somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আলোকচিত্রী বেগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ।

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ২:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শেষ গেছি আরও প্রায় ৩ মাস । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবার ব্যাপারে আমার এর্লাজি ছিলো । যেতে চাইতাম না । উচ্চ মাধ্য্যমিক পরীক্ষার পর যখন ভর্তি হতে পারলাম না তখন খুুব কষ্ট পেলাম মনে । ঠিক করলাম ঢাবি তা আরর যাবই না আর তখন গেলে নিজেকে কেমন যেনো এতিম এতিম লাগলো । মনে হতো অনেক বড় একটা জিনিস জীবন থেকে হারিয়ে ফেলেছি । আহ তখনো যদি কলেজটা পাশ না করতাম তাহলে এই বিশ্ববিদ্যালয় আমার হয়েই থাকতো আরও কিছু দিন ।
এবার একটা ঘটনা বলবো । ঘটনাটা এমন । আজ থেকে প্রায় ৩ মাস আগে আমি শেষ যখন ঢাবি তে যাই তখন আমার সাথে ছিল দেশ প্রসঙ্গ পত্রিকার সম্পাদক নকিব ভাই । অনেক দিন নকিব ভাইয়ের সাথে দেখা হয় না তাই যাওয়া । বসলাম জাতীয় গন্থাগারের পাশে কেন্টিনটার সামনে । তখন ওখানে বই মেলা হচ্ছে । আমরা বসবার কিছুক্ষন পর ৩ জন ছেলে আমাদের পাশে বসলো (বয়স ১৮ থেকে ২০,পরনে শার্ট ও প্যান্ট )। তারা কোনো কথা বলছে না তবে খুব মনযোগ দিয়ে আমাদের কথা শুনছে । ভড়কে গেলাম কি করবো এখন ।এক জনের বুকে ঢাবি আইডি আছে বাকি দুজনের নেই । আমাদের কথা শেষ হবার মিনিট পাঁচেক আগে ওরা একটুু দুরে গিয়ে বসলো এবং গল্প শুরু করলো নিজেরাই । আমরা হাপ ছেড়ে বাচলাম । অবশ্য ননকিব ভাই ব্যপারটাই কোনো প্রতিক্রিয়া দেখালো না । যাই হোক সেদিন তাদেের সন্তুষ্টি দেখে বুঝলাম কোন দল । (রাজনীতি বলছি এই কারনে যে আমাদের পুরো আলাপটাই ছিলো রাজনৈতিক ও লম্বা) । কারন আমি পুরো সময়টাই আওয়ামীলীগ কে তেল দিয়েছি । কে যায় ঝামেলাায় । এখন ভাবি সেই দিন এই আড়ি পাতার প্রতিবাদ করলে বা আওয়ামীলীগ কে গালি দিয়ে কথা বললে আমার অবস্থাও কি ফটোগ্রাফার বেগ এর মতো হতো ?
ঢাবি এখনো আমাদের বিবেক । ১৮ কোটি মানুষের দেয়া আস্থা । এইই আস্থাকে পুজিঁ করে তারা যদি আইন এর বাাহিরে থাকতে চায় বা সুবিধা নেয় । তাহলে তাদের উপর থেকে অচিরেই এই আস্থা উঠে যাবে যা কারো জন্যেই মঙ্গল জনক না ।
তারা বলতে পারে বাহিরের লোক এসে পরিবেশ নষ্ট করে । কথাটা পুরো পুরি ঠিক না । আর যারা করে তাদের জন্য আইন আছে । ঢালাও ভাবে দোষ দেবার কোনো অধিকার কারোর নাই । আর পৃথিবীর এমন একটা উন্নত দেষ কেউ দেখাতে পারবে না যেেখানে বহিরাগত প্রবেশ নিষেদ । এই ভাবে চলতে থাকলে ঢাবি ছাত্র ছাত্রীদের খাঁচাই ভরে রাখতে হবে । যেভাবে মানুষ সাফারী পার্কে ঘোরে । শেষে ঢাবি কে বলবো যাদবপুর দেখেন । প্রেম বা চুমু সব সময় অশ্লীল কিছু না । আর উনারা ছিল মামা ও ভাগ্নী । তাহলে কেনো এমনটা হলো ।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অনেকটা পথ হেঁটে এসেছি

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:০৫




১৯৯৭ সাল।

আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়ি।

স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মামুন ভাইয়ের একটা অডিও ক্যাসেটের দোকান ছিল। পাশেই মির্জা ভাইয়ের কনফেকশনারি। টিফিনের সময় ওখানে প্যাটিস খেতাম।

সেই সময় অডিও ক্যাসেটের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশটাতো এখন রাজাকারদের....

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৮




একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে বাদী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী (৮৭)। মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়ার প্রস্তুতি চলার সময় জামাতের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝর্ণা জল

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:২১


আমি ব্যস্তবতা দেখি
পানকৌড়ির সাঁতার-
কল্পনায় শুধু স্বপ্ন আঁকি,
মধ্যবিকাল ঢেউ তোলা সাগর
হতাশা ডিঙিয়ে যায়- নিরিবিলি
রাত দুপুরের বাসর।

উড়ে ধোয়া, নিঃশ্বাসে সাদা বক,
খেলা করে যে, প্রণয়ের চক-
নীল মেঘ ভীর জমায়, বর্ষা কাঁদাময়,
ভোরের ক্লান্তি দেখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিম করা কি হারাম?

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬




জিম করা কি হারাম?

হ্যাঁ, জিম করা হারাম!

যদি জিমে গিয়ে নিজের পেশিবহুল বাহুডোরে কোনো ললনাকে জড়িয়ে ধরেন!

কিন্তু তারপরেও কথা থাকে।

এখানে জড়িয়ে ধরাটা হারাম। জিম করাটা নয়!

অর্থাৎ, জিমে গিয়ে শরীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×