ব্লগারু জনতা বড়ই কলহকুশল। যেকোনো ছুতায় তারা একে অন্যের ঘাড়ে কথার খড়গ দিয়ে কোপান।
নতুন প্রতীক জুটেছে জালপাতার কপালে। কয়েকটা পাখি হাঁটছে, আর একটা দস্যি পাখি বরফের (নাকি বালির) একটা ছোট পাঁচিল টপকাচ্ছে। কী হতে পারে এর অর্থ?
এক মারমুখো ব্লগার বললো, এ তো পরিষ্কার। উম্মা এগিয়ে চলেছে, পথ দেখাচ্ছেন খলিফা। এতো পানির মতো সফেদ ব্যাপার। এ নিয়ে যে সন্দেহ করবে সে তো নালায়েক। মোনাফেক। তার জিহবা ছিঁড়ে ফেলতে হবে। ঐ দাওডা ল।
আরেকজন উলটা পথের পথিক বললেন, মোটেও না। সত্যভাষী আত্মা এগিয়ে যাচ্ছে কুসংস্কারের পাঁচিল ঠেলে, আর তাকে তাড়া করে ফেরা অন্ধ সংস্কারাচ্ছন্নদের দল পিছিয়ে পড়ে আছে পাঁচিলের ওপারে। অন্ধজনে দেহ আলো।
আরেকজন এসে বললেন, হ তরে কইছে, এগুলি ব্যাকটি গার্মেন্টসে কাম করে, আগুন লাগছে পলাইতাছে।
আপত্তি তুললেন আরেকজন, বললেন হাঁসকে হাঁস বলে চিনে নিতে শেখো অশিক্ষিত। ওফ, আম্মার হাতের রান্না করা হাঁসের ভুনা মাংস, কতদিন খাই না রে .. ..।
নারী আন্দোলনের চাঁইরা এসে বললেন, এ তো সমাজের সাধারণ দৃশ্য। গণধর্ষণের হাত থেকে বাঁচার জন্যে ছুটছে এক অসহায় তরুণী, পেছনে কামার্ত কুক্কুরের দল। এদের গুলি করা উচিত। তৎক্ষণাৎ আরেকজন ফতোয়া দিলেন, না না, দোষ ঐ তরুণীটির, ও পর্দা করেনি বলেই তো ওর শরীরসুষমা দেখে বাকিরা লালসিত হয়েছে, সামনের হাঁসটাকে এক কুড়ি দোররা মারা উচিত।
হল্লা চলতেই থাকে। কেউ বলে সামনেরটা জামাতী রাজাকার, তাড়া করেছে জনগণ। কেউ বলে সামনেরটাই জনগণ, কোঁচা সামলে ছুটছে, আর পেছনে জামাতী রাজাকার তাড়া করেছে।
তবে গন্ডগোলে আপনাদের মতামতটা শুনতেই পারলাম না। একটু কানে কানে বলে যাবেন তো।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



