প্রতিদিন বড়শীতে টিকটিকি গেঁথে
কাঁদাপুকুরে আনাগোনা তোমার,
প্রারম্ভিক সরল সংলাপ
পরমুহুর্তেই কুটিল মাকড়শাজাল।
পরিচয়ে সাংবাদিকতা থাকলেও
বক্তব্যে নেহায়েতই,
আগাগোড়া শিকারী শেয়াল!
নীরেট সময়ে তীরবিদ্ধ বুক ছোয়নি
নিষ্পাপ শিশুদের লাশ?
অথবা অচেনা সম্প্রদায়ের কোন
অসহায় মা আর আর্তনাদ?
ইরান তুরান পার হয়েও
অন্ধকার নাভীর জল ছুঁয়েছো চুড়োয়,
ধরেছো নিজস্ব বালকেরই হাত!
তারপরও নির্লজ্জ উলঙ্গ দাড়িয়ে
নিরস্ত্র গনসমাধির মুখোমুখি।
জেনো,
আশরাফ আর আতরাফ নির্ধারণে,
তোমার কলুষিত হাত,
ঈশ্বরের সামনে
পুরোপুরিই নটি বেশ্যাগার।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


