somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জনস্বার্থে কপি পেষ্ট- 2

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দলীয় রাজনীতিতে এনজিওঃ কিছু বাস ব অভিজ্ঞতা
------------------------------------------

দারিদ্র বিমোচনে এনজিওগুলোর ক্ষুদ্রঋণ কার্য্#956;ম ঠিক কতটুকু সফল তা নিয়ে অর্থনীতিবিদদের মধ্যে মতবিরোধ থাকলেও দেশের আর্থ-সামাজিক উনড়বয়নে এ সকল প্রতিষ্ঠানের ইতিবাচক ভূমিকাকে সকলেই স্বীকার করেন। তবে কিছু এনজিওর ভূমিকা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে নানা অভিযোগ আসছে। এর মধ্যে একটি এনজিও বার বার আলোতি সমালোচিত হচ্ছে দলীয় রাজনীতিতে, বিশেষ করে একটি দলের জঙ্গী কর্মসঞ্ঝচিতে তার কর্মী ও সমিতি সদস্যদের অংশগ্রহণ নিয়ে। এনজিওটিতে কিছুদিন কাজ করার সুবাদে তার এমন কিছু কার্য্#956;ম প্রত্যক্ষ করেছিলাম বর্তমানের প্রেক্ষাপটে মনে হচ্ছে সেগুলি ছিল একটি দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ও কৌশলগত লক্ষ্যের প্রস্নুতি। নীচে তার কয়েকটির উপর আলোকপাত করা হলো।
1. 1997 সালের শেষের দিককার কথা। এনজিওতে কাজ করতাম একটি বিভাগের প্রধান হিসাবে। সবে দুপুরের খাবার শেষ করেছি। প্রশাসন থেকে জানানো হলো যে বিভাগীয় প্রধানদের জরুরী মিটিং ডাকা হয়েছে বেলা তিনটায়। প্রতিষ্ঠানটির দ্বিতীয় ব্যক্তি, তখন পদবী ছিল পরিচালক, তিনি সভাপতিত্ব করছিলেন। কোন রকম রাকঢাক না রেখে তিনি বললেন যে অনেক চেষ্টা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট নির্বাচন পিছানো হয়েছে। এখন সর্বশক্তি নিয়োগ করে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে জেতাতে হবে। এজন্য করণীয় সমঙ্র্কে তিনি বললেন, এনজিওটির সকল কর্মীকে তাদের চেনা-জানার মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সে সকল গ্রাজুয়েটদের খুঁজে বের করতে হবে যারা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির সমর্থক। তারা যদি নিজেদের নাম রেজিস্ট্রি করে না থাকে তাহলে কর্মীদের উদ্যোগে তাদের নাম রেজিস্ট্রি করাতে হবে এবং প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোগেই নির্দিষ্ট দিনে তাদেরকে ভোট দিতে নিয়ে যেতে হবে। তাঁদের রেজিস্ট্রেশন, চাঁদা পরিশোধ, যাতায়াত এবং আনুসাঙ্গিক সকল খরচ এনজিওটি থেকে বহন করা হবে।

2. এ সময়ে নিয়োগ সমঙ্র্কিত একটি নতুন বিধি করা হয়। তাতে বলা হয় মাদ্রাসা শিক্ষিত কাউকে নিয়োগ দেয়া যাবে না এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী নয় এমন কেউ যেন প্রতিষ্ঠানটিতে ঢুকে পড়তে না পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে। শেষোক্ত উদ্দেশ্যে পঞ্ঝরণে নিয়ম করা হয় যে মৌখিক পরীক্ষা পর্বে পাঁচজন পরীক্ষক থাকবেন যাদের মধ্যে একজন থাকবেন নারী বিষয়ক মঞ্ঝল্যবোধ পরীক্ষার জন্য এবং একজন পরীক্ষা করবেন 'উনড়বয়ন মঞ্ঝল্যবোধ'। উনড়বয়ন মঞ্ঝল্যবোধ যাচাই করার জন্য কি ধরণের প্রশড়ব করতে হবে তার নমুনাও পরিপত্রে দেয়া হয়। নমুনাগুলো ছিল এ রকম, 'আপনি কি মনে করেন যে ইসলাম বাংলাদেশের স্বাধীনতা রক্ষায় সাহায্য করবে', 'স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্ব ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মধ্যে কোনটিকে আপনি বেছে নিবেন'। যেন কোন বুদ্ধিমান পরীক্ষার্থী প্রশড়বগুলোর উত্তর দিতে গিয়ে নিজের রাজনৈতিক বিশ্বাস ঢাকতে না পারে সে জন্য মানব সমঙ্দ বিভাগের কয়েকজনকে এ উদ্দেশ্যে মনোবিজ্ঞানে বিশেষ প্রশিক্ষণও দিয়ে আনা হয়। এটি সকলেই বুঝতে পারছিল যে বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলের সমর্থক ছাড়া দেশের অন্য কোন নাগরিক যাতে এনজিওটিতে 'ঢুকে পড়তে' না পারে সে উদ্দেশ্যেই এ নতুন বিধি চালু করা হয়েছে। কিন্তু বোঝা যাচ্ছিল না কেন একটি এনজিও তার কর্মীদের রাজনৈতিক বিশ্বাস নিয়ে এতো কড়াকড়ি করতে যাচ্ছে। কেননা, আমাদের দেশের প্রধান দুটি দলের সাংগঠনিক কাঠামো বেশ ঢিলেঢালা। সেখানে যে কেউ যখন তখন যোগ দিতে পারে। নির্বাচনের সময়ে টাকাওয়ালা প্রার্থীদের নিয়ে যেভাবে তারা টানাটানি করে তাতে মনে করা অবান্নর যে তাদের রাজনৈতিক বিশ্বাস বলে আসলেই কিছঞ্ঝ আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নেতা-কর্মী কিংবা পাড়ার নেতা-কর্মীদের একটি উলে
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

খাম্বা/খাল তারেক কে কিছু উপলব্ধি শেয়ার করছি

লিখেছেন অপলক , ১৭ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৪২

আজ আর মনের মাধুরী মিশিয়ে বকাঝকা করব না। আজ কিছু ব্যক্তিগত চিন্তাভাবনা শেয়ার করব।



খাল খনন বা ঢাকার বাসস্ট্যান্ড সরানোর চেয়ে কি কি গুরুত্বপূর্ন কাজ এই অর্থবছরে করা যেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গানটি প্রিয় রাজীব নূর ও কবি স্বপ্নের শঙ্খচিলকে উৎসর্গ করছি

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:০৬

আমার খুব প্রিয় একটি কবিতার সাথে ব্লগার স্বপ্নের শঙ্খচিলের কবিতা মিলিয়ে গানটি বুনেছি।
শোনার আমন্ত্রণ রইলো।
============================

এই জল ভালো লাগে;
বৃষ্টির রূপালি জল কত দিন এসে
ধুয়েছে আমার দেহ- বুলায়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কদমের পাপড়ি

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৭ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩


এ আষাঢ়ের চোখ কেমন জানি-
চৈত্রের হাওয়ায় কদম নয় যেনো
আগুন- আগুন- তবু ভেজে যাচ্ছে-
শান্তি চুক্তির গন্ধ বাতাস-বাতাসে;
আনন্দময় আষাঢ়ে কাম ভাবনায়
শুধু মাটির বুক গড়ে- গড়ে আসে
জলকাঁদার শ্রেষ্ঠ হাসি অথচ বসন্ত
কান্না... ...বাকিটুকু পড়ুন

অপারেশন ইকারুস: কুয়ালালামপুরের ছায়া সম্রাট

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৭ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৫



বালির নীল দিগন্ত
ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের একটি নির্জন পাথুরে সৈকত। ভারত মহাসাগরের বিশাল নীল ঢেউ আছড়ে পড়ছিল তীরে। সমুদ্রের ঠিক ওপরের একটি আধুনিক কাঁচের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আহলে হাদিস বিরোধী পোষ্টে ব্লগে লাইক না থাকলেও গ্রুপে লাইক পাঁচ হাজার আটশত

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৭ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৪



হাদিস প্রেমিক হলো নাস্তিক ও আহলে হাদিস। উভয় দল হাদিস দিয়ে মুসলিমদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। আমি যেহেতু মুসলিমদের হেদায়াতের জন্য কাজ করি সেহেতু আমাকে আহলে হাদিস বিরোধী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×