"ইসলামে নারী সম্মানের ভুগিজুগি এবং একটি গল্প" শিরোনামে এই ব্লগার একটা উদ্ভট হাদীস মুত্রমনা ব্লগ থেকে সংগ্রহ করে নিয়ে এসে সামুতে পোস্ট করেছে। রেফারেন্স চাইলে সে আবার একজন মুত্রমনার ফেসবুক পেইজের একখান পোস্টের লিংক দিয়েছে। তার বিদ্যার দৌড় যে কতটুকু, তা ইতিমধ্যে বুঝিয়ে দিয়েছে। তাই এই আবর্জনা ঘাটাঘাটির কোন ইচ্ছে ছিলনা।
কিন্তু সে গর্হিত অপরাধ করেছে, তার বক্তব্যের সমর্থনে সূরা নিসার ২৪ নম্বর আয়াতের অপব্যাখ্যা দিয়ে। কোন সরলমনা মুসলিম এই লেখা পড়লে বিপথে যাবার সম্ভাবনা আছে যদি সত্যাসত্য যাচাই করে না নেয়।
হেফাজতে ইসলামের আন্দোলনের পর ইসলাম বিদ্বেষীদের খুব দুর্দিন চলেছে। তাদের লেখা সমস্ত পোস্ট নাগরিক ব্লগসহ অন্যান্য ব্লগ মুছে দিয়েছে। হেফাজতের আন্দোলন খুব নির্মমভাবে দমন করা হলেও ইসলাম বিদ্বেষীদের ষড়যন্ত্র মানুষ জেনে গেছে - এটাই হেফাজত আন্দোলনের বড় সফলতা। এর পর থেকে ইসলাম নিয়ে চুলকানি ওয়ালারা সাধারণত নিজের অভিজ্ঞতা বা অন্য বিষয় নিয়ে লিখার দিকেই বেশি মনোযোগ দেয়।
কিন্তু চুলকানি যখন তীব্র হয়, তখন কাপড় খোলা ছাড়া আর উপায় থাকেনা। এতদিন চুপ করে পড়ে থাকা ইসলাম বিদ্বেষীরাও এখন কাপড় খোলার জন্য ব্যস্ত হয়ে গেছে। কিন্তু ইসলাম সম্পর্কে যারা প্রকৃত জ্ঞান রাখেন, তারা নিশ্চয়ই জানেন, প্রকাশ্যে কাপড় খোলা কবিরা গুনাহ। তাই যখনই দেখবেন, ইসলাম বিদ্বেষী চুলকানি বাজরা কাপড় খোলার চেষ্টা করছে, তখনই তাকে নিবৃত করা আপনার দায়িত্ব হয়ে যায়। কারণ একবার কাপড় খুলে ফেললে যারা যারা সেদিকে তাকাবে, সবাই তার গুনাহের ভাগীদার হবে। একজন প্রকৃত মুসলিম কখনোই চাইবেনা আরেকজন মুসলিম কোন গুনাহের ভাগীদার হোক।
তাই, আপনার আমার সকলের দায়িত্ব হবে, কোন চুল্কানিবাজ যাতে ব্লগের মত ব্যাপক জনসমাগমস্থলে পরনের কাপড় খুলতে না পারে - সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা।
আল্লাহ আমাদেরকে তার দ্বীনের রক্ষণাবেক্ষণে এক একজন জাগ্রত সৈনিক হিসেবে দায়িত্ব পালনের তৌফিক দান করুন। আমীন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



