দিন গড়িয়ে রাত আসতেই অনেক খবরঃ
» নাটোরের গুরুদাসপুরে এইচএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় আত্মহত্যা করল দিনা!
» এইচএসসিতে ফেল করায় যশোরে সৈকত আল মামুন হৃদয় নামের এক পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা!
» এইচএসসিতে ফেল করায় আদনান আলি মেহেদী শোভন নামের এক শিক্ষার্থী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা!
» ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় দুই কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা!
» জয়পুরহাটে পরীক্ষায় ফেল করায় ছাত্রের আত্মহত্যা!
» চকরিয়ায় পরীক্ষায় ফেল করে পিতা মাতার সাথে অভিমান করে আত্মহত্যা করল নাজনীন।
---
এদের একজন ও আত্মহত্যা করেনি। এদের কে আমরা বিষ দিয়ে মেয়ে ফেলেছি। “অমুকের ছেলে পেল A+ পেল আর তুই করলি ফেল” “আমাদের আশা এভাবে ভেঙে দিলি?” “ভাবী, আপনার ছেলে পাশ করল না? ওকে দিয়ে কিছু হবে না।” “অমন সন্তানকে লালন করে কি লাভ” ... ব্যাস, এতটুকুই যথেষ্ট ... সারা দেশের ৭৮.৩৩ ভাগ পাশের মধ্যে এই ২১.৬৭ ভাগ ছেলে মেয়েগুলি যেন নিতান্তই আগাছা হয়ে উঠে। শুধু তাদের কাছে না... সমাজের কাছে জন্মানো এই কচি কচি আগাছা গুলো বাবা-মার সরবরাহ করা,পাশের প্ল্যাটের আন্টির দেওয়া, প্রতিবেশির দেওয়া, আমাদের সরবরাহ করা কীটনাশক ব্যবহার করে লাঞ্চণা থেকে মুক্তির চেষ্টা করেছে।
---
আমরা ভুলে যাই, উপরে একজন আছেন। উনি ‘LUCK’ বলে একটা শব্দ লিখে রেখেছেন। এই শব্দটা আমরা মাঝে মাঝে ভুলে যাই।... এই ভুলে যাওয়াই প্রতি বছর শত শত শিক্ষার্থীকে “আগাছা” বানিয়ে ছাটাই করছে। আজ যে ছেলেকে আগাছা বানিয়ে দিচ্ছি, হয়তো সে অন্য সাইটে “সারবৃক্ষে” পরিনত হত। কিন্তু আমরা সুযোগ দেই নি... সমাজের শিক্ষা ব্যবস্থা হয়ত কোনদিন বদলাবে না। কিন্তু মানুষগুলোর দৃষ্টিভঙি যদি বদলাতো, তাহলে হয়ত প্রতিবছর এত শিক্ষার্থী ঝরে পড়ত না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



