এক সড়ক দুর্ঘটনায় শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া মারা গিয়েছেন। তারা এক যৌথসমাবেশ করতে দৌলদিয়া যাওয়ার পথে পাটুরিয়া ফেরিঘাটের ৩ কিলোমিটার আগে এই দুর্ঘটনায় পড়েন। তাদের যাতায়াতকে নির্বিঘ্ন করতে রাস্তা ফাঁকা করা হলেও রাস্তার খাদাখন্দগুলো সরানো যায়নি। তেমনই একটি গর্তকে পাশ কাটাতে গিয়ে চালক গভীর খাদে গাড়ি ফেলে দিয়েছেন। তবে, চালক নিরাপদে পালিয়ে গেছেন। এই মুহুর্তে যোগাযোগমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এবং মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের সচিব ঘটনাস্থলে রয়েছেন। তাদের এই অকাল মৃত্যুতে জাতি শোকচ্ছন্ন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি পৃথক শোক বার্তায় শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতিও শোকবাণী দিয়েছেন। স্পিকার এক জরুরি সংসদ সভা আহ্বান করে সংসদে শোকপ্রস্তাব নিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি সংসদে উপস্থিত হয়ে ভাষণ দিয়েছেন এবং দেশে সাতদিনের শোক দিবস ঘোষণা করে আশা প্রকাশ করেছেন যে, দেশে আগামী ৭দিন কোন ধরনের দুর্ঘটনা ঘটবে না। রাষ্ট্রপতির আহ্বানে সাড়া দিয়ে সকল গাড়ি চালক এক মিনিটের জন্য গাড়ি চালানো বন্ধ রেখেছিল।
৭ দিন পর
গতকাল সারা দেশে পৃথক পৃথক ৬১টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১২৩ জন মারা গিয়েছে এবং ২৩৫ জন আহত হয়েছে। নাগরিক সমাজ দেশের দুই নেত্রী সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার মাত্র ৭ দিন পরেই এই ধরনের সড়ক দুর্ঘটনা অব্যাহত থাকায় বিষ্ময় প্রকাশ করেছে। মিডিয়াগুলোতে এতো এতো টক শো চলছে তারপরও কেন সড়ক দুর্ঘটনা কমছে না সেনিয়ে উচ্চ আদালতে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি এক বিশেষ সভা ডেকেছেন। সভার শুরুতেই রাষ্ট্রপতি বললেন যে, তিনি স্বপ্রণোদিত হয়ে এই সভা আহ্বান জানালেও মিডিয়া বিশেষ করে ফেসবুকের মতো সামাজিক মিডিয়া তাকে উদ্বুদ্ধ করেছে এই সভা আহ্বানে। মূলত, ফেসবুকের আলাপ আলোচনা থেকে তিনি বুঝতে পেরেছেন সড়ক দুর্ঘটনা রোধে একটি জাতীয় ঐক্যমত তৈরি না করা হলে তিনি নিজেও সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যেতে পারেন। তাই তিনি মিডিয়ার ব্রেকিং নিউজ না হওয়ার জন্যই আজকের সভা ডেকেছেন। তিনি মনে করেন, নিরাপদ সড়কে চলতে পারাটাও মানবাধিকার। আর এই মানবাধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব আইনের। রাষ্ট্রের। রাষ্ট্র পরিচালকদের। যেখানে বিরোধী দলেরও ভূমিকা আছে। কারণ সঠিক উন্নয়ন সকলের অংশগ্রহণেই সম্ভব। নতুবা নয়। বিভক্তির রাজনীতি মানুষের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় অন্তরায়।
ধন্য রাষ্ট্রপতি। আপনাকে ধন্যবাদ।
(এটা একটা কাল্পনিক লেখা। জনস্বার্থে এই কল্পনা। দুই নেত্রীর কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। আপনারা দীর্ঘজীবি হোন। আমাদেরকেও অকাল মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করুন। প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনায় যারা প্রাণ হারাচ্ছেন তাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা জানিয়ে এই লেখা। রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এই লেখার দ্বিতীয় অংশ থাকবে। যেখান থেকে আরো কিছু তথ্য জানা যাবে।)
copy paste

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



