দুপুরে সাদাভাত, ইচড় আর রুই খেতে ঝটপট বেড়িয়ে পড়ে যে হোটেলে বসলাম সেখানে অনেক বিদেশীকে চোখে পড়লো। নোবেল বিজয়ী রবীন্দ্রনাথ এখনও বিশ্বজুড়ে টেনে চলেছে হাজার ভক্তকে কবিগুরুর নিজের স্বপ্ন থেকে গড়া এই শান্তিনিকেতনে।
গতকাল তিনজন ব্লগারের সাথে দেখা হলো। প্রথমে সামহোয়্যারের শ্যাজা (থ্যাংকস টু কনফুসিয়াস), তারপরে ভারতীয় আরেক ব্লগার যিনি সামহোয়্যারে না লিখলেও অংশ নিয়ে থাকেন বাংলা লাইভ ও গুরুচন্ডালীতে। কোলকাতা বই মেলায় ঘুরে বেড়ালাম প্রথমটায় শ্যাজা আর আমি। পরে যোগ দিলো অন্যজন। এর আগে অবশ্য দুপুরের লাঞ্চের নেমন্ত্রন্য ছিলো সেন্ট্রাল কোলকাতায় ট্রাম ডিপোর কাছে জিশান নামের এক মুঘল ঘরানার রেস্তোরায়। অসম্ভব মিষ্টি চেহারার শ্যাজা কোলকাতায় প্রায় অনেক বছর থাকলেও তার মূল বাড়ি কিন্তু এপার বাংলাতেই।
কোলকাতার বিশাল বই মেলা চলছে এখন। মেলা ঘুড়ে, পা ব্যাথা করে মেলা থেকে বেরিয়ে পার্ক স্ট্রিটে আড্ডায় বসা। তিব্বতি খাবার মোমো খেতে খেতে চললো গুরুতর বিষয় আর ব্লগীয় নানান ইসু্য। ব্লগাররা এক হলেই যেটা হয়, অমুক ব্লগারের পরিচয়, তমুক ব্লগার কোথায় থাকে - এটা দেখলাম গুরুচন্ডালী বা বাংলালাইভের অংশগ্রহনকারীদের ভিতরেও ঠিক আমাদের ঢাকায় বগার আড্ডার মতোই একই মজার। খুব ভালো লেগেছে।
রাত সাড়ে নয়টায় ইংরেজী ব্লগের নিয়মিত এক পাঠকের সাথে দেখার এ্যাপয়েন্টমেন্ট থাকলেও কোলকাতার ট্রাফিক জ্যাম আর ঠিকানা বিভ্রমে আমাকে খুঁজে পেতে বেচারার রাত দশটা। কফি খেয়ে অনেক বিষয়ে টুকটাক আলাপের পরে যখন বাড়ি ফিরছি তখন রাত একটা। বোঝেন এইবার ব্লগীয় টানের বাহার।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৬:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


