
বাংলা ভাষা আন্দোলনের ইতিকথা
ইতিহাসের পাতায় লেখা এক দিন
উনিশশো আটচল্লিশের মার্চের সকালে
জেগে উঠেছিল সময়ের রঙিন প্রাণ।
৪৮ এর এগারোই মার্চ, সভার ভেতর
করাচির গণপরিষদের প্রাঙ্গণ জুড়ে
একটি প্রস্তাব ধ্বনিত হলো দৃঢ় কণ্ঠে
নতুন রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ যেন শব্দে ঘুরে।
ঘোষণা এলো সিদ্ধান্ত হয়ে
উর্দুই হবে রাষ্ট্রের একমাত্র ভাষা
শব্দগুলো নেমে এলো বজ্রের মতো
বুকে বয়ে আনলো কঠিন বারতা।
শব্দ যখন পৌঁছে বাংলার বাতাশে
উর্দুই হবে রাষ্ট্রের ভাষা
বাতাস থেমে যায় এক মুহূর্তে যেন
নিরবে জাগে অজানা প্রত্যাশা।
কিন্তু মানুষের প্রাণের গভীরে
আরেক সুর তখন জেগে উঠে
মায়ের মুখের ভাষার ডাকে
অন্তর সমুহ প্রকাশ্যে ঝুকে।
সময়ের সাথে দ্রত লয়ে লেখা গল্পে
জাগে নতুন আন্দোলনের গান
ভাষার অধিকার, পরিচয়ের দাবি
মানুষের কণ্ঠে জাগে অবিচল প্রাণ।
অর্থাৎ সেই মার্চের স্বপ্নের বীজ
বিন্যস্ত হলো বাংলার বুক জুড়ে
২১ ফেব্রুয়ারীর রক্তাক্ত মাটিতে
ঝরে পড়ল সালাম জব্বার, বরকত সহ
আরো অনেক শহীদদের তাজা প্রাণ।
প্রাণের বিনিময়ে ভাষা পেল স্বীকৃতি
পেল তার চিরস্থায়ী আশন
বাঙলা ভাষা হয়ে গেল রাষ্ট্রভাষা
মানব ইতিহাসে জ্বলে এক রক্তিম আলো।
আজও যখন শহীদদের কথা মনে পড়ে
প্রতিটি বাঙালি হৃদয় বলে
ভাষা শুধু শব্দ নয়
ভাষা মানে মুক্তি, মর্যাদা আর
বাংলার স্বাধিনতার গান।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



