somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আজ আমার জন্মদিন

২০ শে মার্চ, ২০১৫ সকাল ৭:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজ আমার জন্মদিন !এই পৃথিবীতে এমনি একটি দিনে আমি এসেছিলাম,আজ সেই দিন !আমি নিজেও এ বিষয়ে অবহিত যে, জগতের লক্ষ কোটি মানুষের এই পথচলায় আমার অতি ক্ষুদ্র আমিটির পৃথিবীতে আগমন বা প্রস্থানে কোন ভাবেই কোন গুরুত্ব বহন করে না !!

কালের অথৈ গহবরে নিমজ্জিত হয়ে থাকা বেশ কয়েক বছর আগের এমনি একটি দিনে আমি পৃথিবীর আলো বাতাস প্রথম স্পর্শ করি !নিশ্চয় সেইদিনের জন্ম ক্ষণে আমি গলা ফাটিয়ে কান্না করেছিলাম আর তখন আমার বাবা মা আমার কান্নাকে উপেক্ষা করে হাসি মুখে পরমানন্দে আমার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে অতি ব্যাস্ত ছিলেন !

আমার মুখে কান্না ছাড়া তখন আর কোন ভাষা ছিলোনা !
ছলছল চোখে চারিদিকটা একটু পরখ করে নিয়েই যেনো আবার সেই কান্নাতেই মগ্‌ণ হতাম !
কারন,তখন কান্নাই ছিলো আমার একমাত্র ভাষা !
তখন হয়তো আমার বাবা মা আমার কান্নাকে ক্ষুধার সংকেত হিসেবে ভেবেনিয়েছিলো !তাই কোন খাবার আমার উপযোগী সেটা যোগাড় করতেই তারা ছিলেন মরিয়া অথচ তারা কেউই প্রশ্ন করেনি আমার কান্নার পেছনে কি রহস্য জমা ছিলো !?

আমি হয়তো সেদিন কেদেছিলাম এইভেবে আমাকে যে এই পৃথিবীতে স্থানান্তর করা হল তা আমার জন্য মোটেই বাস যোগ্য নয়,আমিতো আমার পূর্বের স্থানেই ভালো ছিলাম !
কোন ভুলে জোর করে এই কষ্টের হাহাকারময় এক বীভৎস্য ধরণীতে আনলে ?
এই বিশাল এক প্রশ্নের মুখোমুখি হতেই যেনো কেঁদে ফেলতাম আবারো !

আমিতো আর ধূলোয় জমে পড়ে থাকা কোনো ক্যানভাসে রংতুলির আচড়ে আঁকা মানুষ নই !তাইতো চলন্ত সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে আমার ক্ষুদ্র শরীর্টাও আস্তে আস্তে বাড়তে শুরু করলো !

এভাবে দিন গড়িয়ে সপ্তাহ,সপ্তাহ গড়িয়ে মাস,মাস গড়িয়ে বছর যেতে থাকলো আর আমার বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমিও অনেক বড় হতে থাকলাম !

আজ আমার জন্মদিন।একটা সময় ছিলো যখন আমি এই পৃথিবীর কোন কিছুই জানতাম না।
যদিও এখোনো অনেক কিছুই জানিনা !
কেননা সেই সময়ে জানার পরিধি ছিলো অল্প আর তার চেয়েও অল্প ছিলো আমার মনের প্রশ্নগুলো।

শৈশব হারিয়ে যেতে যেতে শেষ হতে লাগলো আমার অনেক স্বপ্ন কিংবা তীব্র ইচ্ছাগুলো!সময়ের সাথে সাথে আমিও পাল্টাতে শুরু করি,নতুন নতুন আশাকে পুজি করে প্রতিদিন নতুন করে পথ চলতে চেষ্টা করে যাই !

আমি বড়ই ধৈরয্যহীন !এই কথাটি শুধু আমার বাবা-মা ই নন আমার কিছু কিছু প্রিয়মানুষও বলেন !
কখনোই কোনদিন আমি আমার স্বপ্ন কিংবা আশার সর্বোচ্চ শিখরে যেতে পারিনি আমার অধৈরয্যতার জন্য !
আর হয়তো কোনদিন যাওয়াও হবে না !

অতীতে কতটা কি করেছি তা আর হাতের আঙ্গুলে গুনতে চাই না, শুধু জানতে চাই অতীত জীবনে যে দিনগুলো ফেলে এসেছি তা কি আর ফিরবার নয় !?
৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আ-তে আনন্দবাজার, আ-তে আওয়ামী লীগ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৫


ইন্টারনেটে খবর পড়তে পড়তে হঠাৎ একটা শিরোনাম সামনে এলো। পড়েই কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হলো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বুঝি বিশাল কোনো ঘটনা ঘটে গেছে। শিরোনাম, “আধ পয়সা বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০১৮ সালের পর ঢাকাতেই ৪টা এক্সপ্রেসওয়ে

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩



একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪



শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বর্তমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: দায় কার?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭


সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাপিত জীবন.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৭


১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×