার অন্তমীল ছন্দগুলো প্রিয়ার কানে মধুবর্ষন করছে। বেলা গরাতেই রিকশা করে পূরনো গন্তব্যে। অপেক্ষা বসন্ত আবার কবে আসবে?
এটুকু পরে থামলাম, একাধারে এতক্ষন বকবক করতে পারিনা...... আর তবুও বছরের এই একটি দিনে তাকে শোনাতে হয় সাইত্রিশ বছর আগের এক পহেলা ফাল্গুনের গল্প।
আজ সাতষট্টি টা বসন্ত পেরিয়ে গেলেও এ নিয়মের ব্যাত্যয় ঘটেনি।
প্রতিটা পহেলা ফাল্গুনের মত আজও কবির শংকা দূর করে কৃষ্নচূরায় ছেয়ে আছে পাতাহীন শাখাগুলো। তারই একটার নিচে আমি আর প্রিয়া।
আমি বসে আর সে ঝরা পাতায় ঢেকে যাওয়া দূবলা ঘাসের নিচে শুয়ে।
আজ হাতে কবিতার বই নেই, সুফিয়া কামালের সেই 'তাহারেই পড়ে মনে ' কবিতাও পরা হয়নি।
ছেরা ডায়রীটা থেকে সাইত্রিশ বছর ধরে প্রিয়ার সাথে কাটানো শেষ বসন্তের গল্প পরে চলেছি। আর প্রতিক্ষায় আছি 'আবার বসন্ত কবে আসবে?
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




