কবে থেকে ভালোবাসলাম? মনে নেই।
কিন্তু ভালোবাসার ফাঁদে যে পড়ে গেছি তাতেও কোন সন্তেহ নেই।
আমি সবুজের কাব্য বনসাইয়ের কথা বলছি।ভীষন ভালো লাগে আমার বনসাই।এর নান্দানক সৌন্দর্য্য, কারোডর আঁক-বাকঁ আমার হৃদয় কেড়ে নেয়।
আমার বনসাইপ্রীতিরতে আমার ছোট মামি(জাপানীজ) আর ঝুংকো ভাবী(জাপানীজ) হেসে কুটি কুটি হয়। কারন জাপানে বনসাই চচর্া করে বুড়োবুড়িরা , আমার বয়সী মেয়েরা ইকেবানা(ফুলের সৌন্দর্য্য বিন্যাস) চচর্া করে । ইকেবানাও খুব সুন্দর। ইকেবানা আমার হৃদয়ে জাগায় স্পন্দন,বনসাই আমার প্রাণে দেয় দোলা।
সেবার শেরাটনের বলরুমে আমার কাজিনের কারাতে পারফরম্যান্স ও বনসাই এক্সিবিশন দেখতে গিয়েছিলাম।সেদিন সারাদিন জাপান অ্যামব্যাসির ফাংশন ছিল।সকালে বনসাই এক্সিবিশন, দুপুরে কারাতে জুডো প্রদর্শণ। আমরা দুপুরেই গিয়েছিলাম। প্রদর্শন শেষ হতেই একপাশে সারি দিয়ে রাখা বনসাই দেখতে শুরু করলাম।
কি যে অপূর্ব। ফার্স্ট পজিশনের চেয়ে আমার সেকেন্ডটাকে এতো মনে ধরলো ইচ্ছে করছিল তখনি বাসায় নিয়ে আসি। উপায় নাই...বাসায় আসলাম বনসাই ছাড়াই।
বনসাই য়ের উৎপত্তি চীনে। কিন্তু একে বুকে তুলে নিয়ে শিল্পরুপ দিয়েছে জাপান।1934 সালে জাপেিন অনুষ্ঠিত বনসাই প্রদর্শনঅতে বনসাইকে জাপ নের জাতীয় কলার মযর্াদা দেওয়া হয়।টোকিওতে এর উন্নতির জন্য 'বনসাই ভিলেজ' গঠন করা হয়।বনসাই-এর উন্নাতির জন্য পৃথিবীতে জাপেিসর অবদান সবচেয়ে বেশী। এই এক্সবিশনের মুল উদ্দেশ্যই ছিল বাংলাদেশীদের বনসাই সম্পর্কে আগ্রহী করা।
অনেকে মনে করে ইসলামে বনসাই জায়েজ নেই।
যদিও খুব ভালো লাগে কিন্তু বনসাইকে নিয়ে ইসলাম কি বলে এটা জানার আমার খুব ইচ্ছা ছিল।র্
আমি জানতে চেয়েছিলাম আমার অন্যতম ইসলামিক ব্যক্তিত্ব্য মদিনা ইউনিভার্সিটির সাবেক প্রফেসর এবং ইসলামী ইউনিভার্সিটির দাওয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. সিদ্দিকুর রহমানের কাছে।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



