নাঈমুল ইসলাম খান:
1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস ডিসিসির নাগরিক সংবর্ধনায় সামনে উপবিষ্ট 4 দলীয় জোটের (মূলত সকলেই বিএনপির) নেতৃবৃন্দকে দেখেও বক্তৃতায় উল্লেখ করেছেন 'এখানে সকল রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ'। সেখানে 'সকল দলের নেতৃবৃন্দ' তিনি কোথায় দেখলেন? তার এই বক্তৃতা যখন ত্রিশ বছর পরে কোনো গবেষক পড়বেন তিনি জানতেও পারবেন না যে সব দলের কথা ঠিক নয়। এভাবেই ইতিহাস বিকৃতি ঘটে। সসময় জনাব ইউনূস 90 দিনের মধ্যে নির্বাচন না করলে দেশ থাকবে না সংবিধান থাকবে না বলেছিলেন বারবার। তিনি ড. ইয়াজউদ্দিনের ঘৃণিত ও বিতর্কিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে দিয়েছিলেন এ প্লাস। তার বিভিন্ন উক্তি ইয়াজউদ্দিনের সরকারকে জুগিয়েছে অনৈতিক শক্তি। এখন ইয়াজউদ্দিনের সরকার ইতিহাসের অাঁসত্দাকুড়ে কিন' কেউই ড. ইউনূসের ভূমিকা সম্পর্কে বলিনি। আমি এখানে ইউনূসের সে সময়ের ভূমিকার জন্য নিন্দা প্রসত্দাব উপস্থাপন করছি।
2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশের সবাই রাজনীতি করেন টাকা বানাতে। আমি এই ঢালাও উক্তিরও প্রতিবাদ জানাই। তিনি সম্প্রতি ভারত সফরে গিয়ে প্রয়োজনে সরাসরি রাজনৈতিতে আসার কথা বলেছেন। এটা উত্তম চিনত্দা। তাকে আমি মর্যাদা দেই অসাধারণ সাংগঠনিক যোগ্যতার জন্য। আমি আশা করি, তিনি স্বচ্ছভাবে রাজনীতিতে আসবেন তৃণমূল থেকে। আফগানিসত্দানের হামিদ কারজাইর মতো 'ইউনূস কারজাই' হিসেবে উপর থেকে চেপে বসবেন না।
3. উপদেষ্টা জেনারেল এমএ মতিন কথা বলেন খুব জোশে, শুনতে কৌতুককর ও উপভোগ্য, আড্ডা বা গল্পের জন্য তিনি আকর্ষণীয় কিন' ড. ফখরুদ্দীনের সরকারের ভাবমূর্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নন। সাদ্দাম হোসেনকে ফাঁসিতে ঝুলানোর আগে তাকে উদ্দেশ্য করে তীর্যক মনত্দব্য বা স্লোগান দেয়া যেকারণে (স্বয়ং বুশও স্বীকার করেন) অসভ্যতা ঠিক তেমনি মতিনের কিছু শব্দ ব্যবহার ও বডি ল্যাঙ্গুয়েজ সুরুচি ও সভ্যতা পরিপন্থী। দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতারকৃতদের প্রসঙ্গে জনাব মতিন বলেছেন 'আমরা রুই কাতলার ব্যবসা করতে চাই।' এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধানদের বলেছেন 'ক্লাউন'। কথাগুলো সত্য হলেও বলা শোভা পায় না।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


