স্বদেশীয় সঙ্গীনির সাথেও অনেক সময় দাম্পত্য সমস্যা তৈরী হয়। তার কারনগুলো নিয়ে একটু অলোচনা করতে চাইছি। যারা এখন পড়াশোনা করেছেন, তারা এখানকার সমাজে জড়িয়েছেন বিভিন্নভাবে। এ সমাজের ভেতরে থেকে নিজের প্রতিষ্ঠার জন্যে যুদ্ধ করতে হয়েছে। সামাজিক আদান প্রদান ঘটেছে স্থানীয়দের সাথে। পড়াশোনার সময়ে যে সব বন্ধুবান্ধব তৈরী হযেছে, তাদের নানাধরণের সামাজিক ক্রীয়াকলাপে যোগ দিতে হয়েছে। তাতে মানসিক ও সাংস্ক তিক গঠনের যে পরিবর্তন ঘটে, তা পরবর্তী সময়ে স্বদেশীয় সঙ্গীনির সাথে সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কেউ মানিয়ে নিয়ে একসাথেই চলছেন, কারো কারো বেলায় তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। অন্যদিকে দেশীয় মেয়েরা যে বড় আর্থিক প্রত্যাশা নিয়ে সব আত্মীয পরিজন ছেড়ে তাদের স্বামীদের কাছে পাড়ি জমান, তা অনেক সময়েই পূরণ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। ভাষা না জানার কারনে সামাজিক একাকীত্বও তাদের জন্যে বড় সমস্যার কারন হয়ে দাঁড়ায়। প্রথম সন্তানের জন্ম বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই দ্রুত ঘটায় জার্মান ভাষা শেখাও একসময় গৌন হয়ে দাঁড়ায়। তারপরেও যারা মানিয়ে নিতে পেরেছেন, ভালো আছেন তারা। তবে তাদের ভবিষ্যত প্রজস্মেরা কি ভাবে এই দ্বৈত সমাজের দন্ধের মাঝে বেড়ে উঠবে, তা নিয়ে আলোচনার যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে।
যারা রাজনৈতিক আশ্রয়কে সম্বল করে এখানে স্থায়ী হয়েছেন, তাদের সমস্যাগুলো অনেকটাই আলাদা। তা নিয়ে পরবর্তী লেখায় আলোকপাত করবো বলে আশা করছি।
হয়তো আমার এই ছোট্ট লেখা কেউ কেউ অন্য দৃষ্টিকোন থেকে দেখবেন। আমারও তাই প্রত্যাশা। এতে আমাদের জানার পরিধি আরো বেশী বিস্তারিতই হবে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


