বর্তমান সরকার ক্ষমতার আসার পর থেকে একের একের পর এক যেমন সরকারী তথাকথিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল কলেজ অনুমোদন দিয়েছে তেমনি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ও অনুমোদন দিয়েছে যাচ্ছেতাই। বলার অপেক্ষা রাখে না, প্রত্যেকটি জেলায় জেলায় মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের (অল্প কয়েকটা জেলা বাকি আছে)অনুমোদন শুধুমাত্র তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য। অর্থাৎ নিজ দলের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য। তা নাহলে কোন রকম ভবন বা জায়গা নির্ধারণ না করেই কেনো বিশ্ববিদ্যালয়? এ প্রশ্নের উত্তর কি? বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা পড়ালেখা করে জিলা স্কুলে, হাস্যকর ব্যাপার এবং ওই স্কুলের ছেলে মেয়েরা মাঝে মাঝে তাদের ইভ টিচিং ও করে। যাই হোক, তথাকথিত বলছি এ জন্য যদি ছাত্ররা বিশ্ববাদ্যালয় এ ভর্তি হয়ে পর্যাপ্ত লেখার পড়ার সুযোগ সুবিধা না পায়, লাইব্রেরি সুবিধা না পায়, আবাসিক সুবিধা না পায় তাহলে তে শিক্ষার্থীর মনস্তাত্ত্বিক ভাবে ফিট হবে না। হাস্যকর ব্যাপার, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় এ শিক্ষকেরা বেতন ভাতা পান না! আজব!! এতোদিন শুনে আসছি সরকারী চাকুরী মানে চাকুরীর ১০০% নিরাপত্তা ও বেতন ভাতার নিরাপত্তা, তাতে কাজ না করলেও। এখন দেখি সরকারী চাকুরী করেও বেতন ভাতা পাওয়া যায় না। আরও আশ্বর্যের খবর হলো ওই ভার্সিটিতে ইমরান নামের একজন শিক্ষক আছেন ফিনান্স ও ব্যাংকিং বিভাগে, যিনি কিনা জাল সার্টিফিকেট দ্বারা যোগদান করছেন বর্তমানে বরখাস্ত।(সূত্র :প্রথম আলো ২৪/১১/২০১৪)। হায়রে দেশ! যে দেশে সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ হয় জাল সার্টিফিকেট দিয়ে। তাহলে ও শিক্ষক ছাত্রদেরকে বা কি পড়াবেন, একটু ভাবুনতো। আর এসব জেলায় জেলায় স্থাপিত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগের চেয়ারম্যান এর দায়িত্ব পান একজন লেকচারার। এরম অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম আনায়াসে বলা যায়। এতো অধ্যাপক পাবেন কোথায়, এজন্যই লেকচারার দিয়ে চালিয়ে নিচ্ছে। এবং অধ্যাপকরা ওসব দূর এলাকার (পাবনা দিনাজপুর বরিশাল পটুয়াখালী নোয়াখালী) বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরী করতেও ইচ্ছুক না। ভয়ংকর ব্যাপর হলো এসব নতুন বিশ্ববিদ্যানয় দলিয় রাজনীতি নিষেধ থাকলেও এখন বৈধ, আর তার ফলাফল আমরা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। আর অনেক অভিবাবক ওসব বিশ্ববিদ্যালয়ের চাইতে ঢাকায় প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করাতে স্বাছন্দ বোধ করেন। তাই শুধু জেলায় জেলায় এসব বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত না করে কিভাবে বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার গুনগত মান বাড়িয়ে সন্ত্র্রাস ও দলীয়প্রভাবমুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় রাখা যায় সেটা কি কর্তৃপক্ষ একটু ভাবার সময় নিবেন ।।।।।।
আলোচিত ব্লগ
২০০১ থেকে ২০০৬ / ২০২৬শে এসে আবারও দেশ ফিরে গেলো খাম্বার খপ্পরে ‼️
তারেক জিয়া “ ২০০১ থেকে


বাংলাদেশে AI, গণমাধ্যম, এবং জনস্বার্থের প্রশ্ন
বাংলাদেশে AI নিয়ে আলোচনা এখন আর শুধু “নতুন প্রযুক্তি” নিয়ে উত্তেজনা বা ভয় নয়। এখন বিষয়টা অনেক বড়। AI ধীরে ধীরে গণমাধ্যম, সরকারি কাজ, জনবিশ্বাস, ভাষা, এবং নীতিনির্ধারণের অংশ হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাল্যবিবাহে আমারও আপত্তি নেই, তবে…(একটু প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য)

১. প্রথমেই সেসব ফেসবুক যোদ্ধাদের কাছে প্রশ্ন, যারা লুবাবা‘র বাল্যবিবাহ নিয়ে খুব উৎসাহ দিচ্ছেন, তেনারা নিজেদের ১৪/১৫ বছরের কন্যা সন্তানকে বিয়ে দিবেন কিনা। বিয়ে মানে কিন্তু শুধু জীবনসঙ্গীর সাথে এক... ...বাকিটুকু পড়ুন
ট্রেইন্ড সালাউদ্দিন ওরফে শিলং সালাউদ্দিন ওরফে সংবিধান সালাহউদ্দিন

ট্রেইন্ড সালাউদ্দিন ওরফে শিলং সালাউদ্দিন যিনি দীর্ঘসময় ভারতের তত্ত্বাবধানে শিলংয়ে সংবিধানের ওপর পিএইচডি করেছেন ফলে উনি এখন সংবিধান সালাহউদ্দিন যার সুফল এখন আমরা পেতে চলেছি। ইতোমধ্যেই আপনারা লক্ষ্য করেছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইরানের জন্য কি জাপানের পরিণতি অপেক্ষা করছে?

ইরানের মোল্লাতন্ত্র নিয়ে অনেক সমালোচনা থাকলেও একটা বিষয় কিন্তু ঠিক, ওরা ভাঙে, তবে মচকায় না৷পৃথিবীর কত কত দেশের সরকার ও সেনাবাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের হুমকিতে কাপড় নষ্ট করে ফেলে, অথচ ইরান সগর্বে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।