অমানবিক
০৯ ই মে, ২০০৬ ভোর ৬:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
দিনাজপুর জেলা স্কুলের 6ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র নয়ন চন্দ্র তার শ্রবণশক্তি হারাতে বসেছে। স্কুল শিক্ষক নয়নকে শাসন করার মাত্রা এতই বাড়িয়ে দিয়েছিলেন যে, তিনি নিজেই বুঝতে পারছিলেন না আসলেই তিনি নিজে মানুষ কিনা। ভাবতে অবাক লাগে এ কেমন শিক্ষক। তাও আবার সরকারি স্কুলে তার চাকরি। তিনি কিভাবে এমন আচরন করতে পারে তা বোঝা মুশকিল।
শিক্ষকদের আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞানের অভাবই এই ধরনের ঘটনার জন্য দায়ি।আমার মনে হয় এধরনের অমানবিক ঘটনাকে কেউই মানতে চাইবে না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রুবার সাথে আমার বিয়েটা ওঠ ছেড়ি তোর বিয়ের মতোই হয়েছে । একদম সাধারন কোনরকম অনুষ্ঠান নাই । সেইদিন অফিসে অনেক কাজ ছিলো । চোখে তারা ফারা দেখছিলাম । বসের...
...বাকিটুকু পড়ুন
আন্ডারগ্রাউন্ড শোতে এটাই আমার প্রথম ড্রামস বাজানোর একটা মুহূর্ত। কিছু গল্প আসলে পরিকল্পনা করে শুরু হয় না।কিছু গল্প হঠাৎ করে একটা মুহূর্ত থেকে জন্ম নেয় আর তারপর...
...বাকিটুকু পড়ুন
এই শহরে থাকি প্রায় সাতাশ-আটাশ বছর ধরে। তিন প্রেমিকার মায়া ছেড়ে যাওয়া যায় না এমন এক অদ্ভুত সুন্দর এই শহর। যার এক হাতে নদী, অন্য হাতে সমুদ্র, আর কপালে জায়গা... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই নিয়ে অনেক বিতর্ক, সমালোচনা আছে। কিন্তু, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে জুলাই গণঅভ্যূত্থান না হলে আমরা দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসন থেকে মুক্তি পেতাম না। জুলাই ঘিরে যত বিতর্ক, সমালোচনাই...
...বাকিটুকু পড়ুনসব মৃত্যু গণনায় আসে না। রাজনৈতিক সহিংসতার একটি পুরনো নিয়ম আছে। মৃত্যু সমান মৃত্যু নয়। কোনো মৃত্যু পত্রিকার প্রথম পাতায় যায়, কোনো মৃত্যু জয়পুরহাটেই থেকে যায়। এই বাছাইটা দৈবাৎ হয়... ...বাকিটুকু পড়ুন