বিশ্বজুড়ে গবেষণা ও আইনি নজিরে দেখা গেছে—পশু নির্যাতনের সঙ্গে শিশু নির্যাতন ও পারিবারিক সহিংসতার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। অনেক দেশে পশু নির্যাতনকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়, কারণ এটি ভবিষ্যতে আরও বিপজ্জনক অপরাধের পূর্বাভাস হতে পারে।
যদি কেউ নিরীহ একটি বিড়াল বা অন্য কোনো প্রাণীকে পিটাতে পারে, তাহলে সে শিশু, বৃদ্ধ কিংবা সমাজের অন্যান্য দুর্বল সদস্যদের প্রতিও সহিংস হতে পারে। এটি কেবল নৈতিক ব্যর্থতা নয়—এটি একটি সম্ভাব্য অপরাধপ্রবণতার ইঙ্গিত, যা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, মনোবিজ্ঞানী ও শিশু সুরক্ষা কর্তৃপক্ষরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে।
পশু নির্যাতন শুধু একটি সহিংস কাজ নয়—এটি একটি সতর্কবার্তা। এবং আমাদের সবাইকে সেটিকে তেমনভাবেই দেখতে হবে
গতকালের ঘটনার বিবরণ লিংকে আছে
পোষা বিড়াল দৌড়ে পাশের ফ্ল্যাটে, রড দিয়ে পেটালেন প্রতিবেশী
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই মে, ২০২৫ সকাল ৭:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




