somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এ নালিশ আমি কার কাছে করব?????? কর্তৃপক্ষকি কি শুনবে আমার কথা???

১৬ ই জুলাই, ২০১৪ রাত ৮:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অত্যন্ত দুঃখ-বেদনা ভারাক্রান্ত মনে এবং তীব্র ক্ষোভ নিয়েই লিখতে হচ্ছে।

আল-হামদুলিল্লাহ আমি বাবা হতে যাচ্ছি। কিন্তু সুখবরটা আমি যতটা সহজে দিলাম বাস্তবতাটা কি আসলেই এতোটা মধুর?????

আমাদের এলাকা (যেখানে আমরা বসবাস করি)এবং শহরের (ঢাকা) রাস্তাঘাট অত্যন্ত নাজুক, ভাঙ্গা এবং ছোট বড় অনেক গর্তে ভরা। আমাদের চলাফেরায় অনেক কষ্ট হলেও এটা নাহয় মেনেই নিলাম। কিন্তু আমার অনাগত সন্তানের কি অপরাধ??? আমার বিয়ের পরে আমার স্ত্রীর তিনটি সন্তান মিসক্যারেজ হয়েছে শুধু ভাঙ্গাচুড়া রাস্তার জন্য। কারন তাকে প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়েই অফিসে যাতায়াত করতে হতো। অবশেষে ডাক্তারের পরামর্শে তাকে এতো ভালো একটা চাকরী ছেড়ে দিতে হয়েছে। যাইহোক, অবশেষে আল্লাহপাকের আশেষ মেহেরবানীতে আমরা যখন নতুন প্রজন্মের অপেক্ষায়, তখন তার সুষ্ঠু বেড়ে উঠা এবং পৃথিবীতে আগমন উপলক্ষে আমাদের নিয়মিতই ডাক্তারের কাছে যেতে হয়। কিন্তু সেদিন ডাক্তারি চেকআপ করে বাড়ি আসার পথে এই রাস্তার জন্যই তার "প্লসেন্টা" অত্যন্ত নীচে নেমে যায়। অগত্যা নিরুপায় হয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে।

আমি কর্তৃপক্ষকে বলতে চাই, আমার ১ মাস চাকুরী করার পরে বেতনের টাকা আমার হাতে আসার আগেই ইনকামট্যাক্স বাবদ একটা বিশাল টাকা কেটে নেয়া হয়। আমাদের নিজেদের বাড়ি হওয়ায় সিটি করপোরেশন ট্যাক্স ও দিতে হয়। তারউপর ময়লা পরিস্কারের জন্য অতিরিক্ত চাঁদা। এসব দিয়েও যদি আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে নিয়ে এতো দুর্ভাবনায় থাকতে হয়, তবে এতো এতো ট্যাক্স আর চাঁদা নেয়া বন্ধ করে দিন।

স্ত্রী এবং মাকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে রিলিজ হয়ে বাড়িতে আসার সময় কোন সিএনজি তো পাওয়াই যাচ্ছিল না। কেউ আসতে রাজি নয় দূরত্ব কিছুটা কম হওয়ায়। অবশেষে একটি সিএনজি পেলাম যার ভাড়া ১৭০ টাকা আর আমি বাসায় এসে দেখলাম সিএনজির মিটারে উঠেছে মাত্র ৩৩ টাকা। সিএনজি চালকদের এই অত্যাচার এবং অবিচারের বিচারও আমি কার কাছে দিব বলতে পারেন????

আরো একটি বিরাট সমস্যা হচ্ছে রাস্তায় গাড়ি এবং বাইকগুলোর হাইড্রলিক ভেঁপু। এলাকার রাস্তাটা খুব চওড়া নয়। কিন্তু বাইক চালকরা এতো দ্রুত আর এতো জোরে ভেঁপু বাজাতে বাজাতে যায় যে অত্যন্ত অসুস্থ বোধ করি। তারপর রাস্তায় গেলে তো বাস-ট্রাকগুলোর অনবরত ভেঁপু বাজতেই থাকে। সবচেয়ে ভয়ানক ব্যাপার হচ্ছে হঠাৎ করে পিছন দিক থেকে এসে ভেঁপু বাজানোটা। আর রাস্তার ধুলাবালির কথা নাইবা বললাম। বাললেই বা কে শুনবে আমাদের এই দুঃখের কথা????
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের শাহেদ জামাল- ৯৫

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:১২



আমার নাম শাহেদ। শাহেদ জামাল।
মূগদা হাসপালে ডাক্তার দেখিয়েছি। সরকারি হাসপাতাল। ভিজিট মাত্র ১০ টাকা। শেখ হাসিনা দেশের মানুষদের জন্য এই হাসপাতাল করেছেন। যেহেতু সস্তা, তাই অনেক,... ...বাকিটুকু পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধবিরতি মানবে ইসরায়েল

লিখেছেন লিংকন বাবু০০৭, ০৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৪১

অনিচ্ছা নিয়েই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধবিরতি মানবে ইসরায়েল: সিএনএন।

রাতভর উৎকণ্ঠার পর অবশেষে শর্তসাপেক্ষে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এই খবরে বিশ্ববাজারে কমতে শুরু করেছে জ্বালানি তেলের দাম।
যুদ্ধবিরতির... ...বাকিটুকু পড়ুন

=সবাই যে যার মত নিঃসঙ্গ=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৪৮



নিস্তব্ধ রাত অথবা দিনের দুপুর
যখন একাকি আনমন
নিঃসঙ্গতা এসে চোখে দাঁড়ায়, কোথাও কেউ নেই;
হতে হয় নিমেষই নিঃসঙ্গতার কাছে নমন।

কেউ আসে না মনের ঘরে
খোঁজ নিতে দেয় না কেউ উঁকি;
স্মৃতিঘরে ফিরে যেতেও চাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

নেপাল সিরিজ ১ঃ শিক্ষায় নুতন চেষ্টা

লিখেছেন সাহাদাত উদরাজী, ০৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:৩৬

আসেন নেপালের নুতন সরকার এসে ১০০ দিনের যে পয়েন্ট গুলো ঘোষনা দিয়েছে তার মধ্যে শিক্ষা ব্যবস্থা এই কয়েক দিনে কি করলো, জানি! অন্যান্ন পয়েন্ট নিয়েও লিখবো, আজকে শুধু শিক্ষা নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বে-কিয়ামি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৯ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:১৯


ছোটবেলার সেই দিনগুলোর কথা ভাবলে সবার আগে কানে ভেসে আসে মিলাদ মাহফিলের সেই ভক্তিভরা সুর। "ইয়া নবী সালামু আলাইকা, ইয়া রাসূল সালামু আলাইকা"-এই পঙক্তিগুলো যখন সমস্বরে পড়া হতো, তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×