আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার এ কে এম নাসিরউদ্দিন মাহমুদ সোমবার এক ব্রিফিংয়ে জানান, কাদের মোল্লার মামলাটি মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনাল-২ এর কার্যতালিকায় রাখা হচ্ছে।
২০১০ সালে ট্রাইব্যুনাল গঠনের মধ্য দিয়ে বহু প্রতীক্ষিত এই বিচার প্রক্রিয়া শুরুর পর এটি হবে যুদ্ধাপরাধের মামলার দ্বিতীয় রায়।
এর আগে গত ২১ জানুয়ারি জামায়াতের সাবেক রুকন আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলাটি যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে।
দুই ট্রাইব্যুনালে জামায়াতের সাবেক ও বর্তমান আমিরসহ আরো ছয় জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর শুনানি চলছে।
গত ১ নভেম্বর কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে হত্যা, খুন, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনে রাষ্ট্রপক্ষ। এরপর ২৮ ডিসেম্বর অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল।
গতবছর ২৮ মে ট্রাইব্যুনাল-২ কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে খুন, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ছয়টি ঘটনায় তার বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারক।
কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ যেসব ঘটনা তুলে ধরেছে তার মধ্যে রয়েছে পল্লবীর আলোকদি গ্রামে ৩৪৪ জনকে হত্যা, খন্দকার আবু তালেবকে হত্যা, বাংলা কলেজের ছাত্র পল্লবসহ সাত জনকে হত্যা, কেরানীগঞ্জের শহীদনগর গ্রামের ভাওয়াল খান বাড়ি ও খাটারচরসহ পাশের আরো দুটি গ্রামের অসংখ্য লোককে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।
ওইসব ঘটনার স্থান হিসেবে মিরপুর ১২ নম্বর থেকে মিরপুর ১ নম্বরসহ শাহ আলীর মাজার পর্যন্ত এবং ঘটনার সময় হিসেবে একাত্তর সালের ২৫ মার্চ থেকে ওই বছরের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ধরা হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধকালে মোস্তফা নামের এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগে ২০০৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর কাদের মোল্লাসহ কয়েকজন জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা হয়। এছাড়া ২০০৮ সালে পল্লবী থানায় আরো একটি মামলা হয় কাদেরের বিরুদ্ধে। এ মামলাতেই ২০১০ সালের ১৩ জুলাই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শুনানির প্রায় শেষ পর্যায়ে এই জামায়াত নেতা পুনর্বিচারের আবেদন করলেও গত ৭ জানুয়ারি তা খারিজ করে দেয় ট্রাইব্যুনাল।
কাচ্চি কাচ্চি
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


