অনেক প্রশ্নেই সাদিকের চিন্তার সাথে আমার চিন্তার অমিল থাকতে পারে এ তা রয়েছেও। কিন্তু সে চিন্তার বিভাজন কখনোই অসহিষ্নুতার বেড়াজালে বন্দী হতে পারে নি। সে প্রশ্নে সাদিকের অবদানও কম নয়।
মুক্তিযুদ্ধ ও রাজাকার সংক্রান্ত কিছু আলোচনা আবেগের প্রভাব জনিত আলোচনায় কিছু ব্লগারবন্ধুর সাথে ইদানীং তার বেশ বড় একটা মতদ্বৈধতা দেখা দিয়েছে। বিষয়টি এ ব্লগে গত ক’দিন ধরে এত বেশী আলোচিত যে, এ নিয়ে আলাদা কোন আলোকপাত অতিরন্জিত। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধজনিত আবেগের প্রশ্নে জেবতিক আরিফ ও তার সমর্থনকারীদের যে অনুভুতি, আমার নিজের ভেতরেও এ অনুভুতিরই প্রচ্ছন্ন ও স্পষ্ট আবাস। নিজে আবেগপ্রবন, তাই আমার চিন্তা এ অনুভুতিকেই অতি কাছাকাছি ছুঁয়ে যাবে। সাদিকের মতো কট্টর বিশ্লেষক আমি নই। আমার অবস্থান তাই তার বিপরীত পক্ষেরই বেশী কাছাকাছি। কিন্তু সাদিকের চিন্তাভাবনার যে মূল্যায়ন তাদের কেউ কেউ করছেন, তার সাথে একেবারেই একমত হতে পারছি না।
সাদিককে কখনোই রাজাকার জাতীয় আখ্যা দেয়া যেতে পারে না। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা বিষয়ক বিভিন্ন আলোচনায় তার সক্রিয় মতামত সে সুযোগ কখনোই করে দেয়নি। ধর্ম বিষয়ক প্রশ্নে তার যা অবস্থান, তাতে তাকে কোন অবস্থাতেই ধর্মান্ধ বলা যেতে পারে না। ধর্মভিত্তিক রাষ্টব্যবস্থার বিপক্ষেই সবসময় তার মতামত দেখেছি। সে কারণে আমার সমমনা ব্লগারদের প্রতিই আমার তীর্যক দৃষ্টিপাত, সাদিককে আপনারা যে ভাগাড়ে দেখছেন, সত্যিকারের সাদিকের অবস্থান তার থেকে অনেক অনেক আলাদা জায়গায়। আশা করছি, আপনারা আমার বক্তব্যে আহত বোধ করবেন না ও সাদিককে সে অবস্থানেই দেখায় প্রয়াসী হবেন, সেখানে তার সত্যিকারে স্থান।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

