বৈদিক দেবতাদের মধ্যে অগি্ন অন্যতম। সে আগুনের দেবতা। ভগবানের বার্তাবাহক ও ত্যাগের অনুমোদক। অগি্ন প্রত্যেকের জন্যই সমান। সে জীবনের সঞ্জীবনী স্ফুলিঙ্গ। এই জীবিত সবকিছুর সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। খাদ্যের হজমের জন্য দেবতার উপহার নিঃশেসিত করার জন্য থাকে অগি্ন। আকাশের তারারা তার আগুনের শিষ থেকে স্ফুলিঙ্গর জন্ম দেয়। আদিম ভারতে তার গুরুত্ব এমন ছিল যে ঋগেবদে তাকে উল্লেখ করে দুই শতকের স্তোতি করা হয় এবং এর দশটির মধ্যেই আটটটি িশুরু হয় তা গুণকীর্তন করে।
ইন্দ্রের সঙ্গে অগি্নর নিকট সম্পর্ক রয়েছে। কখনো কখনো বলা হয় ওরা যমজ ভ্রাতা। ডায়স পিতা ও পৃথিবীকে ধরা হয় তার পিতামাতা হিসেবে। অবশ্য এরকম পিতামাতা আরো রয়েছেঠ। কখনো কিমাপা অদিতি তার পিতামাতা অন্য সময় আবার সে এখন এক রানীর সন্তান যে রাজার কাছে নিজের সন্তান জন্ম দেওয়ার বিষয়টি গোটন রাখে। অগি্ন ইন্দ্রের মতো পূর্ণ শক্তি নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। অগি্নকে দশ মায়ের সন্তান বলা হয়। তারা প্রত্যেকের পরষ্পওেরর বোন।
যখন পৌরাণিক অগি্নর রূপ বর্ণনা করা হয় কখনো কখনো বলা হয়, অগি্নর দুআনন যা মাখন দিয়ে মাখানো। তার রয়েছে সাতটি জ্বলন্ত জিহবা ধারালো সোনালি ্রোট। সে লাল রঙের চোখ ও চুল কৃষ্ণ বর্ণের। তার রয়েছে সাতটি হাত ও পায়ের সংখ্যা তিন। তার শরীর থেকে বেরিয়ে পড়ে সাত রঙ্গের আলো। অগি্ন চড়ে বসে কখনো পাঁঠার ওপডর কখনো বাঘ কখনো ছাগল আবার কখনো টিয়ার ওপর।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



