somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যখনই একজন মহিলা মিথ্যা বলে………

১১ ই জানুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১১:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একদিন এক মেয়ে-দর্জি নদীর ধারে বসে কাপড় সেলাই করছিল।সে সেলাইয়ের জন্য আঙ্গুলে টোপর পড়েছিল। হঠাৎ টোপরটি নদীতে পড়ে গেল।সে চিৎকার জুড়ে দিল।তার চিৎকার শুনে প্রভু হাজির হলেন।
প্রভু জিজ্ঞাসা করলেন, ‘ওহে শিশু। তুমি কাঁদছো কেন?’
মেয়ে-দর্জি বলল, ‘আমার আঙ্গুলের টোপর নদীর পানিতে পড়ে গেছে। পরিবারের ভোরণ পোষণের জন্য আমার স্বামীকে আমি সাহায্য করি। এখন আমার কী হবে?’
প্রভুর দয়া হল। তিনি তাঁর হাতখানা নদীর পানিতে ডোবালেন আর টেনে তুললেন একটি সোনালী আঙ্গুলের টোপর যার ওপর নীলকান্তমণি বসানো ছিল।
প্রভু বললেন, ‘এটা কী তোমার আঙ্গুলের টোপর?’
মেয়ে-দর্জি বলল, ‘না’।
প্রভু আবার হাতখানা নদীর পানিতে ডোবালেন আর টেনে তুললেন একটি সোনালী আঙ্গুলের টোপর যার ওপর পদ্মরাগমণি বসানো ছিল।
প্রভু জিজ্ঞেস করলেন, ‘এটা কী তোমার আঙ্গুলের টোপর?’
মেয়ে-দর্জি বলল, ‘না’।
তিনি তাঁর হাতখানা নদীর পানিতে পুনরায় ডোবালেন আর তুলে আনলেন একটি চামড়ার তৈরি আঙ্গুলের টোপর।

মেয়ে-দর্জি বলল, ‘হাঁ, এটাই আমার চামড়ার আঙ্গুলের টোপর’।
মেয়ে-দর্জির সততা দেখে প্রভু ভারী খুশি। তিনি দর্জিকে তিনটি আঙ্গুলের টোপরই দিয়ে দিলেন।এদিকে দর্জি খুশি হয়ে বাড়ি ফিরলেন।
অনেক বছর পার হয়ে গেল। একদিন মেয়ে-দর্জি তার স্বামীর সঙ্গে নদীর তীরে হাটছিলেন।এমন সময় তার স্বামী নদীর পানিতে আচমকা পড়ে কোথায় যেন হারিয়ে গেল।
সে চিৎকার জুড়ে দিল।তার চিৎকার শুনে প্রভু আবার হাজির হলেন।
প্রভু জিজ্ঞাসা করলেন, ‘ওহে শিশু। তুমি কাঁদছো কেন?’
মেয়ে-দর্জি বলল, ‘প্রভু, আমার স্বামী পানিতে পড়ে গেছে।’
প্রভু তাঁর হাতখানা নদীর পানিতে ডোবালেন আর জর্জ ক্লুনীকে তুলে আনলেন।
প্রভু বললেন, ‘এটা কী তোমার স্বামী?’
মেয়ে-দর্জি বলল, ‘হাঁ’।
প্রভু ভীষণ রেগে গেলেন।
তিনি বললেন, ‘তুমি মিথ্যা বলেছো’।
মেয়ে-দর্জি বলল, ‘আমাকে ক্ষমা করুন, প্রভু। একটা ভুলবুঝাবুঝি হয়েছে।আমি যদি জর্জ ক্লুনীকে ‘না’ বলতাম তাহলে আপনি ব্র্যাড পীটকে হয়তো নিয়ে আসতেন। এরপর আমি যদি ব্র্যাড পীটকে ‘না’ বলতাম তাহলে আপনি আমার স্বামীকে উঠিয়ে আনতেন। আর আমি যদি আমার স্বামীকে দেখে ‘হ্যাঁ’ বলতাম, আপনি আমাকে তিনজনকেই দিয়ে দিতেন।কিন্তু প্রভু আমিতো তিন স্বামীর দেখাশোনা করতে পারবো না।সেজন্য আমি জর্জ ক্লুনীকে ‘হ্যাঁ’ বলেছি’।
আর তাই হল। প্রভু জর্জ ক্লুনীকে রাখার অনুমতি দিলেন।
গল্পের নৈতিক উপদেশ হচ্ছে …………
যখনই একজন মহিলা মিথ্যা বলবে, অবশই কোন ভাল বা যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে এবং অন্যের সুবিধা বিবেচনা করেই বলবে।
Signed

All Us Women
৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মায়া বড় কঠিন বিষয় !

লিখেছেন মেহবুবা, ১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪০


মায়া এক কঠিন বিষয় ! অনেক চেষ্টা করে জয়তুন গাছ সংগ্রহ করে ছাদে লালন পালন করেছি ক'বছর।
বেশ ঝাকড়া,সতেজ,অসংখ্য পাতায় শাখা প্রশাখা আড়াল করা কেমন আদুরে গাছ !... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন-উচাটন

লিখেছেন বাকপ্রবাস, ১৩ ই মে, ২০২৬ সকাল ৯:৫০


তিড়িং বিড়িং ফাল পাড়ি,
যাচ্ছে রে মন কার বাড়ি?
পুড়ছে তেলে কার হাঁড়ি,
আমি কি তার ধার ধারি!

পানে চুনে পুড়ল মুখ,
ধুকছে পরান টাপুর-টুপ;
তাই বলে কি থাকব চুপ?
উথাল সাগর দিলাম ডুব।

আর পারি না... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভয়ংকর সেই খবরের পর… সন্তানের হাতটা শক্ত করে ধরুন

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৩ ই মে, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫

আজ সকালে খবরটি পড়ে আমার মনটা একদম ভেঙে গেল। ভাবতেই ভয় লাগছে—আমাদের সন্তানদের আমরা আসলে কতটা অরক্ষিত পরিবেশে বড় করছি! ছোট্ট একটি নিষ্পাপ শিশু, যে পৃথিবীটাকে ঠিকমতো চিনতেই শেখেনি, তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিন্দু খতরে মেঁ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৩ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


শুধুমাত্র মুসলিম বিদ্বেষী বক্তব্য দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে শুভেন্দু। তার বক্তব্যের মূলপ্রতিপাদ্য হলো হিন্দু খতরে মেঁ! আশ্চর্যের বিষয় হলো সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুরা নাকি মুসলিমদের দ্বারা নির্যাতিত হচ্ছে, কিছুদিন পরেই নাকি পশ্চিমবঙ্গ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সময় খুব দ্রুতই ফুরিয়ে যাচ্ছে।

লিখেছেন শ্রাবণ আহমেদ, ১৩ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৩০

দিনগুলো কেমন যেন দ্রুতই ফুরিয়ে যাচ্ছে!
দেখতে দেখতে মাস শেষ হয়ে যাচ্ছে,
এইতো সেদিন থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন করলাম,
আর এদিকে দেখি চার মাস শেষ হয়ে পাঁচ মাস চলছে। অথচ আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×