বাংলার ভুদাই পাবলিকের কারবারে দুনিয়ার মাটি থেকে শুরু করে খোদার আরশ পর্যন্ত আন্ধার হইয়া গ্যালো। বিশেষ কইরা বাংলার ধম্মপ্রাণ মোছলমানের ভুদাইত্ব দেইখা ফেরেশতারাও স্রষ্টার গুনগান ভুইলা অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে তাকাইয়া থাকে আরশের দিকে। অপেক্ষায় থাকে কবে খোদা বিরক্তি হইয়া এই বদ্্বীপ সমুদ্রের তলে তলাইয়া দিবো। কোন কোন পাগলা কিছিমের আলা ভুলা ফেরেশতারা ফিক ফিক কইরা হাইসাও ফ্যালে বাঙ্গাল মোছলমানের বেকুবিত্বে ।
যাই হোক শিয়া প্রসঙ্গে নতুন মুড়ি খাওয়া পোস্ট দেখলাম - দাবী হইলো শিয়াদের অমুসলিম দাবী করেন। এইটা নাকি জাতীয় দাবী।
কায়রোর সুবিখ্যাত আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃথিবীর সেরা মুসলিম মনীষিরা যে 5টা স্কুল অফ থটকে (মাযহাব) অফিসিয়ালী স্বীকৃতি দিছে তার ভিতরে সুন্নী 4টা মাযহাবের পাশাপাশি শিয়াদের মাযহাবকে স্বীকৃত দেওয়া আছে। দেওয়া আছে কারন শিয়াদের নিজস্ব ব্যাখ্যা আছে তাদের দাবীর ক্ষেত্রে।
নামাজের ওয়াক্ত প্রসঙ্গে কুরআনের আয়াত খুজলেই দেখা যাবে শিয়াদের ইন্টারপ্রেটেশনের যৌক্তিকতা। শিয়ারা তিন সময়ে পাঁচবারের নামাজ পড়ে থাকে। ফজর, যোহর-আসর এক সাথে, মাগরিব-এশা এক সাথে। এইটার পেছনে তাদের নবীর উদাহরন, তার বাণী এমনকি কুরআনের আয়াতের শক্ত সমর্থন আছে।
মতামতের ভিন্নতা মানেই হয় মাইরা কাইটা ফেলাও, ধর্মের ক্ষেত্রে অমুসলিম ঘোষণা করো - এই অসুস্থ মানসিকতা থেইকা বাহির হইতে আর কত জন্ম লাগবো বেকুব ভুদাইগুলার? মহা বিরক্তিকর কারবার! এই ধরনের বিপজ্জনক এছলাম বোধের কারনেই শরীয়া আইনের প্রয়োগের বিরোধীতা করি। কারন ধর্ম ব্যাবসায়ীগো হাতে ধর্মের মতো জিনিস দিয়া একচ্ছত্র থিওক্রেসি চালু করনের সুযোগ দেওন নিউক্লিয়ার অস্ত্রের চাইতেও বিপজ্জনক। এরা আছে নিজেগো হিংসা চরিতার্থ করতে। তাতে ধর্মরে ব্যবহার কইরা এক ধরনের প্রথম শ্রেণীর স্যাডিস্ট সুখ অনুভব হয় তাদের।
ধমর্ান্ধগো কই কাম না থাকলে মুড়ি খান গা, অন্যরে মুড়ি খাওয়ানোর লাইসেনসবাজীতে কাম নাই। বিকল্প হিসাবে একটু পড়াশুনা করার পরামর্শ দিতে পারি যদি অক্ষরজ্ঞান থাকে।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১২:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



