somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অন্য শরীর-৫, মূল: ফ্রান্স কাফকা, জার্মান থেকে অনুবাদ তীরন্দাজ

১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

চেয়ারটি গ্রেগর ধীরে ধীরে দরজার দিকে ঠেলে আনল, দরজার কাছাকাছি এসেই ছেড়ে দিল, নিজে দরজার উপর ঠেস দিয়ে দাঁড়ালো। তার পায়ের জোড়ায় আঠালো কিছু পদার্থ তাকে দরজায় আটকে রাখতে সাহায্য করলো। তারপর কয়েক মূহুর্ত বিশ্রাম নিল দরজার সামনে দাঁড়িয়ে। চেষ্টা করলো মুখে কামড়ে দরজার চাবিটি ঘোরানোর। নিদারুন হতাশা ভর করলো, যখন টের পেলো কোন দাঁত নেই তার মুখের ভেতরে। হয়তো সেকারণে মাড়ি বেশ শক্তই হতে পারে। মাড়ির চাপে সত্যিই সে চাবিটি ঘোরাতে পারলো। এত বেশী মনযোগী যে, মুখের ভেতর যে ক্ষত তৈরী হচ্ছে তা সে টেরই পেলনা। এক বাদামী রং এর তরল পদার্থ তার তার মুখ থেকে বেরিয়ে এসে দরজার চাবি বেয়ে ফোঁটায় ফোঁটায় মাটিতে পড়লো। 'শুনতে পাচ্ছেন'? পাশের ঘর থেকে বললেন উকিল। 'চাবি ঘোরাচ্ছে সে'। গ্রেগরকে আরো বেশী উৎসাহ জোগালো এই মন্তব্য। কিন্তু তাদের উচিৎ ছিল গ্রেগরকে আরো বেশী উদ্দিপ্ত করার। বাবা মা একসাথে। 'সাবাশ! গ্রেগর, সাবাশ! আরেকটু! আরেকটু'! কিন্তু সবাই তার প্রচেষ্টা উত্তেজনা নিয়ে লক্ষ্য করছে, এই ভাবনায় ডুবে, সে তার সমস্ত শক্তিতে চাবিটি ঘোরানোর চেয়ে কামড়ে ধরলোই বেশী। যতটুকুই সে চাবিটা ঘোরাতে পারলো, সে অবস্থাতেই ওটাকে সেখানে আটকে রেখে তালা কামড়ে ধরে শরীরের সমস্ত ওজন ব্যবহার করে আবারো ঘোরানোর চেষ্টা করলো বারবার। তালা খোলার একটি জোরালো আওয়াজে সজাগ হলো তার ইন্দ্রিয়। 'চাবিওয়ালার সাহায্যের কোন দরকার হলোনা আমার'! ভেবে সন্তুষ্টিতে মাথা রাখলো হাতলের উপর দরজাটি খোলার জন্যে।

দরজা খেলার কসরত নিয়ে ব্যস্ত থাকায়, টেরই পায়নি গ্রেগর যে, চাবি ঘোরানোর পরপরই দরজার একটি পাল্লা খুলে আছে অনেকটা। সে নিজেই পাল্লাটির আড়ালে পড়ে গিয়েছিল। সে পাল্লার সাথে তাকে নিজেকেও ঘুরতে হবে। সে সাথে সাবধানও থাকতে হবে যাতে বাইরের কারো ধাক্কায় সে নিজেই চীৎ হয়ে মাটিতে পড়ে না যায়। নিজের নড়াচড়ায় সে এতই মনযোগী, অন্যরা কি করছে, সেদিকে নজরই রাখতে পারে নি। সে মুহুর্তে 'ওফ!' শব্দ উকিল সাহেবের মুখ ফুড়ে ঝড়ের মতো বেরিয়ে এল। দরজার সবচেয়ে কাছাকাছি থাকায় তিনিই সবার আগে গ্রেগরকে দেখতে পেলেন। বিষ্ময়ে হাঁ হওয়া মুখের সামনে হাতটি ধরে ধীরে ধীরে সরে গেলেন পেছনের দিকে। মনে হলো কোন এক অদৃশ্য শক্তি কোন এক অজানা আকর্ষনে তাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। মা সারারাতের উস্কোখুস্কো চুলে এতোক্ষন উকিল সাহেবকেই সঙ্গ দিচ্ছিলেন। জোর হাতে ভোতা দৃষ্টিতে বাবার দিকে একবার তাকিয়েই দুই পা এগুলেন গ্রেগরের দিকে। তারপর সবার মাঝখানে স্কার্টটি ছড়িয়ে এলিয়ে পড়লেন মাটিতে। মাথাটি অবশ হয়ে ঝুলে রইলো বুকের উপর। বাবা কোন এক অদৃশ্য শত্রুকে হাত তুলে গালাগাল করলেন। মনে হলো গ্রেগরকে ঠেলে আবার ঘরের ভেতরই পাঠিয়ে দিতে চাইছেন। বসার ঘরে থেকেই অচেনা, সন্ত্রষ্ট দৃষ্টিতে ইতস্তত: চোখ ফেললেন, তারপর দুই হাতে চোখ ঢেকে ভেঙ্গে পড়লেন কান্নায়। কান্নার দমকে তার প্রশস্ত বুক কেঁপে উঠলো বারবার।

গ্রেগর বসার ঘরে টোকার চেষ্টা করলো না। বরং দরজার পাল্লার ভেতরের দিকেই হেলান দিয়ে পড়ে রইল। তার অর্ধেক শরীর ও হেলানো মাথা পাল্লাটির প্রান্তে বেরিয়ে রইল। সাবধানী, হতচকিত, ভীত দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল সবার দিকে। ততক্ষনে বাইরের পৃথিবী অনেকটা ফর্সা হয়ে উঠেছে। রাস্তার উল্টোদিকের হাসপাতালের একটি অংশ, ধুসর কালো সীমাহীন দেয়ালের পরিধি, একটার পর একটা সাজানো অগুনতি জানালা ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠলো। অঝোর ঝারায় ঝড়ছে বৃষ্টি। বৃষ্টির ফোঁটা আরো বেশী বড় হয়ে, আরো বেশী শক্তিতে মাটির বুকে আছড়ে পড়লো। বাবার জন্যে নাস্তার সময়টি প্রতিদিনের আহারের সবচেয়ে পছন্দনীয় সময়। এ সময়টায় তিনি টেবিলে বসে পত্রিকা ও বিভিন্ন বই পড়ে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটাতে অভ্যস্ত। আজ নাস্তার সব সরন্জাম স্তুপিকৃত হয়ে জমে থাকলো টেবিলে। উল্টোদিকের দেয়ালে গ্রেগরের একটি ছবি। সেনাবাহিনীতে যখন ছিল, সে সময়ের তোলা। লেফটেটেন্ট এর পোষাক পড়া ও তলোয়ার হাতে, মুখে আত্মবিশ্বাসের হাসি ছড়ানো। পোষাক ও চেহারার ভাবে নিজের প্রতি সন্মানের দাবী। বসার ঘরের দরজাটি খোলা, বাইরের দরজাও খোলা। এর ভেতর দিয়ে চোখে পড়ছে বাইরের বারান্দা ও নীচে নামার সিড়ির প্রথম অংশ।

একমাত্র গ্রেগরই নিজেকে শান্ত রাখতে পারলো। 'এক্ষুনি কাপড় চোপড় পড়ে তৈরী হচ্ছি। সবাই রাজী হলে স্যাম্পলগুলো বাকসে ঢুকিয়ে এই মূহুর্তেই বেরুচ্ছি আমি। দেখুন উকিল সাহেব, আমি গোয়াড় বা কর্মবিমুখ নই। জীবিকার জন্যে ঘুরে বেড়ানো সহজ নয়। কিন্তু এছাড়া আমার পক্ষে টিকে থাকাও অসম্ভব। অফিসে ফিরে যাচ্ছেন উকিল সাহেব! যান! যা দেখলেন, তার যথাযথ বর্নণাই দেবেন। এ মূহুর্তে আমি সত্যিই কাজের অযোগ্য। তাই এটাই সঠিক সময়, আমার আগের সাফল্য গুলো সামনে টেনে আনা। এখনকার সমস্যাগুলোর মোকাবিলা আমি করবো। তারপর আগের মতোই কর্মস্পৃহা নিয়ে ঝাপিয়ে পড়বো কাজে। আপনি জানেন বসের প্রতি আমার বিশাল দ্বায়িত্বের কথা। অন্যদিকে আমার বাবা মা ও বোনকে নিয়ে আমার যথেষ্ট চিন্তা রয়েছে। এই মূহুর্তে গর্তে পড়েছি, আবার বেরিয়েও আসবো। দেখতে পাচ্ছেন, আমার অবস্থা ভাল নয়। দয়া করে সে অবস্থাকে আরো কঠিন করে তুলবেন না। দয়া করে আমার দিকে চোখ রাখুন। কাজের জন্যে যারা শহর বন্দরে ঘোরে, তাদেরকে কেউ পছন্দ করে না জানি। সবাই ভাবে, তাদের বিশাল আয় ও বিলাসবহুল জীবন। এই ভুল ধারণা দুর করার চেষ্টা কেউই করে না। কিন্তু উকিল সাহেব, আপনি নিশ্চয়ই অনেক কিছু অন্যদের চেয়ে সুক্ষভাবে দেখার ক্ষমতা রাখেন। গোপনেই বলছি, আমাদের বসের চেয়েও বোঝার ক্ষমতা আপনার বেশী। ওনি মালিক হিসেবে খুব সহজেই অনেক কর্মচারীর বিপক্ষে মতামত প্রদান করতে পারেন। আপনি ভাল করেই জানেন, ট্যুরের জন্যে প্রায়শ:ই সারাটি বছর শহরের বাইরে থাকতে হয় আমাদের। আমাদেরকে অতি সহজেই যে কোন ধরণের পরনিন্দা, পরচর্চা ও ক্ষমার অযোগ্য অভিযোগের শিকার হতে হয়। যেহেতু এসব রটণার খবর আমাদের কাছে ভালোভাবে পৌঁছাতেই পারে না, এর উত্তরও দেয়া হয়না সবসময়। ক্লান্ত পরিশ্রান্ত হয়ে যখন বাড়ী ফিরি, তখন অকারণেই এসব রটণার প্রভাবে জর্জরিত হতে হয়। চলে যাবেন না উকিল সাহেব! সামান্য হলেও যে আমার কথা বুঝতে পেরেছেন, সে কথা অন্তত স্বীকার করে যান'!

কিন্তু গ্রেগরের বক্তব্যের শুরুতেই উল্টোদিকে ঘুরে গেলেন উকিল সাহেব। তারপর আবার কাঁধ ঝাঁকিয়ে কম্পিত ঠেঁটে চোখ ফিরিয়ে ওর দিকেই তাকালেন। যতক্ষন কথা বলছিল সে, ততক্ষন এক মূহুর্তও স্থির হয়ে দাঁড়ালেন না। বরং খুব আস্তে আস্তে, মনে হলো কোন এক বিশাল বাধা যেন তাকে অতিক্রম করতে হচ্ছে, সেভাবেই গ্রেগরের উপর থেকে চোখ না সরিয়ে দরজার দিকে এগিয়ে গেলেন। তারপর আচমকা, বসার ঘরের দরজার বাইরে এমনভাবে পা ফেললেন, মনে হলো তার জুতোর তলায় আগুন লাগিয়েছে কেউ। সেখান থেকে বারান্দা পেরিয়ে যেভাবে দু্থহাত সামনে বাড়িয়ে যেভাবে এগিয়ে গেলেন সিড়ির দিকে, মনে হলো ওখানেই তার জন্যে অপেক্ষা করছে এক অলৌকিক মুক্তি।

উকিল সাহেবকে এভাবে যেতে দেয়া কিছুতেই যে ঠিক হচ্ছে না, তা ভাবলো গ্রেগর। তাতে তার কর্মজীবনে বিপদের শঙ্কা আরো বেশী ঘনিভূতই হবে। বাবা মায়ের এতোকিছু ভাবার অবকাশ হলো না। বহু বছরের অভিজ্ঞতায় তারা ধরেই নিয়েছেন, গ্রেগরের এই চাকুরি তার সারা জীবনের জন্যেই স্থায়ী। তাছাড়া এ মূহুর্তের সমস্যা, তাদের সবরকম চিন্তাশক্তির সীমার বাইরের, এই ঘটনা নিয়েই ভাবনা সবচেয়ে বেশী। কিন্তু গ্রেগরের বিশ্বাস তখনও নষ্ট হয়নি। উকিল সাহেবকে এক্ষুনি থামাতে ও বোঝাতে হবে! টেনে আনতে হবে স্বপক্ষে! গ্রেগর ও তার পরিবারের ভবিষ্যত তো এরই উপর নিদারুণভাবে নির্ভর করেছে! বোনটি এখানে থাকলে ভাল হতো! সে যথেষ্ট বুদ্ধিমতি। অনেক কেঁদেছে, যখন গ্রেগর মেঝের উপর চীৎ হয়ে পড়ে ছিল। জানা কথা, মেয়েপাগল এই উকিলকে সে থামাতে পারতো। বাইরের দরজা বন্ধ করে বসার ঘরে উকিল সাহেবের সাথে কথা বলে তার ভয় দুর করতে পারতো। কিন্তু এখন সে তো ঘরে নেই! নিজেকেই যা কিছু করার করতে হবে। তার বক্তব্য উকিল কতটুকু বুঝলেন বা একেবারেই বোঝেন নি, তার নিজের চলার কতটুকু ক্ষমতা আছে বা নেই, এসব না ভেবেই সে দরজার পাল্লা থেকে সরে এলো। উকিল সাহেবের দিকে এগিয়ে যাবার জন্যে দুই পাল্লার ফাঁকে নিজেকে ঢুকিয়ে দিল। উকিল তখনো হাস্যকর মূর্তিতে বারান্দার রেলিঙ ধরে দাঁড়িয়ে। ছেট্ট এক চিৎকারে নিজের ছোট ছোট পায়ের উপর ভর করে মেঝেতে পড়লো গ্রেগর। পড়ার পরেই প্রথমবারের মতো শারিরীক স্বস্তি টের পেল নিজের ভেতরে। পা গুলো মাটি ফিরে পেল ও সেসাথে গ্রেগর ফিরে পেল সেগুলো নিযন্ত্রণের ক্ষমতা। সে আরো খুশী হলো, যখন দেখল, যেখানে যেতে চাইছে, পাগুলো তাকে সেখানেই নিয়ে যেতে পারছে। মূহুর্তেই বিশ্বাস করলো সে, তার সমস্ত যন্ত্রণার সমাধান আর দূরে নয়। অপরিচিত হেলেদুলে হাঁটার অভ্যাসে বেশীদুর এগুতেও পারে নি, মা তখনো তার কাছাকাছিই অসাঢ় হয়ে পড়ে আছেন। ঠিক সেই মূহুর্তেই তিনি উপরের দিকে হাত তুলে লাফিয়ে উঠেই চিৎকার করে উঠলেন, 'সাহায্য কর!, ঈশ্বরের দোহাই লাগে, সাহায্য কর কেউ'! মাথাটি নীচের দিকে, গ্রেগরের দিকে ফেরানো, মনে হলো ভাল করে দেখতে চাইছেন ওকে। কিন্তু উদ্দেশ্যহীনভাবে সরে গেলেন পেছনের দিকে, দেখলেন না তার পেছনে নাস্তার টেবিলটি। কাছাকাছি এসেই কোন এক অজানা ঘোরে বসে পড়লেন টেবিলের উপর। টেরও পেলেন না যে নাস্তার সমস্ত তৈজসপত্র, কফির কাপ, বড় জগ ছড়িয়ে পড়লো মেঝেতে। ঢক ঢক করে জগ থেকে কফি বেরিয়ে ভিজিয়ে দিল কার্পেট।
অসমাপ্ত.....
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আল্লাহর সাথে আমার দিদার কেমন ছিল?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:১২



আমি বিশ্বাসী মানুষ। আমার আল্লাহর দিদারে বিশ্বাস আছে। আল্লাহর সাথে আমার দিদার হয়েছে চার বার। প্রথমবার আমি স্বপ্নে দেখলাম হাসরের মাঠ। পূর্বে জাহান্নামের গভীর খাদ। খাদের উত্তর পাড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

তারেক রহমান: বগুড়ায় খাল খননের কিছু নেই, হসপিটালের অবস্থা দেখেন এখানে

লিখেছেন অপলক , ২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৪১

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আমি যাকি বলি God Gifted Surprise Prime minister আজ (২০এপ্রিল২০২৬) বগুড়া সফরে এসেছিল। অপ্রয়োজনীয় এজেন্ডা বেশি যা তার অদূরদর্শীতার পরিচয় দেয়।

বগুড়াতে খাল খননের কিছু নেই। এখানে ডিগ্রি কলেজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

এসএসসি - এইচএসসি বাচ্চারা সাবধান হয়ে যাও।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২১ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:৩২


ছবিতে আমাদের সবার প্রিয় মিলন স্যার। বয়স ৭০ এর কাছাকাছি হলেও স্যারের ছোটাছুটি থামেনি, বরং মনে হয় বয়সটা স্যারের কাছে একটা সংখ্যা মাত্র, যেটা স্যার পাত্তাই দেন না। স্যারের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সকালে শিক্ষক, বিকালে সবজি বিক্রেতা

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২১ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:৪৯


মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর বিভিন্ন আলোড়ন সৃষ্টিকারী পদক্ষেপে যখন মিডিয়া জগৎ সয়লাব এমনি সময় হটাৎ করেই ইউ টিউবে একটা ভিডিও চোখে পড়লো। ২ মিনিটের এ ভিডিওটা সেলফ এক্সপ্লানেটোরি ,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মায়াময় স্মৃতি, পবিত্র হজ্জ্ব- ২০২৫….(৯)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২১ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:১৬

অষ্টম পর্বের লিঙ্কঃ পবিত্র হজ্জ্ব- ২০২৫ এর মায়াময় স্মৃতি….(৮)

১০ই জিলহজ্জ্ব তারিখে (০৬ জুন ২০২৫) সূর্যোদয়ের আগেই আমরা মুযদালিফা থেকে রওনা হয়ে সকাল সকাল ‘বড় জামারাত’ বা জামারাত আল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×