somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

We all float on

১৮ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৩:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মাথার দুপাশ ধবধব করছে যন্ত্রণায়। গত কিছুদিন ধরে নতুন এই উপসর্গ আমার জীবনে বাসা বেঁধেছে।

সইতে পারিনা...।

বিষয়টায় নতুন মাত্রা যুক্ত হচ্ছে সময় সময়। এখন দুপুর, চূড়ান্তরকম বোরিং সময়। জীবনটাকে মনে হচ্ছে এক্কেবারে যাচ্ছেতাই পাগলা ঘোড়া। মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে জোরসে এক চিৎকার দিয়ে বলি- i hate myself, sometimes. পারিনা। ব্যাপারটা খুবই যন্ত্রনাময়।

যে কারনে লিখতে বসা, কথা হচ্ছিলো ভাসমান জীবন নিয়ে। আমার থিউরী টু থিউরী লম্ফঝম্ফের দৌড় সীমিত। তাই কারো থিউরী রেফার করে ভাবনাগুলোর জীবনদান করা আমার পক্ষে দুস্কর। আমি এই অকল্পনীয় যন্ত্রণাকর সময়টায় লিখতে বসেছি কিছু লিখবো বলে। লিখতে পারছি না ঠিক মত।

বার বার কে যেন ফিসফিসিয়ে বলছে- তোরা মনুষ্যগণ ভাসমান।

আমি সমাধান খুঁজে পাইনা, যন্ত্রণাটা নিয়ে গুমরে উঠি, সময় সময়।

ভাসমান কথাটা সঠিক। না-মানুষে নোঙর ফেলেছি, শরীরে ইয়া বড় একখান না-মানুষ সাইনবোর্ড, তাই ভাসমান নিয়ে যখন কথা ওঠে তখন পুরোপুরি সজাগ হয়ে ভাবতে শুরু করি।

আমরা প্রতিটি না-মানুষ এবং হাঁ মানুষগণ ভাসমান। ভেসে চলেছি অনন্তকাল ধরে, কোন চিরন্তন শক্ত দাবী ব্যতিরেকেই। না-মানুষের জীবনে ব্যর্থতা বেশি, হাঁ মানুষের কম, তারা সুখে থাকে, তারা সহজে মারা যায়, সকালে ঘুম ভাঙ্গলে দেখা যায় 'কি আশ্চায্য তারা বেঁচে উঠেছে, ফের!'

না-মানুষের জীবনে 'ভাসমান' শব্দটা ভালো রকম জড়িত। তারা কোন কিছুতেই অত্যাধিক বুদ্ধিদীপ্ত না। তারা সীমিত চাওয়ার দাবিদার। হাঁ মানুষের চাহিদার শেষ নাই, নিজের স্বার্থের জন্য স্বজনের গলায় চুরি ধরতে সময় বেশি লাগেনা। তারা লজিক্যালি মারা যায়, কিংবা নিজেদের ধ্বংস করে জেনেশুনেই। তারাতো জানে সকালেই তাদের নিশ্চিত নতুন জীবন, তারা প্রত্যহ চাহিদার স্রোতে ভাসমান।

না-মানুষগণ অবশ্য এমন লজিক্যাল মৃত্যু খুব ভয় করে। তারা ভাসমান, পানকুড়ির মতনই। সব কিছু ডুব দিয়ে দেখে নেয়া... তারপর সন্ধ্যা হলে বাড়ি ফেরা। তাদের জীবনে পুনরুন্থান নাই, প্রাপ্তি নাই, তাদের জীবনটা শূণ্য।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৫:৫৪
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×